অনুশীলনের দশ নিয়ম
তাহমিনা তাছির
সুস্থতার অন্যতম চাবিকাঠি কায়িক পরিশ্রম হলেও অনেকেই তা নিয়মিত করতে পারেন না। এক্ষেত্রে ব্যায়ামই হতে পারে একমাত্র পথ। নিয়মিত ব্যায়াম করলে ওজন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি হার্ট, রক্ত চলাচল, ছোটখাটো অসুস্থতা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা যায়। যা আপনার দৈনন্দিন কাজকে আরও বেশি সহজ করে তুলবে। ঘরে বা জিমে গিয়ে আপনি ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। তবে ব্যায়াম শুরুর আগে কিছু নিয়ম মেনে চললে নিজেকে অনেক বেশি সুস্থ রাখা যায়। চলুন তবে জেনে নিই নিয়মগুলো।
ষব্যায়াম শুরুর আগে প্রথমে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। কেননা আপনার শারীরিক গঠন, বয়স, লিঙ্গ, দৈহিক ও মানসিক চাহিদা, কায়িক পরিশ্রম ও খাদ্যাভ্যাস—এ বিষয়গুলো নির্ভর করে আপনাকে কী ধরনের ব্যায়াম করতে হবে। এছাড়া সঠিক নিয়মে ব্যায়াম করতে হলে প্রশিক্ষিত কারও কাছ থেকে শুনে-বুঝে তারপর শুরু করুন। এতে ব্যায়ামের নেতিবাচক প্রভাব থেকে আপনি থাকবেন মুক্ত।
ষব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে খুব ধীরে ধীরে। শুরুতেই অতিরিক্ত ব্যায়াম স্বাস্থ্যের জন্য উল্টো ফল বয়ে আনতে পারে। অনেকেই প্রথম দিন থেকে অতিরিক্ত ব্যায়ামের মাধ্যমে এ অভ্যাস গড়ে তুলতে চান। কিন্তু এ ধারণা মোটেই ঠিক নয়। প্রথম দিন হাঁটুন ২০ থেকে ৩০ মিনিট। এভাবে সপ্তাহে তিন দিন হাঁটুন। তারপর ধীরে ধীরে দিন ও সময় বাড়ান। তাহলে দেখবেন এটি আপনার শরীরের সঙ্গে মানিয়ে যেতে থাকবে।
ষপ্রতিদিনের অনুশীলনের একটা তালিকা করুন এবং সে অনুযায়ী চলার চেষ্টা করুন। আপনি কোন ব্যায়ামটি করেছেন, এটি করার পর আপনার কেমন লাগছে তা লিখে রাখুন এবং সর্বশেষ যে ব্যায়ামটি করেছেন তার ফলে আপনার কী ধরনের উন্নতি হয়েছে তা খেয়াল করুন। অনুশীলনের তালিকা আপনাকে অনেক বেশি মানসিক প্রশান্তি দেবে।
ষপ্রতিদিনের মতো সপ্তাহের জন্যও ব্যায়াম অনুশীলনের তালিকা তৈরি করে রাখুন। তাহলে ব্যায়াম করার সময় এলোমেলো হওয়ার সুযোগ থাকবে না। আর এতে ভুল না করে সুন্দর ও সঠিক নিয়মে আপনি ব্যায়াম করতে পারবেন।
ষআপনার ব্যায়ামের জন্য বন্ধু, পার্টনার বা অন্য কেউ যেন অসুবিধায় না পড়ে সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন। কেননা আপনার কাজ আপনাকে উপকৃত করলেও তাদের জন্য তা কোনো সুফল বয়ে আনবে না। তাই এমন কোনো কাজ করবেন না যাতে আপনি এবং সেই ব্যক্তি উভয়ই বিব্রত হন।
ষকীভাবে জীবনকে আরও স্বাস্থ্যসম্মত করে তোলা যায় এমন প্রশ্ন প্রত্যেক দিন অন্তত একবার করে নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন। সেই সঙ্গে এর উত্তরটাও জানার চেষ্টা করুন।
ষসব সময় সব কাজে সন্তুষ্ট থাকুন। ভাবুন, যা কিছু হচ্ছে তা আপনার ভালোর জন্য হচ্ছে। লক্ষ্য অর্জিত হওয়ার পর নিজেই নিজেকে ধন্যবাদ জানান অবা পুরস্কৃত করুন।
ষদৈনন্দিন ও সাপ্তাহিক অনুশীলনের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। তবে দীর্ঘস্থায়ী লক্ষ্য ঠিক না করাই ভালো। এতে অনুশীলনের ক্ষেত্রে একঘেয়েমি চলে আসে এবং মূল কাজ থেকে দূরে সরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই সপ্তাহের প্রতিদিন নিজের লক্ষ্য অনুযায়ী চলার চেষ্টা করুন।
