আ মা র স ন্তা ন : শিশু বেশি খায়! শিশু খেতে চায় না
কৃতি কিংকিনী
স্কুলের গেট দিয়ে বেরিয়েই টিঙ্কু ছুটল উল্টোদিকের ফাস্টফুডের দোকানে। দীর্ঘদিনের আসা-যাওয়াতে দোকানিরাও জেনে গেছে তার পছন্দটা। বিফ বার্গারের অসম্ভব ভক্ত সে। প্রতিদিন একটা করে ‘বিফ বার্গার’ না খেলে টিঙ্কুর দিনটা যেন ভালো যায় না। আর ফাস্টফুডের ফলাফল কী, সেটা তাকে দেখলে খুব ভালোভাবেই বোঝা যায়। উচ্চতা আর বয়স অনুযায়ী তার শরীরের ওজন এতটাই বেশি যে তাকে নিয়ে তার বাবা-মার চিন্তার শেষ নেই।
এদিকে অমিকে নিয়ে ওর মা পড়েছে মহা ঝামেলায়। খাওয়া নিয়ে এত বিরক্ত করে সে যে ওর মা আর কিছুতেই পেরে উঠছে না। অন্য কোনো সমস্যা নেই অমির। পড়াশোনা, খেলাধুলা, গানবাজনা সবকিছুতেই তার উত্সাহ। শুধু খাওয়ার সময়ই তার যত বাহানা। একটু খেয়েই নাকি তার পেট ভরে যায়। মা তো ভেবে ভেবে অস্থির, বাড়ন্ত বয়সে যদি খাওয়া-দাওয়া ঠিকমত না করে তাহলে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে কীভাবে?
সবচেয়ে ভালো আছে বুবলি। খাওয়া-দাওয়া নিয়ে মাকে কখনও কষ্ট দিয়েছে বলে মনে পড়ে না। বরং নিজেই প্রয়োজনমত নিজের খাবারের পালাটা মিটিয়ে ফেলে। আর বুবলির স্বাস্থ্যটাও এত সুন্দর যে, স্কুলের অন্য অভিভাবকরা রীতিমত হিংসে করে বুবলির মাকে। কীভাবে শেখাল মেয়েকে এতসব? বুবলির মায়েরও এ নিয়ে কিছুটা গর্ববোধ মাঝে মাঝে হয় আর কী!
প্রতিটি বাবা-মার কাছেই সন্তানের খাওয়া-দাওয়া একটা বড় বিষয়। খুব কম অভিভাবকই আছেন যারা তাদের সন্তানদের খাওয়া-দাওয়া নিয়ে চিন্তিত নন। কেউ সন্তানের অতিরিক্ত খাওয়া নিয়ে, কেউ হয়তো না খাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। আসলে খাওয়া নিয়ে কখনও বাচ্চাদের সঙ্গে জোর করতে নেই। ক্ষিধে পেলে অবশ্যই যে নিজে থেকে চেয়ে খাবে—এটাই স্বাভাবিক। কেউ হয়তো অল্প খায়, কিন্তু সেটা বারে বারে। হোক না, তাতে কোনো অসুবিধা নেই।
তবে হ্যাঁ, এমন অনেক বাচ্চা আছে যাদের খাওয়া-দাওয়া একেবারে নিয়ন্ত্রণহীন। আবার কেউ কেউ আছে যারা একেবারেই খাবারের কাছে ভিড়তে চায় না। দুটো ক্ষেত্রেই যেটা করতে হবে, তা হলো মা-বাবাকে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। ডাক্তারই বলে দেবে বাচ্চার জন্য করণীয় কী?
এদিকে অমিকে নিয়ে ওর মা পড়েছে মহা ঝামেলায়। খাওয়া নিয়ে এত বিরক্ত করে সে যে ওর মা আর কিছুতেই পেরে উঠছে না। অন্য কোনো সমস্যা নেই অমির। পড়াশোনা, খেলাধুলা, গানবাজনা সবকিছুতেই তার উত্সাহ। শুধু খাওয়ার সময়ই তার যত বাহানা। একটু খেয়েই নাকি তার পেট ভরে যায়। মা তো ভেবে ভেবে অস্থির, বাড়ন্ত বয়সে যদি খাওয়া-দাওয়া ঠিকমত না করে তাহলে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে কীভাবে?
সবচেয়ে ভালো আছে বুবলি। খাওয়া-দাওয়া নিয়ে মাকে কখনও কষ্ট দিয়েছে বলে মনে পড়ে না। বরং নিজেই প্রয়োজনমত নিজের খাবারের পালাটা মিটিয়ে ফেলে। আর বুবলির স্বাস্থ্যটাও এত সুন্দর যে, স্কুলের অন্য অভিভাবকরা রীতিমত হিংসে করে বুবলির মাকে। কীভাবে শেখাল মেয়েকে এতসব? বুবলির মায়েরও এ নিয়ে কিছুটা গর্ববোধ মাঝে মাঝে হয় আর কী!
প্রতিটি বাবা-মার কাছেই সন্তানের খাওয়া-দাওয়া একটা বড় বিষয়। খুব কম অভিভাবকই আছেন যারা তাদের সন্তানদের খাওয়া-দাওয়া নিয়ে চিন্তিত নন। কেউ সন্তানের অতিরিক্ত খাওয়া নিয়ে, কেউ হয়তো না খাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। আসলে খাওয়া নিয়ে কখনও বাচ্চাদের সঙ্গে জোর করতে নেই। ক্ষিধে পেলে অবশ্যই যে নিজে থেকে চেয়ে খাবে—এটাই স্বাভাবিক। কেউ হয়তো অল্প খায়, কিন্তু সেটা বারে বারে। হোক না, তাতে কোনো অসুবিধা নেই।
তবে হ্যাঁ, এমন অনেক বাচ্চা আছে যাদের খাওয়া-দাওয়া একেবারে নিয়ন্ত্রণহীন। আবার কেউ কেউ আছে যারা একেবারেই খাবারের কাছে ভিড়তে চায় না। দুটো ক্ষেত্রেই যেটা করতে হবে, তা হলো মা-বাবাকে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। ডাক্তারই বলে দেবে বাচ্চার জন্য করণীয় কী?
-
আমার জীবন


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


