Amardesh
আজঃঢাকা, সোমবার ০১ জুলাই ২০১৩, ১৭ আষাঢ় ১৪২০, ২১ শাবান ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

প্রধানমন্ত্রী আমার দেশ ও মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে মিথ্যাচার করেছেন : সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা

স্টাফ রিপোর্টার
অপপ্রচার ও বিষোদ্গারের জবাবে সংবাদ সম্মেলনে দৈনিক আমার দেশ-এর নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেছেন, সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী আমার দেশ ও কারারুদ্ধ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে নির্জলা মিথ্যাচার ও অসত্য বক্তব্য দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী এর আগেও সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে আমার দেশ বন্ধ এবং সম্পাদককে গ্রেফতারের পর থেকেই সরকারের নীতিনির্ধারণী মহল বিভ্রান্তিকর, অসত্য ও স্ববিরোধী বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রীর বিষোদ্গারের পর মাহমুদুর রহমানের জীবন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, সম্পাদকের কিছু হলে তার দায়-দায়িত্ব সরকারপ্রধানকেই নিতে হবে।
সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। গত ২৯ জুন জাতীয় সংসদে আমার দেশ ও সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে জড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের জবাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, আমার দেশ-এর বার্তা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী, সিটি এডিটর এম আবদুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মুহম্মদ বাকের হোসাইন, আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, আমার দেশ-এর স্পোর্টস ইনচার্জ ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, সিনিয়র সহকারী সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার, ফিচার সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ, সিনিয়র রিপোর্টার ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পত্রিকাটির নির্বাহী সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, এর আগে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু সংসদ এবং সংসদের বাইরে, ঢাকা জেলা প্রশাসকসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী-এমপিরা আমার দেশ বন্ধ করা হয়নি, প্রকাশে কোনো বাধা নেই, ডিক্লারেশন বাতিল হয়নি, ছাপাখানা বন্ধ সাময়িক ব্যবস্থা, আমার দেশ থেকে আবেদন এলেই অন্য ছাপাখানা থেকে পত্রিকা প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে, ছাপার ব্যাপারে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ আবেদন করেননি, অস্থায়ী চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানকে চিনি না, তিনি জনৈক মহিলা, পত্রিকা প্রকাশের জন্য ডিসির কাছে সম্পাদক ও প্রকাশককে আবেদন নিয়ে আসতে হবে, আদালতে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আমার দেশ খোলা হবে নাসহ আমার দেশ ও সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সম্পর্কে একের পর এক মিথ্যাচার এবং বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দেয়া হয়েছে। এসব বক্তব্য প্রদানকালে আইনের অপব্যাখ্যাও দেয়া হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৯ জুন প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে আমার দেশ ও মাহমুদুর রহমান সম্পর্কে বিষোদ্গার করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য জবাবে সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেন, আমার দেশ-এর পক্ষ থেকে আমাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে দৈনিক আমার দেশ ও সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সম্পর্কে নির্জলা মিথ্যাচার করেছেন। সংসদে তিনি আমার দেশ সম্পাদকের শ্বশুরকে জড়িয়েও বক্তব্য দিয়েছেন। আমার দেশ সম্পাদকের সঙ্গে তার শ্বশুরের সম্পর্ক একান্তই ব্যক্তিগত উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংসদে অনুপস্থিত একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে তির্যক মন্তব্য প্রদান প্রধানমন্ত্রীর জন্য শোভন ও সুরুচির পরিচায়ক হয়নি। মুন্নু সিরামিকের টেকনোলজি শাইনপুকুর সিরামিকে বিক্রি করা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যটি উদ্ভট তত্ত্ব ছাড়া কিছুই নয় দাবি করে তিনি বলেন, মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশে সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে খ্যাতিমান একজন বিশেষজ্ঞ।
