Amardesh
আজঃ ঢাকা, রোববার ২০ ডিসেম্বর ২০০৯, ৬ পৌষ ১৪১৬, ২ মহররম ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

কবিতা

বিপুলা পৃথিবী
মো শা র র ফ হো সে ন খা ন

পৃথিবী, এই বিপুলা পৃথিবী—
এই সবুজ সমতল, নদী সমুদ্র সমতট
এই বিপুল বিশাল ঊষার আকাশ
চিত্ত-চপল স্বস্তির বাতাস
সহস্র কলগুঞ্জন, স্রোত আগণন,
গভীর-গভীরতর প্রশান্তির রাত
নিদাঘ দুপুর, উদাস বিকেল, সুস্থির প্রশ্বাস—
তারই ভেতর আমার অন্তহীন বিচরণ
নিত্য সন্তরণ
পৃথিবী, এই বিপুলা পৃথিবী—
নীল ও নীলিমার মত, বিহঙ্গের পালকের মত
অরণি ও অরণ্যানীর মত
বৃষ্টির মত, বসন্তের মত
শরতের শিশিরের মত, হেমন্তের মাঠের মত
শীতের দিন ও দিগন্তের মত
কুসুম ও কুমুদের মত, সঘন সৌরভের মত
গাঢ় থেকে গাঢ়তর—
বহু বর্ণিল রঙ ও রঙধনুর সমারোহ
অজস্র তারকাখচিত
এই দেশ, মহাদেশ, ভূস্বর্গ, বিশ্বপ্রভা—
অনুপম ঐশ্বর্যমণ্ডিত
পৃথিবী, এই বিপুলা পৃথিবী—
সে তো আমার হৃিপণ্ডের মত
প্রার্থনার দৃপ্ত উচ্চারণ
প্রাণাবেগের গভীরতম আলিঙ্গন
পৃথিবী, এই বিপুলা পৃথিবী—
আমার প্রথম এবং শেষতম উচ্ছল
সকল প্রেম ও প্রণয়ের প্রবলতম
উন্মুখর উত্পল ...


উত্সব
ফা তি মা তা মা ন্না

আনন্দ নক্ষত্র আকাশ
খুলে দিয়েছে রাত্রির বুক
দুরু দুরু কাঁপছে নৌকো
প্রজ্বলিত আকাশ বৈভবে
ডুবে যায়, ডুবে যায় নৌকো
রাত্রির আনন্দ উত্সবে।

জ্যোত্স্না প্লাবনে উদ্বেলিত মন
ছলাত্ ছল নৌকো দোলে দোদুল দোল
কানে কানে ফিস্ ফিস্ করে বলে,
দ্যাখো, দ্যাখো তো আমাকে!
ফিরতেই ধ্যনভগ্ন মাঝি,
উত্তাল ঢেউ সাগরে।

আমরা কথা বলেছি অনেক কথা
আনন্দময়, সুখকর
সব, সব লুকিয়ে আছে ঊর্ধ্বলোকে
তাইতো সুন্দর হয়েছে বিশ্বপ্রকৃতি
আনন্দ ধারায় ভিজে যায় ভূমণ্ডল।
আমাদের মাঝে কত কত
বিস্ময় কেটেছে, কত কত দিনক্ষণ
তা কি লিখে রাখা যায়!


বিজয়ে চতুর্দশপদী
আ সা দ কা জ ল

মানুষের স্বপ্নগুলো পরাজিত হলে
ইতিহাস কাঁদে। স্বপ্ন অন্তহীন ভাষা
বুকের ভেতর ভাসে অস্তিত্বের জলে
শুধু ঝরে আয়োজন পৃথিবীর আশা।
রাত্রি খুব কাছাকাছি অন্তরীক্ষ দূরে
অন্তরীক্ষ ভালোবাসি পরাজিত বলে
আমাকে জীবন্ত করো অবিচ্ছেদ্য সুরে
পৃথিবী সাজাবো সময়ের প্রতিপলে।
নক্ষত্রের মানচিত্র অতিক্রম করে
সূর্যের আলোয় ডুবে দিগন্তের ঘর
অপেক্ষার কারাগার চোখের ভেতর
প্রতিদিন নিমজ্জিত হতে থাকে ঝড়ে।

অকৃত্রিম উচ্ছলতা অদৃষ্টের টানে
বিশ্বাসের ব্যাকুলতা সে জানে! সে জানে!!


চিন্তাজাল
ম নি র ই উসু ফ

পৃথিবীতে এখন অনেক রকম জালপাতা হয়
সিসা গুলিয়ে গুণ টেনে টেনে বানানো হয়
নতুন নতুন জাল।
শীতে ও বর্ষায় বাড়ির বউ মুরব্বীজন
কি নিষ্ঠায় জাল বোনে জীবনের।
হালে এসেছে অন্তর্জাল যার ছড়ানো ছিটানো সুতা
সিসা কেউ দেখে না
অদৃশ্য ইথারে তার ভেতর ঢুকিয়ে ফেলে পুরোবিশ্ব
মানুষের ভাবনার জাল বড় অদ্ভুত
মুহূর্তে বিশ্বের যা ধারণ করা যায়, পারে।
আমার চিন্তাজাল ঘূর্ণি হাওয়ায় ঘুরে ঘুরে
ছিন্ন হতে চায় না আর
চিন্তাও যে শরীরী কোন সংবেদ
সে কথা কোনদিন ভাবিনি
না ভাবাটাই ভাবনার বড় অভাব কিনা জানি না
আমার সহজ সরল চিন্তা ভেদ করে ঢুকে যায়
সাম্রাজ্যবাদী অন্তর্জাল
আমিও বুঝি না কখন
আমাকেও জড়িয়ে ধরে সে মায়াজাল।


 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?