ডাইনোসরের ডিম খেকো সাপ
মোঃ হাবিবুর রহমান
দানব প্রাণী ডাইনোসরের ডিম খেয়ে ফেলত এমন সাপের ফসিলের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ছয় কোটি ৭০ লাখ বছর আগে ওই সাপটি জীবিত ছিল। ডাইনোসরের একটি বাসায় ওই সাপের কঙ্কাল পাওয়া যায়। এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে প্লোস বায়োলজি জার্নালে।
গবেষকরা এই প্রথম ফসিল হয়ে যাওয়া আদি সাপের খাদ্যাভ্যাসের সরাসরি প্রমাণ পেলেন। ৩ দশমিক ৫ মিটার লম্বা ওই ফসিল সাপ সওরাপড গোত্রের ডাইনোসরের ডিমে তা দেয়া এলাকায় ডিম খাওয়ার জন্যই গিয়েছিল। সাপকে সাধারণত সবাই ভয় পায়। কিন্তু ডাইনোসররাও যে সাপকে ভয় পেত, তা আগে জানা ছিল না। এই প্রথম প্রমাণ মিলেছে যে ডাইনোসররাও সে সময়কার সাপকে ভয় পেত।
ফসিলটি উদ্ধার করেছেন ভারতের জিওলজিক্যাল সার্ভের ড. ধনঞ্জয় মোহাবি। তিনি বলেন, এই আবিষ্কার চাঞ্চল্য ফেলে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। যে সময় সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানা যায় না, ওই ফসিল সে সময়েরই প্রতিনিধিত্ব করছে।
মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় ও টরন্টো মিসিসাউগা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা ওই আবিষ্কারটি বিশ্লেষণ করে দেখেছেন। গবেষকরা বলছেন, ফসিল সাপের চোয়াল আধুনিক সাপের চোয়ালের মতো ছিল না। তবে তারা খুব স্বাচ্ছন্দেই ডাইনোসরের ডিম খেয়ে ফেলতে পারত।
ফসিলটি প্রথম আবিষ্কার হয় ভারতে ১৯৮৭ সালে। কিন্তু ডাইনোসরের ডিম পাওয়ার স্থলে একটি সাপও রয়েছে আমেরিকান বিজ্ঞানীরা তা ২০০১ সালে নিশ্চিত করা না পর্যন্ত তা উদ্ধার হয়নি। গবেষকদের এখন ধারণা, সাপটি যখন ডিম খেতে যায়, তখন ডিম ফুটে বেরিয়ে আসা কোনো ডাইনোসর ছানা হয়তো সাপটিকে আক্রমণ করেছিল। সে সময় হয়তো ঘটে যায় প্রাকৃতিক কোনো বিপর্যয়। হতে পারে তা কোনো ঝড়। আর তখনই সব সময় থেমে যায়। সবকিছু ফ্রিজ হয়ে যায়। আর সেটা হয়েছিল বলেই এত কোটি বছর পরও তাদের খুঁজে পাওয়া সম্ভব হলো। ফসিলটি নিয়ে আরও গবেষণা অব্যাহত রয়েছে।
গবেষকরা এই প্রথম ফসিল হয়ে যাওয়া আদি সাপের খাদ্যাভ্যাসের সরাসরি প্রমাণ পেলেন। ৩ দশমিক ৫ মিটার লম্বা ওই ফসিল সাপ সওরাপড গোত্রের ডাইনোসরের ডিমে তা দেয়া এলাকায় ডিম খাওয়ার জন্যই গিয়েছিল। সাপকে সাধারণত সবাই ভয় পায়। কিন্তু ডাইনোসররাও যে সাপকে ভয় পেত, তা আগে জানা ছিল না। এই প্রথম প্রমাণ মিলেছে যে ডাইনোসররাও সে সময়কার সাপকে ভয় পেত।
ফসিলটি উদ্ধার করেছেন ভারতের জিওলজিক্যাল সার্ভের ড. ধনঞ্জয় মোহাবি। তিনি বলেন, এই আবিষ্কার চাঞ্চল্য ফেলে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। যে সময় সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানা যায় না, ওই ফসিল সে সময়েরই প্রতিনিধিত্ব করছে।
মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় ও টরন্টো মিসিসাউগা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা ওই আবিষ্কারটি বিশ্লেষণ করে দেখেছেন। গবেষকরা বলছেন, ফসিল সাপের চোয়াল আধুনিক সাপের চোয়ালের মতো ছিল না। তবে তারা খুব স্বাচ্ছন্দেই ডাইনোসরের ডিম খেয়ে ফেলতে পারত।
ফসিলটি প্রথম আবিষ্কার হয় ভারতে ১৯৮৭ সালে। কিন্তু ডাইনোসরের ডিম পাওয়ার স্থলে একটি সাপও রয়েছে আমেরিকান বিজ্ঞানীরা তা ২০০১ সালে নিশ্চিত করা না পর্যন্ত তা উদ্ধার হয়নি। গবেষকদের এখন ধারণা, সাপটি যখন ডিম খেতে যায়, তখন ডিম ফুটে বেরিয়ে আসা কোনো ডাইনোসর ছানা হয়তো সাপটিকে আক্রমণ করেছিল। সে সময় হয়তো ঘটে যায় প্রাকৃতিক কোনো বিপর্যয়। হতে পারে তা কোনো ঝড়। আর তখনই সব সময় থেমে যায়। সবকিছু ফ্রিজ হয়ে যায়। আর সেটা হয়েছিল বলেই এত কোটি বছর পরও তাদের খুঁজে পাওয়া সম্ভব হলো। ফসিলটি নিয়ে আরও গবেষণা অব্যাহত রয়েছে।


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


