ঝালকাঠি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় : শতবর্ষের ঐতিহ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছে
ঝালকাঠি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়-এর অতীত ও বর্তমান যেমনি গৌরবময়, তেমনি বর্ণাঢ্য। স্কুলটি ১৩৭ বছরের পুরাতন হলেও এর লিখিত কোনো ইতিহাস নেই। প্রতিবছর এ বিদ্যালয়ের ছাত্ররা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলেছে।এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মারুফা বেগম-এর সঙ্গে কথা হয়। আলোচনা থেকে মূল রচনাটি তৈরি করেছেন আমার ক্যাম্পাস-এর প্রতিবেদক ইমাদুল হক প্রিন্স
সবুজ-শ্যামলের মায়াময় পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সুগন্ধা নদীর সুমিষ্ট পানিবিধৌত উত্তর তীরে জীবন্ত কিংবদন্তি ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলি, বিশ্বখ্যাত কণ্ঠশিল্পী কুমার শানু, রাজনীতিবিদ প্রিয়রঞ্জন দাশ মুন্সী, ধানসিড়ি খ্যাত কবি জিবনানন্দ দাসের ও বিখ্যাত কবি কামিনী রায়ের স্মৃতিবিজড়িত দ্বিতীয় কলকাতাখ্যাত ঝালকাঠি জেলা শহরের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে প্রায় ২৪ বিঘা জমির ওপরে শতবর্ষের ঐতিহ্য নিয়ে স্বগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহ্যবাহী ঝালকাঠি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়।
একটু পেছনে ফিরে যাই : ১৮৭২ সালে স্থানীয় বণিক সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টায় ‘মহারাজগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়’ নামে এর প্রথম পদচারণা। ১৯০৯ সালের ৩ মার্চ বিদ্যালয়টিকে সরকারিকরণ করা হয়। সুগন্ধা নদীর ভাঙনে এর পুরনো ইমারত মুছে গেছে। এ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র বরিশালের কৃতী সন্তান চিফ ইঞ্জিনিয়ার সালাহউদ্দিনের প্রচেষ্টায় দক্ষিণ এশিয়ার বিখ্যাত মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে বর্তমান বিদ্যালয়টির অবকাঠামো নির্মিত হয়। এটি শুধু ঝালকাঠি জেলায় নয়, পুরো দক্ষিণাঞ্চলে প্রথম সরকারি বিদ্যালয়। স্কুলটির বয়স ১৩৭ বছর হলেও এর লিখিত কোনো ইতিহাস নেই। এ বিদ্যালয়ের ছাত্রদের পোশাক হচ্ছে সাদা জামা, সাদা পাজামা, সাদা টুপি এবং বিদ্যালয়ের নামখচিত ব্যাচ। প্রতি দিনের সম্মিলনীতে মনে হয়, সব ছেলেই একশ্রেণীভুক্ত। বিদ্যালয়ের কার্যাবলী সুশৃঙ্খলভাবে সম্পাদনার্থে কতগুলো বিভাগ রয়েছে এবং প্রত্যেক বিভাগেই ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োজিত আছেন। বিভাগগুলো হলো শিক্ষক পরিষদ কমিটি, ছাত্রদের মধ্যাহ্ন জলযোগ কমিটি, ছাত্রদের সাধারণ কমিটি, স্কুল গ্রন্থাগার কমিটি, বিজ্ঞান কমিটি, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কমিটি, ছাত্র কল্যাণ কমিটি, স্কুল বার্ষিকী ও সাময়িকী কমিটি, বার্ষিক মিলাদ ও পূজা কমিটি, বিএনসিসি কমিটি, স্কাউট ও ক্লাব কমিটি, কৃষিবিষয়ক কমিটি এবং খেলাধুলাবিষয়ক কমিটি। এ ছাড়াও ঝালকাঠির কৃতী সন্তান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, সাবেক দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান সুলতান আহাম্মেদ খানকে সমন্বয়ক করে এবং আনোয়ার হোসেন আনুকে সদস্য সচিব করে শতবর্ষপূতি উত্যাপন কমিটি করা আছে। ২৫ ও ২৬ ডিসেম্বর বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালন করা হবে শতবর্ষপূর্তি উত্সব।
