সা জ গো জ : ব্রণ দূর করতে ত্বকের যত্ন
বর্ষা গাঙ্গুলী
সৌন্দর্যের মূল উত্স হচ্ছে সুন্দর ত্বক। আর সুন্দর ত্বক পেতে করতে হবে সঠিক নিয়মে পরিচর্যা। ত্বক জন্মগত, তবুও এ নিয়ে রূপ সচেতন তরুণীদের যেন চিন্তার শেষ নেই। প্রকৃতির তারতম্যের কারণে ঋতুর পরিবর্তন ঘটে। আর প্রকৃতির সঙ্গে পাল্লা ধরে তরুণীরা নেমে পড়ে ত্বকের যত্নে। সব ঋতুতেই ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সামান্য অসচেতনতার কারণেও হতে পারে ত্বকে নানান সমস্যা। কর্মজীবী গৃহিণীসহ সবারই ত্বকের যত্নের প্রয়োজন রয়েছে। তাছাড়া আমরা যারা বাইরে বের হই, তাদের বিশেষভাবে যত্নের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। ত্বকের প্রধান শত্রু ব্রণ। ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করার অন্যতম প্রধান কারণ এটি। অযত্ন-অবহেলায় ত্বক আর্দ্রতা হারায়, হয়ে ওঠে শুষ্ক। এছাড়াও রোমকুপে ময়লা জমে ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যায়, ফলে ব্রণ হয়। ত্বকে ব্রণ হলে এর নমনীয়তা কমে যায়। সবকিছুর মূলমন্ত্র হচ্ছে পরিষ্কার-পরিছন্নতা। সব ধরনের ত্বকেই ব্রণ দেখা যায়, তবে তৈলাক্ত ত্বকে এর প্রভাবটা পড়ে বেশি। তাই বাইরে থেকে ফিরে ত্বক পরিষ্কার করে নেয়াটা খুব জরুরি হয়ে পড়ে।
ত্বকের যত্ন : প্রথমে ত্বকের গভীরের ময়লা পরিষ্কার করতে ভালোমানের ফেসওয়াস দিয়ে ত্বকের গভীর থেকে মুখ পরিষ্কার করে নিন। এরপর ২-৩ মিনিট সময় নিয়ে মুখে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিন। নিজের সিগ্ধতা বাড়াতে, পাশাপাশি সতেজতা বজায় রাখতে দুধের সর, কাঁচা হলুদ, মসুর ডাল মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন। সপ্তাহে দু’দিন এভাবে রূপচর্চা করলে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও লাবণ্যময়। এছাড়াও রোমকুপের গভীর থেকে ময়লা ভালোভাবে পরিষ্কার করার জন্য মাসে অন্তত একবার ভালোমানের কোনো পার্লারে অভিজ্ঞের কাছ থেকে ত্বকের ধরন বুঝে ফেসিয়াল করে নিতে পারেন। এতে আপনার ত্বক ভালো থাকবে।
ব্রণ ত্বকের জন্য টিপস
—তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের প্রভাব বেশি দেখা যায়, তাই তৈলাক্ততা দূর করতে ডাবের পানির সঙ্গে কাঁচা দুধ মিলিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
—চন্দন ঘষে মুখে লাগান, এতে তৈলাক্ত ভাব কমবে।
—নিয়মিত চন্দন প্যাকের সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগান।
—ঘি, মধু মিলিয়ে মুখে লাগান, উপকার পাবেন।
—শসার রসের সঙ্গে মধু, সুজি মিলিয়ে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এ মিশ্রণটি পোড়া দাগ থেকে রেহাই পেতে সাহায্য করে।
—মালটার রস, গোলাপ জল, চিনি ও গুঁড়ো দুধ মিলিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন, এরপর মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রাখুন, পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক হবে মোলায়েম ও উজ্জ্বল। এভাবে নিয়ম করে একদিন পরপর করুন।
—যথাসম্ভব কসমেটিক্স ব্যবহার থেকে দূরে থাকুন।
—মালটার রস, দারুচিনি গুঁড়া সঙ্গে মধু মিশিয়ে ব্রণের ওপর লাগান, উপকার পাবেন।
—বেকিং পাউডার, বেসন মিলিয়ে মুখে লাগান। ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। পরে গোলাপ জলের সঙ্গে ঠাণ্ডা পানি মিশিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের মরা কোষ দূর হবে এবং রোমকূপে ময়লা জমতে পারবে না।
—ধনেপাতা ও চন্দন গুঁড়া মিলিয়ে মুখে লাগান। এতে আপনার ত্বকের দাগ মেলাতে সাহায্য করবে।
