Amardesh
আজঃ ঢাকা, বুধবার ১০ মার্চ ২০১০, ২৬ ফাল্গুন ১৪১৬, ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ১.৩০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 কার্টুন
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

কিয়োটো জার্নাল থেকে আল্লামা ইকবালের তিনটি কবিতা

অনুবাদ : মুহম্মদ আবদুল বাতেন
কবি আল্লামা ইকবাল (১৮৭৭-১৯৩৮) উপমহাদেশের অতি সুপরিচিত নাম। তবে তাঁর খ্যাতি বিশ্বের সব প্রান্তে দীপ্তিমান। মুসলিম বিশ্বের আধুনিক ইতিহাসে তিনি কবি ও দার্শনিক হিসাবে স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করে আছেন। ইউরোপীয় সভ্যতার সামনে তিনিই এক নতুন দার্শনিক চিন্তা উপস্থাপন করেন। ইকবালের কবিতা শুধু বাংলা ভাষাই নয়, বিশ্বে বহুভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং এখনও হচ্ছে। বাংলা ভাষার আধুনিক প্রধান কবিদের অনেকেই ইকবালের কবিতা অনুবাদ করেছেন। ইকবালের কবিতা অনুবাদ সে কারণেই একটি বড় ধরনের সাহস দেখানো। এজন্য আমার দ্বিধা ও সংকোচ থাকা সত্ত্বেও সেই দুঃসাহস দেখানোর চেষ্টা করেছি।
এখানে যে তিনটি কবিতা অনুবাদ করা হয়েছে এগুলো নেয়া হয়েছে জাপানের বিখ্যাত ‘কিয়োটো’ জার্নাল থেকে। মর্যাদাপূর্ণ এই জার্নালটিতে এশীয় শিল্প-সাহিত্য, সভ্যতা- দর্শনের মৌলিক বিষয়ের ওপর রচনা প্রকাশ করা হয়। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘কিয়োটো জার্নাল-৭৩’ এ প্রকাশিত কবিতা তিনটি ভূমিকাসহ ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন রসুল সোবকাবিস। তিনি এই কবিতা তিনটি নিয়েছেন তেহরান থেকে প্রকাশিত ‘দি কলেকটেড পার্সিয়ান পোয়েট্রি অব ইকবাল’ (প্রকাশ ১৯৬৪) থেকে। এই সংগ্রহে ইকবালের ১২টি গ্রন্থ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। নির্বাচিত কবিতা তিনটি নেয়া হয়েছে ওই সংকলনভুক্ত ‘জাবুর-ই-আজম’ থেকে। এই গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে। রসুল সোবকাবিস রুমি গবেষক। কিয়োটো জার্নালে ইকবালের পোর্ট্রেট ছাপা হয়েছে, সেটি এঁকেছেন রসুল সোবকাবিসের স্ত্রী শিল্পী সিটসুকো ইয়সহিদা। এখানে বাংলায় অনূদিত কবিতা তিনটি মূল ফার্সি থেকে ইংরেজিতে পরে বাংলায় এসেছে। সে কারণে আমরা হয়তো মূলের আস্বাদন থেকে অনেকটা বঞ্চিত হবো। তবে ইকবালের দর্শন সূত্র অনুসরণ করলে তার ভাব জগতের ইঙ্গিত পেতে পারি। পাশাপাশি আমরা রুমির দর্শনের প্রভাবকে অনুধাবন করতে পারি।


 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?