ক্যাম্পাস পরিচিতি : বন্দরনগরী ঝালকাঠি জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে সুগন্ধা নদীর উত্তর তীরে ২৪ একর জমির ওপর অবস্থিত ঝালকাঠি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সম্মুখ ভাগে তথা দক্ষিণ দিকে রয়েছে সুদৃশ্য বাগান, ক্রিকেট, ফুটবল, বাস্কেটবল, টেনিস খেলার মাঠ এবং নির্মিতব্য দেশের সরকারি স্কুল পর্যায়ের সর্ববৃহত্ অত্যাধুনিক কারুকার্যে নির্মিত শতবর্ষের মূল গেট। পূর্বদিকে রয়েছে সৌন্দর্যমণ্ডিত একটি পুকুর, বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস (মুসলিম ছাত্রাবাস) এবং আধুনিকতার ছোঁয়ায় নির্মিত বিদ্যালয়ের মসজিদ ও দ্বিতীয় শতবর্ষ গেট।
সমস্যা ও সময়ের দাবি : এ বিদ্যালয়টি দক্ষিণবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হওয়া সত্ত্বেও নানা সমস্যায় জর্জরিত। এখানে শিক্ষকস্বল্পতা, শ্রেণীকক্ষ সঙ্কট, স্কুলের টয়লেটগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী। এগুলো ঠিকমত পরিষ্কার করা হয় না, পানির সমস্যা প্রকট, বেসিনগুলো নষ্ট। শিক্ষকদের জন্য কোনো আবাসন ব্যবস্থা নেই, নেই কোনো লাইব্রেরি, কমন রুম; ফলে শিক্ষার্থীরা ক্লাসের বিরতিতে বিনোদনের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন যাবত্ এই স্বনামধন্য স্কুলটির সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া সাতজন সহকারী শিক্ষক, একজন অফিস সহকারীসহ তিনজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর পদ শূন্য রয়েছে। তা ছাড়া দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে দিয়ে চালানো হচ্ছে স্কুলটির কার্যক্রম।
শিক্ষক-শিক্ষার্থী : বিদ্যালয়টিতে ২০ জন শিক্ষক, প্রায় এক হাজার ছাত্র ও চারজন কর্মচারী রয়েছে।
প্রতিভা বিকাশে অঙ্গন : সহকারী শিক্ষক মোঃ আফজাল হোসেন ও মাওলানা মোঃ গোলাম মুস্তফা বলেন, এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুদ্ধ সংস্কৃতি ও সৃজনশীল মানসিকতা বিকাশের সহায়ক হিসেবে রয়েছে স্কাউট, বিএনসিসি, রেড ক্রিসেন্ট, গণিত ক্লাব, বিজ্ঞান ক্লাবসহ নানা কর্মকাণ্ড। এ ছাড়াও স্কুলের নিয়মিত সাহিত্য-সংস্কৃতি সপ্তাহ, বার্ষিক ক্রীড়া, আন্তস্কুল ক্রীড়া টুর্নামেন্ট, বিতর্ক উত্সব, কবিতা পাঠের আসর, শিক্ষা সফর, বার্ষিক মিলাদ, বাণী অর্চনাসহ বার্ষিক কর্মকাণ্ডগুলো নিয়মিত পালিত হয়। এ কারণে এ স্কুলে ভর্তি হওয়া যেন স্বপ্ন। তাই মেধাবী ছাত্রের প্রিয় ঠিকানায় পরিণত হয়েছে এ প্রতিষ্ঠান।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার কথা : বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মারুফা বেগম অত্যন্ত দক্ষ ও কর্মঠ। তিনি বলেন, প্রাচীন জনপদ ঝালকাঠি শিক্ষা-সংস্কৃতি বিকাশে এই স্কুল শতবর্ষব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। তিনি স্কুলটির আরও নতুন ভবন নির্মাণসহ সার্বিক উন্নয়নে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন। পরিশেষে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারীর কলকাকলিতে সদা মুখরিত এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস।