ব্রণের সতর্কতা
—ত্বকে ব্রণ হলে নখ লাগাবেন না। তাহলে ব্রণের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি।
—ব্রণ চেপে শাল বের করবেন না। এতে ত্বক গর্ত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি এবং ত্বকে কালো দাগ পড়ে যায়।
—অতিরিক্ত ত্বকের সমস্যায় ডাক্তারের শরণাপণ্ন হওয়াই বাঞ্ছনীয়।
—ব্রণ কখনও নখ দিয়ে চুলকাবেন না।
—সব সময় টিসু বা নরম কাপড় বা টাওয়ালের রুমাল ব্যবহার করুন। একটি কাপড়/টাওয়ালের রুমাল একদিনের বেশি ব্যবহার করবেন না এবং না ধুয়ে ব্যবহার করা যাবে না।
ত্বকের যত্ন : প্রথমে ত্বকের গভীরের ময়লা পরিষ্কার করতে ভালোমানের ফেসওয়াস দিয়ে ত্বকের গভীর থেকে মুখ পরিষ্কার করে নিন। এরপর ২-৩ মিনিট সময় নিয়ে মুখে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিন। নিজের সিগ্ধতা বাড়াতে, পাশাপাশি সতেজতা বজায় রাখতে দুধের সর, কাঁচা হলুদ, মসুর ডাল মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন। সপ্তাহে দু’দিন এভাবে রূপচর্চা করলে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও লাবণ্যময়। এছাড়াও রোমকুপের গভীর থেকে ময়লা ভালোভাবে পরিষ্কার করার জন্য মাসে অন্তত একবার ভালোমানের কোনো পার্লারে অভিজ্ঞের কাছ থেকে ত্বকের ধরন বুঝে ফেসিয়াল করে নিতে পারেন। এতে আপনার ত্বক ভালো থাকবে।
ব্রণ ত্বকের জন্য টিপস
—তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের প্রভাব বেশি দেখা যায়, তাই তৈলাক্ততা দূর করতে ডাবের পানির সঙ্গে কাঁচা দুধ মিলিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
—চন্দন ঘষে মুখে লাগান, এতে তৈলাক্ত ভাব কমবে।
—নিয়মিত চন্দন প্যাকের সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগান।
—ঘি, মধু মিলিয়ে মুখে লাগান, উপকার পাবেন।
—শসার রসের সঙ্গে মধু, সুজি মিলিয়ে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এ মিশ্রণটি পোড়া দাগ থেকে রেহাই পেতে সাহায্য করে।
—মালটার রস, গোলাপ জল, চিনি ও গুঁড়ো দুধ মিলিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন, এরপর মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রাখুন, পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক হবে মোলায়েম ও উজ্জ্বল। এভাবে নিয়ম করে একদিন পরপর করুন।
—যথাসম্ভব কসমেটিক্স ব্যবহার থেকে দূরে থাকুন।
—মালটার রস, দারুচিনি গুঁড়া সঙ্গে মধু মিশিয়ে ব্রণের ওপর লাগান, উপকার পাবেন।
—বেকিং পাউডার, বেসন মিলিয়ে মুখে লাগান। ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। পরে গোলাপ জলের সঙ্গে ঠাণ্ডা পানি মিশিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের মরা কোষ দূর হবে এবং রোমকূপে ময়লা জমতে পারবে না।
—ধনেপাতা ও চন্দন গুঁড়া মিলিয়ে মুখে লাগান। এতে আপনার ত্বকের দাগ মেলাতে সাহায্য করবে।
ব্রণের সতর্কতা
—ত্বকে ব্রণ হলে নখ লাগাবেন না। তাহলে ব্রণের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি।
—ব্রণ চেপে শাল বের করবেন না। এতে ত্বক গর্ত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি এবং ত্বকে কালো দাগ পড়ে যায়।
—অতিরিক্ত ত্বকের সমস্যায় ডাক্তারের শরণাপণ্ন হওয়াই বাঞ্ছনীয়।
—ব্রণ কখনও নখ দিয়ে চুলকাবেন না।
—সব সময় টিসু বা নরম কাপড় বা টাওয়ালের রুমাল ব্যবহার করুন। একটি কাপড়/টাওয়ালের রুমাল একদিনের বেশি ব্যবহার করবেন না এবং না ধুয়ে ব্যবহার করা যাবে না।
-
আমার জীবন


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


