ভোট
মারুফ রেহমান
মিছিল থেকে গগনবিদারী স্লোগান হচ্ছে... ‘জব্বার ভাইয়ের চরিত্র, ফুলের মতো পবিত্র, জব্বার ভাইয়ের মার্কা—জানি না, জানি না...’ জব্বার সাহেব হতভম্ব হয়ে হাঁটা থামিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন। তিনি চিত্কার করে সিরাজকে ডাকলেন।
—সিরাজ...
—ওরা ওসব কী বলছে? আমার মার্কা জানে না মানে?
আসলে আমিই ওদের এভাবে বলতে বলেছি।
—কেন? তুই আমার মার্কা জানিস না?
—মানে স্যার, আপনি সকালে এক দলের সঙ্গে মিটিং করেন, বিকালে আর এক দলের সঙ্গে শপিং করেন, সন্ধ্যায় অন্য আর এক দলের সঙ্গে সিনেমা দেখেন। এখন শেষ পর্যন্ত আপনি কার মার্কায় দাঁড়াবেন, তা তো আমরা জানি না। আমার মনে হয় আপনি নিজেও জানেন না। তাই এভাবেই স্লোগান হচ্ছে।
—মানে তুই... তুই... তোর জন্য আমি গত নির্বাচনেও হেরেছি। এই নির্বাচনেও আমাকে ডোবাতে চাস?
—কী বলছেন স্যার, গতবার আমি আপনার জন্য যা করেছি... সবাইকে বলে দিয়েছিলাম আপনাকে তিনটা করে ভোট দিতে।
—মানে? জাল ভোট?
—না স্যার, আমি সবাইকে বলে দিয়েছিলাম আপনার মার্কার ওপর যেন তিনটা করে সিল মারে।
—হায় হায়... এক মার্কার ওপর তিনটা করে সিল! আমার সব ক’টা ভোটই বাতিল হয়েছিল... হায় হায়রে।
বিদায় হ শয়তান!
—তাড়িয়ে দিচ্ছেন স্যার? আমার একটা শেষ অনুরোধ রাখবেন? আপনার একটা ছবি দেবেন আমাকে?
—কেন? ছবি দিয়ে কি করবি?
—এতদিন আপনার সঙ্গে ছিলাম। তাই যদি একটা ছবি দিতেন, তাহলে সেটা বাসায় নিয়ে আমার পায়ের কাছে রাখতাম...
—কী? আমার ছবি পায়ের কাছে রাখবি? তোর এত সাহস?
—না স্যার, মানে আপনি ভুল বুঝবেন না; পায়ের কাছে রাখলেই তো আপনি চোখের সামনে থাকবেন। আমি তো স্যার সোজা হয়ে ঘুমাই, তাই পা বরাবর ছবি থাকলে একদম চোখে চোখে থাকবেন...
—সিরাজ...
—ওরা ওসব কী বলছে? আমার মার্কা জানে না মানে?
আসলে আমিই ওদের এভাবে বলতে বলেছি।
—কেন? তুই আমার মার্কা জানিস না?
—মানে স্যার, আপনি সকালে এক দলের সঙ্গে মিটিং করেন, বিকালে আর এক দলের সঙ্গে শপিং করেন, সন্ধ্যায় অন্য আর এক দলের সঙ্গে সিনেমা দেখেন। এখন শেষ পর্যন্ত আপনি কার মার্কায় দাঁড়াবেন, তা তো আমরা জানি না। আমার মনে হয় আপনি নিজেও জানেন না। তাই এভাবেই স্লোগান হচ্ছে।
—মানে তুই... তুই... তোর জন্য আমি গত নির্বাচনেও হেরেছি। এই নির্বাচনেও আমাকে ডোবাতে চাস?
—কী বলছেন স্যার, গতবার আমি আপনার জন্য যা করেছি... সবাইকে বলে দিয়েছিলাম আপনাকে তিনটা করে ভোট দিতে।
—মানে? জাল ভোট?
—না স্যার, আমি সবাইকে বলে দিয়েছিলাম আপনার মার্কার ওপর যেন তিনটা করে সিল মারে।
—হায় হায়... এক মার্কার ওপর তিনটা করে সিল! আমার সব ক’টা ভোটই বাতিল হয়েছিল... হায় হায়রে।
বিদায় হ শয়তান!
—তাড়িয়ে দিচ্ছেন স্যার? আমার একটা শেষ অনুরোধ রাখবেন? আপনার একটা ছবি দেবেন আমাকে?
—কেন? ছবি দিয়ে কি করবি?
—এতদিন আপনার সঙ্গে ছিলাম। তাই যদি একটা ছবি দিতেন, তাহলে সেটা বাসায় নিয়ে আমার পায়ের কাছে রাখতাম...
—কী? আমার ছবি পায়ের কাছে রাখবি? তোর এত সাহস?
—না স্যার, মানে আপনি ভুল বুঝবেন না; পায়ের কাছে রাখলেই তো আপনি চোখের সামনে থাকবেন। আমি তো স্যার সোজা হয়ে ঘুমাই, তাই পা বরাবর ছবি থাকলে একদম চোখে চোখে থাকবেন...


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