সবুজ-শ্যামলের মায়াময় পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সুগন্ধা নদীর সুমিষ্ট পানিবিধৌত উত্তর তীরে জীবন্ত কিংবদন্তি ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলি, বিশ্বখ্যাত কণ্ঠশিল্পী কুমার শানু, রাজনীতিবিদ প্রিয়রঞ্জন দাশ মুন্সী, ধানসিড়ি খ্যাত কবি জিবনানন্দ দাসের ও বিখ্যাত কবি কামিনী রায়ের স্মৃতিবিজড়িত দ্বিতীয় কলকাতাখ্যাত ঝালকাঠি জেলা শহরের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে প্রায় ২৪ বিঘা জমির ওপরে শতবর্ষের ঐতিহ্য নিয়ে স্বগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহ্যবাহী ঝালকাঠি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়।
একটু পেছনে ফিরে যাই : ১৮৭২ সালে স্থানীয় বণিক সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টায় ‘মহারাজগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়’ নামে এর প্রথম পদচারণা। ১৯০৯ সালের ৩ মার্চ বিদ্যালয়টিকে সরকারিকরণ করা হয়। সুগন্ধা নদীর ভাঙনে এর পুরনো ইমারত মুছে গেছে। এ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র বরিশালের কৃতী সন্তান চিফ ইঞ্জিনিয়ার সালাহউদ্দিনের প্রচেষ্টায় দক্ষিণ এশিয়ার বিখ্যাত মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে বর্তমান বিদ্যালয়টির অবকাঠামো নির্মিত হয়। এটি শুধু ঝালকাঠি জেলায় নয়, পুরো দক্ষিণাঞ্চলে প্রথম সরকারি বিদ্যালয়। স্কুলটির বয়স ১৩৭ বছর হলেও এর লিখিত কোনো ইতিহাস নেই। এ বিদ্যালয়ের ছাত্রদের পোশাক হচ্ছে সাদা জামা, সাদা পাজামা, সাদা টুপি এবং বিদ্যালয়ের নামখচিত ব্যাচ। প্রতি দিনের সম্মিলনীতে মনে হয়, সব ছেলেই একশ্রেণীভুক্ত। বিদ্যালয়ের কার্যাবলী সুশৃঙ্খলভাবে সম্পাদনার্থে কতগুলো বিভাগ রয়েছে এবং প্রত্যেক বিভাগেই ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োজিত আছেন। বিভাগগুলো হলো শিক্ষক পরিষদ কমিটি, ছাত্রদের মধ্যাহ্ন জলযোগ কমিটি, ছাত্রদের সাধারণ কমিটি, স্কুল গ্রন্থাগার কমিটি, বিজ্ঞান কমিটি, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কমিটি, ছাত্র কল্যাণ কমিটি, স্কুল বার্ষিকী ও সাময়িকী কমিটি, বার্ষিক মিলাদ ও পূজা কমিটি, বিএনসিসি কমিটি, স্কাউট ও ক্লাব কমিটি, কৃষিবিষয়ক কমিটি এবং খেলাধুলাবিষয়ক কমিটি। এ ছাড়াও ঝালকাঠির কৃতী সন্তান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, সাবেক দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান সুলতান আহাম্মেদ খানকে সমন্বয়ক করে এবং আনোয়ার হোসেন আনুকে সদস্য সচিব করে শতবর্ষপূতি উত্যাপন কমিটি করা আছে। ২৫ ও ২৬ ডিসেম্বর বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালন করা হবে শতবর্ষপূর্তি উত্সব।
