চবির ভাস্কর্য : মুক্তিযুদ্ধে ৭ শহীদের ‘স্মরণ’
আমানুল্লাহ নোমান
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকতেই চোখে পড়ে একটি স্মৃতিস্তম্ভ। লাল টকটকে রক্তের মতো বেদির ওপর দাঁড়িয়ে আছে কালো পাথরে গড়া শোকের প্রতীক দুটি সুউচ্চ স্তম্ভ। মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত শহীদের স্মৃতিরক্ষার্থে নির্মিত এ স্মৃতিস্তম্ভের নাম—‘স্মরণ’।
একাত্তুরের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত শহীদ ছাত্র ও কর্মচারীর ছবি স্থান পেয়েছে এতে। তারা হলেন—প্রকৌশল দফতরের চেইনম্যান মোহাম্মদ হোসেন, চাকসুর সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুর রব, ইতিহাস বিভাগের ছাত্র ফরহাদ-উদ-দৌলা, সমাজতত্ত্ব বিভাগের ছাত্র ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ, অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র নাজিম উদ্দিন খান, প্রকৌশলী প্রভাস কুমার বড়ুয়া ও নিরাপত্তা প্রহরী সৈয়দ আহমেদ। স্মৃতিস্তম্ভটির স্থপতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ সাইফুল কবীর। স্থপতি বলেন, ‘স্মরণ’ স্মৃতিস্তম্ভটি দেখে ভবিষ্যত্ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে আগ্রহী হবে। তাদের হৃদয়ে সবসময় থাকবে দেশমাতৃকার কথা। সবচেয়ে বড় কথা হলো, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদদের আত্মদান সম্পর্কে পরবর্তী প্রজন্ম জানবে।
ভূমি থেকে স্মরণের মূল বেদি পর্যন্ত রয়েছে চারটি ধাপ। প্রথম ধাপ বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন, দ্বিতীয় ধাপ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, তৃতীয় ধাপ সত্তরের নির্বাচন ও চতুর্থ ধাপে একাত্তুরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিফলিত হয়েছে। বেদির ওপরে রয়েছে দুটি স্তম্ভ। সামনের প্রশস্ত স্তম্ভটির উচ্চতা ৯ ফুট। এটি মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস সময়কে নির্দেশ করে। এটি কালো রংয়ের গ্রানাইড পাথরে আবৃত। উপরের অংশে লাল রংয়ের গ্রানাইড পাথর মনে করিয়ে দেয় পাহাড়বেষ্টিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কথা। স্তম্ভের পেছনের দ্বিতীয় অংশটি পুরোপুরি কালো গ্রানাইড পাথরের তৈরি। এটি মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রতীক। পুরো স্তম্ভটির উচ্চতা ১৬ ফুট, যা ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের কথা জানান দেয়। স্তম্ভের পেছনে পিতলের পাতে লেখা রয়েছে—‘আমাদের আত্মত্যাগ তোমাদের জন্য।’
এ স্মৃতিস্তম্ভের মূল পরিকল্পক উপাচার্য প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ। স্মৃতিস্তম্ভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি আমার দেশকে ভালোবাসি। আমার মাঝে সর্বদা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বয়ে বেড়ায়। সেই তাড়না থেকে এধরনের একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি।’
বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. নূরুল আমিন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকে ঘিরে এধরনের নির্মাণ প্রশংসার দাবিদার। মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের ৭ জন শহীদ হন এবং তাদের মধ্যে একজন ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব পেয়েছেন। এ ইতিহাস আমাদের অনেকের অজানা। এ স্মৃতিস্তম্ভ আমাদের সেসব অজানাকে জানিয়ে দেবে বলে আমার বিশ্বাস।’
স্বাধীনতার ৩৮ বছর পর মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী ৭ শহীদের স্মরণে এই প্রথম স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় বর্তমান প্রশাসন। এ নিয়ে শহীদদের পরিবারের সদস্যরা মনে করেন, এতদিন পর হলেও তাদের হারানো স্বজনরা আত্মত্যাগের স্বীকৃতি পেয়েছেন।
একাত্তুরের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত শহীদ ছাত্র ও কর্মচারীর ছবি স্থান পেয়েছে এতে। তারা হলেন—প্রকৌশল দফতরের চেইনম্যান মোহাম্মদ হোসেন, চাকসুর সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুর রব, ইতিহাস বিভাগের ছাত্র ফরহাদ-উদ-দৌলা, সমাজতত্ত্ব বিভাগের ছাত্র ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ, অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র নাজিম উদ্দিন খান, প্রকৌশলী প্রভাস কুমার বড়ুয়া ও নিরাপত্তা প্রহরী সৈয়দ আহমেদ। স্মৃতিস্তম্ভটির স্থপতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ সাইফুল কবীর। স্থপতি বলেন, ‘স্মরণ’ স্মৃতিস্তম্ভটি দেখে ভবিষ্যত্ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে আগ্রহী হবে। তাদের হৃদয়ে সবসময় থাকবে দেশমাতৃকার কথা। সবচেয়ে বড় কথা হলো, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদদের আত্মদান সম্পর্কে পরবর্তী প্রজন্ম জানবে।
ভূমি থেকে স্মরণের মূল বেদি পর্যন্ত রয়েছে চারটি ধাপ। প্রথম ধাপ বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন, দ্বিতীয় ধাপ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, তৃতীয় ধাপ সত্তরের নির্বাচন ও চতুর্থ ধাপে একাত্তুরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিফলিত হয়েছে। বেদির ওপরে রয়েছে দুটি স্তম্ভ। সামনের প্রশস্ত স্তম্ভটির উচ্চতা ৯ ফুট। এটি মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস সময়কে নির্দেশ করে। এটি কালো রংয়ের গ্রানাইড পাথরে আবৃত। উপরের অংশে লাল রংয়ের গ্রানাইড পাথর মনে করিয়ে দেয় পাহাড়বেষ্টিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কথা। স্তম্ভের পেছনের দ্বিতীয় অংশটি পুরোপুরি কালো গ্রানাইড পাথরের তৈরি। এটি মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রতীক। পুরো স্তম্ভটির উচ্চতা ১৬ ফুট, যা ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের কথা জানান দেয়। স্তম্ভের পেছনে পিতলের পাতে লেখা রয়েছে—‘আমাদের আত্মত্যাগ তোমাদের জন্য।’
এ স্মৃতিস্তম্ভের মূল পরিকল্পক উপাচার্য প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ। স্মৃতিস্তম্ভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি আমার দেশকে ভালোবাসি। আমার মাঝে সর্বদা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বয়ে বেড়ায়। সেই তাড়না থেকে এধরনের একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি।’
বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. নূরুল আমিন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকে ঘিরে এধরনের নির্মাণ প্রশংসার দাবিদার। মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের ৭ জন শহীদ হন এবং তাদের মধ্যে একজন ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব পেয়েছেন। এ ইতিহাস আমাদের অনেকের অজানা। এ স্মৃতিস্তম্ভ আমাদের সেসব অজানাকে জানিয়ে দেবে বলে আমার বিশ্বাস।’
স্বাধীনতার ৩৮ বছর পর মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী ৭ শহীদের স্মরণে এই প্রথম স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় বর্তমান প্রশাসন। এ নিয়ে শহীদদের পরিবারের সদস্যরা মনে করেন, এতদিন পর হলেও তাদের হারানো স্বজনরা আত্মত্যাগের স্বীকৃতি পেয়েছেন।


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