ষসব কাজ সেরে পরের দিন কোন কোন ব্যায়াম করবেন তার তালিকা তৈরি করে তারপর শুতে যান। এতে আপনার সময় বাঁচবে, পরিশ্রম কম হবে এবং চিন্তা-ভাবনা করে ভালোভাবে অনুশীলন শেষ করতে পারবেন।
ষনিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান। তবে ব্যায়াম করার পরপরই ভরপেট খাবেন না। এটি স্বাস্থ্যসম্মত নয়।
ষব্যায়াম শুরুর আগে প্রথমে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। কেননা আপনার শারীরিক গঠন, বয়স, লিঙ্গ, দৈহিক ও মানসিক চাহিদা, কায়িক পরিশ্রম ও খাদ্যাভ্যাস—এ বিষয়গুলো নির্ভর করে আপনাকে কী ধরনের ব্যায়াম করতে হবে। এছাড়া সঠিক নিয়মে ব্যায়াম করতে হলে প্রশিক্ষিত কারও কাছ থেকে শুনে-বুঝে তারপর শুরু করুন। এতে ব্যায়ামের নেতিবাচক প্রভাব থেকে আপনি থাকবেন মুক্ত।
ষব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে খুব ধীরে ধীরে। শুরুতেই অতিরিক্ত ব্যায়াম স্বাস্থ্যের জন্য উল্টো ফল বয়ে আনতে পারে। অনেকেই প্রথম দিন থেকে অতিরিক্ত ব্যায়ামের মাধ্যমে এ অভ্যাস গড়ে তুলতে চান। কিন্তু এ ধারণা মোটেই ঠিক নয়। প্রথম দিন হাঁটুন ২০ থেকে ৩০ মিনিট। এভাবে সপ্তাহে তিন দিন হাঁটুন। তারপর ধীরে ধীরে দিন ও সময় বাড়ান। তাহলে দেখবেন এটি আপনার শরীরের সঙ্গে মানিয়ে যেতে থাকবে।
ষপ্রতিদিনের অনুশীলনের একটা তালিকা করুন এবং সে অনুযায়ী চলার চেষ্টা করুন। আপনি কোন ব্যায়ামটি করেছেন, এটি করার পর আপনার কেমন লাগছে তা লিখে রাখুন এবং সর্বশেষ যে ব্যায়ামটি করেছেন তার ফলে আপনার কী ধরনের উন্নতি হয়েছে তা খেয়াল করুন। অনুশীলনের তালিকা আপনাকে অনেক বেশি মানসিক প্রশান্তি দেবে।
ষপ্রতিদিনের মতো সপ্তাহের জন্যও ব্যায়াম অনুশীলনের তালিকা তৈরি করে রাখুন। তাহলে ব্যায়াম করার সময় এলোমেলো হওয়ার সুযোগ থাকবে না। আর এতে ভুল না করে সুন্দর ও সঠিক নিয়মে আপনি ব্যায়াম করতে পারবেন।
ষআপনার ব্যায়ামের জন্য বন্ধু, পার্টনার বা অন্য কেউ যেন অসুবিধায় না পড়ে সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন। কেননা আপনার কাজ আপনাকে উপকৃত করলেও তাদের জন্য তা কোনো সুফল বয়ে আনবে না। তাই এমন কোনো কাজ করবেন না যাতে আপনি এবং সেই ব্যক্তি উভয়ই বিব্রত হন।
ষকীভাবে জীবনকে আরও স্বাস্থ্যসম্মত করে তোলা যায় এমন প্রশ্ন প্রত্যেক দিন অন্তত একবার করে নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন। সেই সঙ্গে এর উত্তরটাও জানার চেষ্টা করুন।
ষসব সময় সব কাজে সন্তুষ্ট থাকুন। ভাবুন, যা কিছু হচ্ছে তা আপনার ভালোর জন্য হচ্ছে। লক্ষ্য অর্জিত হওয়ার পর নিজেই নিজেকে ধন্যবাদ জানান অবা পুরস্কৃত করুন।
ষদৈনন্দিন ও সাপ্তাহিক অনুশীলনের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। তবে দীর্ঘস্থায়ী লক্ষ্য ঠিক না করাই ভালো। এতে অনুশীলনের ক্ষেত্রে একঘেয়েমি চলে আসে এবং মূল কাজ থেকে দূরে সরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই সপ্তাহের প্রতিদিন নিজের লক্ষ্য অনুযায়ী চলার চেষ্টা করুন।
ষসব কাজ সেরে পরের দিন কোন কোন ব্যায়াম করবেন তার তালিকা তৈরি করে তারপর শুতে যান। এতে আপনার সময় বাঁচবে, পরিশ্রম কম হবে এবং চিন্তা-ভাবনা করে ভালোভাবে অনুশীলন শেষ করতে পারবেন।
ষনিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান। তবে ব্যায়াম করার পরপরই ভরপেট খাবেন না। এটি স্বাস্থ্যসম্মত নয়।


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


