এই সময়ে শিশুর যত্ন
নাজমুন এ্যানী
স্বপ্নর বয়স ৭ মাস। তাকে ঘিরেই তার পরিবারের সব আনন্দ। আজ সবার মন খারাপ। কারণ সকাল থেকেই স্বপ্নর শরীরটা ভালো যাচ্ছে না। মা ঠিক বুঝে উঠতে পারছেন না, ঋতু বদলের এ সময়টাতে কীভাবে স্বপ্নর যত্ন নেবেন। প্রকৃতিতে এখন ঋতু বদলের পালা, সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিভিন্ন ধরনের রোগ। সব মা-ই চায় তার সন্তান ভালো থাকুক ও সুস্থ থাকুক। স্বপ্নর মায়ের মতো অনেক মা-ই ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না, ঋতু বদলের এ সময়টাতে কীভাবে শিশুর যত্ন নেবেন। আসুন জেনে নেয়া যাক ঠাণ্ডা ও গরমের মাঝামাঝি সময়ে কীভাবে শিশুর যত্ন নেয়া যায়। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিত্সক মেহেদি হাসান (শিশু বিভাগ) বললেন, ‘আমাদের দেশের আবহাওয়া খুব দ্রুত পরিবর্তন হয়। কখনও ঠাণ্ডা কখনও গরম, এতে করে শিশুরা খুব তাড়াতাড়ি অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর জন্য দরকার পর্যাপ্ত যত্ন ও সঠিক পরিচর্যা। ঋতু বদলের এ সময়টাতে শিশুদের হাঁচি, কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া প্রভৃতি রোগ দেখা দেয়। তাই এ ধরনের কোনো সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিত্সকের শরণাপন্ন হতে হবে এবং চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়াতে হবে। সেই সঙ্গে তাকে পুষ্টিকর খাবারও দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, শিশুর বয়স যদি এক বছরের কম হয় তাহলে তাদের খাবারে কখনও বেশি পরিমাণে চিনি ও লবণ দেয়া উচিত নয়। কারণ তাদের শরীর এসব খাবার গ্রহণ করার জন্য তৈরি থাকে না। এ ছাড়া শিশুর খাবারের চামচ, বাটি—এগুলো জীবাণুমুক্ত রাখা উচিত। খাবার সব সময় ঢেকে রাখতে হবে। কারণ এ সময় বাতাসে অনেক জীবাণু ভেসে বেড়ায়। এ ছাড়া মশা-মাছির উপদ্রবও বেশি থাকে।
শিশুদের সব সময় আলো-বাতাস পরিপূর্ণ কক্ষে রাখা উচিত। আবদ্ধ ঘরে শিশু খুব দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের ধুলা-ময়লা থেকে দূরে রাখতে হবে। শিশুর হাত-পা সব সময় পরিষ্কার রাখা উচিত। কারণ শিশুরা হাত-পা মুখে দেয়। সেই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদেরও নিজেদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। পোশাকের ক্ষেত্রে শিশুদের খুব আরামদায়ক পোশাক পরানো উচিত। যার ভেতর দিয়ে খুব সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে। অনেক ভারি কারুকাজ করা আঁটসাঁট পোশাক শিশুকে পরানো উচিত নয়। শিশুর পোশাক জীবাণুমুক্ত রাখা উচিত। তার বালিশ-কাঁথা ভালো করে রোদে শুকানো উচিত। এগুলো যেন স্যাঁতসেঁতে না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ঋতু বদলের এ সময়ে শিশুর ত্বক খুব তাড়াতাড়ি আর্দ্রতা হারিয়ে শুষ্ক হয়ে যায়। তাই শিশুর ত্বকের উপযোগী ভালো ব্র্যান্ডের লোশন ব্যবহার করা উচিত। শিশুদের খেলাধুলা করতে দেয়া উচিত। তাদের নিয়ে মাঝে মধ্যে বেড়াতে যেতে হবে এবং সর্বপরি মা-বাবার শিশুকে সময় দিতে হবে। শিশু যেন নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রতি মাসে শিশুর একবার রুটিন চেকআপ করাতে হবে। শিশুরা দেশের ভবিষ্যত্। তাই ছোটবেলা থেকেই তাদের পূর্ণ বিকাশের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এসব কিছু মেনে চললে শুধু এই বসন্ত ঋতুই নয়, সব ঋতুতেই আপনার শিশু সুস্থ থাকবে।
শিশুদের সব সময় আলো-বাতাস পরিপূর্ণ কক্ষে রাখা উচিত। আবদ্ধ ঘরে শিশু খুব দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের ধুলা-ময়লা থেকে দূরে রাখতে হবে। শিশুর হাত-পা সব সময় পরিষ্কার রাখা উচিত। কারণ শিশুরা হাত-পা মুখে দেয়। সেই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদেরও নিজেদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। পোশাকের ক্ষেত্রে শিশুদের খুব আরামদায়ক পোশাক পরানো উচিত। যার ভেতর দিয়ে খুব সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে। অনেক ভারি কারুকাজ করা আঁটসাঁট পোশাক শিশুকে পরানো উচিত নয়। শিশুর পোশাক জীবাণুমুক্ত রাখা উচিত। তার বালিশ-কাঁথা ভালো করে রোদে শুকানো উচিত। এগুলো যেন স্যাঁতসেঁতে না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ঋতু বদলের এ সময়ে শিশুর ত্বক খুব তাড়াতাড়ি আর্দ্রতা হারিয়ে শুষ্ক হয়ে যায়। তাই শিশুর ত্বকের উপযোগী ভালো ব্র্যান্ডের লোশন ব্যবহার করা উচিত। শিশুদের খেলাধুলা করতে দেয়া উচিত। তাদের নিয়ে মাঝে মধ্যে বেড়াতে যেতে হবে এবং সর্বপরি মা-বাবার শিশুকে সময় দিতে হবে। শিশু যেন নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রতি মাসে শিশুর একবার রুটিন চেকআপ করাতে হবে। শিশুরা দেশের ভবিষ্যত্। তাই ছোটবেলা থেকেই তাদের পূর্ণ বিকাশের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এসব কিছু মেনে চললে শুধু এই বসন্ত ঋতুই নয়, সব ঋতুতেই আপনার শিশু সুস্থ থাকবে।


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া