ক্যাম্পাস পরিচিতি : বন্দরনগরী ঝালকাঠি জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে সুগন্ধা নদীর উত্তর তীরে ২৪ একর জমির ওপর অবস্থিত ঝালকাঠি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সম্মুখ ভাগে তথা দক্ষিণ দিকে রয়েছে সুদৃশ্য বাগান, ক্রিকেট, ফুটবল, বাস্কেটবল, টেনিস খেলার মাঠ এবং নির্মিতব্য দেশের সরকারি স্কুল পর্যায়ের সর্ববৃহত্ অত্যাধুনিক কারুকার্যে নির্মিত শতবর্ষের মূল গেট। পূর্বদিকে রয়েছে সৌন্দর্যমণ্ডিত একটি পুকুর, বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস (মুসলিম ছাত্রাবাস) এবং আধুনিকতার ছোঁয়ায় নির্মিত বিদ্যালয়ের মসজিদ ও দ্বিতীয় শতবর্ষ গেট।
সমস্যা ও সময়ের দাবি : এ বিদ্যালয়টি দক্ষিণবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হওয়া সত্ত্বেও নানা সমস্যায় জর্জরিত। এখানে শিক্ষকস্বল্পতা, শ্রেণীকক্ষ সঙ্কট, স্কুলের টয়লেটগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী। এগুলো ঠিকমত পরিষ্কার করা হয় না, পানির সমস্যা প্রকট, বেসিনগুলো নষ্ট। শিক্ষকদের জন্য কোনো আবাসন ব্যবস্থা নেই, নেই কোনো লাইব্রেরি, কমন রুম; ফলে শিক্ষার্থীরা ক্লাসের বিরতিতে বিনোদনের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন যাবত্ এই স্বনামধন্য স্কুলটির সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া সাতজন সহকারী শিক্ষক, একজন অফিস সহকারীসহ তিনজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর পদ শূন্য রয়েছে। তা ছাড়া দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে দিয়ে চালানো হচ্ছে স্কুলটির কার্যক্রম।
শিক্ষক-শিক্ষার্থী : বিদ্যালয়টিতে ২০ জন শিক্ষক, প্রায় এক হাজার ছাত্র ও চারজন কর্মচারী রয়েছে।
প্রতিভা বিকাশে অঙ্গন : সহকারী শিক্ষক মোঃ আফজাল হোসেন ও মাওলানা মোঃ গোলাম মুস্তফা বলেন, এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুদ্ধ সংস্কৃতি ও সৃজনশীল মানসিকতা বিকাশের সহায়ক হিসেবে রয়েছে স্কাউট, বিএনসিসি, রেড ক্রিসেন্ট, গণিত ক্লাব, বিজ্ঞান ক্লাবসহ নানা কর্মকাণ্ড। এ ছাড়াও স্কুলের নিয়মিত সাহিত্য-সংস্কৃতি সপ্তাহ, বার্ষিক ক্রীড়া, আন্তস্কুল ক্রীড়া টুর্নামেন্ট, বিতর্ক উত্সব, কবিতা পাঠের আসর, শিক্ষা সফর, বার্ষিক মিলাদ, বাণী অর্চনাসহ বার্ষিক কর্মকাণ্ডগুলো নিয়মিত পালিত হয়। এ কারণে এ স্কুলে ভর্তি হওয়া যেন স্বপ্ন। তাই মেধাবী ছাত্রের প্রিয় ঠিকানায় পরিণত হয়েছে এ প্রতিষ্ঠান।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার কথা : বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মারুফা বেগম অত্যন্ত দক্ষ ও কর্মঠ। তিনি বলেন, প্রাচীন জনপদ ঝালকাঠি শিক্ষা-সংস্কৃতি বিকাশে এই স্কুল শতবর্ষব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। তিনি স্কুলটির আরও নতুন ভবন নির্মাণসহ সার্বিক উন্নয়নে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন। পরিশেষে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারীর কলকাকলিতে সদা মুখরিত এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস।


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


