চলে গেলেন সাজু ভাই
সাজু ভাই বলেই সবাই তাকে চিনতেন। পুরো নাম শাহজাহান সাজু। নারীমেলা বুটিকের কর্ণধার। একজন সফল ক্রাফট প্রমোটার। হঠাত্ করেই তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চিরবিদায় নিলেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি গত ২০ মে সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে মাত্র এক ঘণ্টার নোটিশে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন। সর্বদা হাস্যোজ্জ্বল মানুষটির হঠাত্ চলে যাওয়াতে প্রিয়জন, আত্মীয় ও বন্ধু মহলে নেমে আসে শোকের ছায়া। প্রজ্ঞা, মেধা, সততা আর একনিষ্ঠতা দিয়ে তিনি জীবনকে তৈরি করেছিলেন আত্মনির্ভরতার প্রতীক হিসেবে। স্ত্রী ও তিন সন্তানের জীবনকে শুধু প্রতিষ্ঠার পথ দেখাননি, দিয়েছেন সত্ মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার মন্ত্র। দীর্ঘ বা অল্প দিনের পরিচয় যাই হোক না কেন, সাজু ভাইয়ের কাছাকাছি যারা একবার এসেছেন তারা জানেন কীভাবে হাস্যোজ্জ্বল মুখে তিনি কুশল বিনিময় করতেন। তার শিশুসুলভ আতিথেয়তায় মন ভরে উঠত। কথা বলতেন নরম সুরে। কিছুক্ষণ তার সঙ্গে আড্ডা দিলেই মনে হতো তিনি একজন মার্জিত মনের মানুষ। সবাই সাজু ভাইকে চিনতেন একজন সফল ক্রাফট প্রমোটার হিসেবে। নারীমেলার সঙ্গে গ্রাহকদের মেলবন্ধনে তিনি সফল হয়েছিলেন। তার এই বর্ণিল জীবনের ধাপে ধাপে লুকিয়ে আছে সাংগ্রামী সচেতন এক মানুষের প্রতিচ্ছবি। তিনি জয় করেছিলেন সবকিছু অধ্যবসায় আর ভালোবাসা দিয়ে।
শাহজাহান সাজুর জন্ম ১৯৫৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর। ১৯৭২ সালে তিনি রমিজউদ্দীন স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। ’৭৪ সালে তিনি আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে মার্চেন্ট নেভি হিসেবে শিপিংয়ে যোগ দেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ শিপিং অ্যাসোশিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট। ’৮৪ সাল পর্যন্ত তিনি শিপিংয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে ফেরদৌস আরা জাহানের সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবন্ধ হন। তারপর শুরু করেন ট্রান্সপোর্ট বিজনেস। ’৮৪ থেকে ’৯৮ সাল পর্যন্ত ট্রান্সপোর্ট ব্যবসা করে তিনি চলে আসেন বুটিক ব্যবসায়। আত্মনিয়োগ করেন সৃষ্টিশীল পেশায়। অনেক ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে ‘নারীমেলা’ নামক বুটিক শপ দুটিকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রেখে নিজের জীবনের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটালেন মাত্র ৫২ বছর বয়সে। শোকের সাগরে ভাসিয়ে দিলেন সর্বস্তরের মানুষকে। আমার দেশ পত্রিকার লাইফ স্টাইল টেবলয়েড ‘আমার জীবনের’ সঙ্গে সাজু ভাইয়ের ছিল সখ্য। প্রতিটি উত্সব বা মৌসুমে ছাপানো হয়েছে ‘নারীমেলা’র ফ্যাশন নিউজ। এখন খবর হলেন নারীমেলার সৃষ্টিশীল কর্ণধার সাজু ভাই নিজেই। পারিবারিক জীবনে শাহজাহান সাজু ছিলেন তিন সন্তানের পিতা। বড় ছেলে তানভির জাহান সৈকত ডাক্তারি পড়েন, তারপর তারেক জাহান সাগর বাংলাদেশ এয়ারফোর্সের জিডি পাইলট হিসেবে টেনিংয়ে আছেন এবং সবচেয়ে ছোট মেয়ে শামিয়া ফেরদৌস শর্মী ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী। তাদের সবার প্রতি রইল আমাদের ভালোবাসা ও দোয়া। সাজু ভাইয়ের আত্মা শান্তি পাক সে কামনা আমাদের সবার।
শাহজাহান সাজুর জন্ম ১৯৫৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর। ১৯৭২ সালে তিনি রমিজউদ্দীন স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। ’৭৪ সালে তিনি আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে মার্চেন্ট নেভি হিসেবে শিপিংয়ে যোগ দেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ শিপিং অ্যাসোশিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট। ’৮৪ সাল পর্যন্ত তিনি শিপিংয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে ফেরদৌস আরা জাহানের সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবন্ধ হন। তারপর শুরু করেন ট্রান্সপোর্ট বিজনেস। ’৮৪ থেকে ’৯৮ সাল পর্যন্ত ট্রান্সপোর্ট ব্যবসা করে তিনি চলে আসেন বুটিক ব্যবসায়। আত্মনিয়োগ করেন সৃষ্টিশীল পেশায়। অনেক ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে ‘নারীমেলা’ নামক বুটিক শপ দুটিকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রেখে নিজের জীবনের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটালেন মাত্র ৫২ বছর বয়সে। শোকের সাগরে ভাসিয়ে দিলেন সর্বস্তরের মানুষকে। আমার দেশ পত্রিকার লাইফ স্টাইল টেবলয়েড ‘আমার জীবনের’ সঙ্গে সাজু ভাইয়ের ছিল সখ্য। প্রতিটি উত্সব বা মৌসুমে ছাপানো হয়েছে ‘নারীমেলা’র ফ্যাশন নিউজ। এখন খবর হলেন নারীমেলার সৃষ্টিশীল কর্ণধার সাজু ভাই নিজেই। পারিবারিক জীবনে শাহজাহান সাজু ছিলেন তিন সন্তানের পিতা। বড় ছেলে তানভির জাহান সৈকত ডাক্তারি পড়েন, তারপর তারেক জাহান সাগর বাংলাদেশ এয়ারফোর্সের জিডি পাইলট হিসেবে টেনিংয়ে আছেন এবং সবচেয়ে ছোট মেয়ে শামিয়া ফেরদৌস শর্মী ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী। তাদের সবার প্রতি রইল আমাদের ভালোবাসা ও দোয়া। সাজু ভাইয়ের আত্মা শান্তি পাক সে কামনা আমাদের সবার।
-
আমার জীবন


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