প্রকৃতপক্ষে সিরামিক শিল্পে বিশেষ অবদান রাখার জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার মাহমুদুর রহমানকে অভিনন্দন জানানো উচিত ছিল উল্লেখ করে সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেন, দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, এর পরিবর্তে তিনি অসত্য তথ্য দিয়ে বিষোদ্গার করে প্রধানমন্ত্রীর পদের মর্যাদাই ক্ষুণ্ন করেছেন। দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরে অবদানের জন্য ২০০৫ সালে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ-আইইবি থেকে মাহমুদুর রহমানকে স্বর্ণপদকে ভূষিত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয় লিখিত বক্তব্যে।
মাহমুদুর রহমান ২০০৫ সালের জুন মাস থেকে ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র ১৬ মাস সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিদ্যুত্ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে তার কোনো সংশ্রব ছিল না। এই তথ্য প্রধানমন্ত্রী হয়েও শেখ হাসিনা জানেন না—এটা মেনে নেয়া কঠিন। সৈয়দ আবদাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে কেবল জাতিকে বিভ্রান্ত করার জন্য বিএনপি আমলে বিদ্যুত্ উত্পাদনের সঙ্গে মাহমুদুর রহমানকে জড়িত করেছেন। কিন্তু জ্বালানি ও বিদ্যুত্ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এ আচরণ একেবারেই প্রত্যাশিত ছিল না।
জ্বালানি উপদেষ্টা হিসেবে মাহমুদুর রহমান সফলতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বচ্ছতা ও সততারও নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এসময় তিনি উইকিলিকসে ফাঁস করা তথ্যেও মাহমুদুর রহমানের সততার কথা স্বীকার করা হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, তত্কালীন মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জুডিথ চ্যামাস-এর পাঠানো তার বার্তায় মাহমুদুর রহমানের সততার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।
জ্বালানি উপদেষ্টা থাকাকালে মাহমুদুর রহমান দেশের গ্যাস উত্পাদন ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুটে বৃদ্ধি করেছিলেন উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তিনি প্রায় ২০০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ব্যবস্থা করেছিলেন। মাত্র ১৬ মাস জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে মাহমুদুর রহমান যে কর্ম উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছিলেন, সততার যে উদাহরণ রেখে এসেছেন, তার সাক্ষী বাংলাদেশ সরকারের কেবিনেট সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া নিজে।
আমার দেশ-এর মালিকানা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে সৈয়দ আবদাল বলেন, মাহমুদুর রহমান কি করে আমার দেশ’র মালিক হলেন তার সাক্ষী সর্বজনশ্রদ্ধেয় প্রয়াত সাংবাদিক, সম্পাদক আতাউস সামাদ এবং আমার দেশ পত্রিকার আমরা সাংবাদিক সহকর্মীরা। ফখরুদ্দীন-মইনুদ্দিনের ওয়ান ইলেভেনের জামানায় আমার দেশ পত্রিকাটি চরম আর্থিক সঙ্কটে পড়েছিল। সাংবাদিক কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১০ মাস বকেয়া পড়েছিল। তত্কালীন কর্তৃপক্ষ পত্রিকাটি বিক্রি করে দেয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিলে সেই দুর্দিনে পত্রিকার সাংবাদিক-কর্মচারীদের বারবার অনুরোধের পরিপ্রক্ষিতে মাহমুদুর রহমান পত্রিকাটির দায়িত্ব নেন এবং কর্মীদের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ করেন। একই সঙ্গে আমার দেশকে দেশের একটি জনপ্রিয় প্রভাবশালী পত্রিকায় দাঁড় করান। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে আমার দেশ যখন পাঠকপ্রিয়তায় প্রায় শীর্ষে পৌঁছে যায়, ঠিক তখন মিডিয়াবিদ্বেষী মহাজোট সরকার বেআইনিভাবে প্রেসে তালা লাগিয়ে এর প্রকাশনা বন্ধ করে দিয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ আবদাল গত ৫ মে দিবাগত রাতে শাপলা চত্বরে হেফাজতের আলেমদের গণহত্যার সঙ্গে অপ্রাসঙ্গিকভাবে আমার দেশ পত্রিকায় অনেক আগে প্রকাশিত এক প্রবাসী বাংলাদেশীর চিঠিকে জড়ানোর বিষয়ে বলেন, ওই সংবাদের সঙ্গে শাপলা চত্বরের গণহত্যা কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। গণহত্যার বিষয়টি ৫ মে’র পর দেশ-বিদেশের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার হয়েছে। গভীর রাতে মতিঝিল এলাকায় বিদ্যুত্ লাইন বিচ্ছিন্ন করে নিরীহ আলেমদের ওপর যে অপারেশন চালানো হয়েছে এবং ওই রাতে দুটি টেলিভিশন চ্যানেল যেভাবে বন্ধ করা হয়েছে তা নিয়ে সারাবিশ্বেই প্রশ্ন উঠেছে। সে রাতে গণহত্যা না হয়ে থাকলে সেটি প্রমাণের দায়িত্ব সর্বোতভাবেই সরকারের। এখানে আমার দেশ কিংবা তার সম্পাদককে জড়ানোর কোনো অবকাশ নেই। তাছাড়া গণহত্যার প্রায় এক মাস আগেই আমার দেশ সম্পাদককে গ্রেফতার এবং আমার দেশ বন্ধ করা হয়েছে।
কাবা শরীফের গিলাফ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, প্রকাশিত চিঠি ও কাবা শরীফের গিলাফের ছবির সঙ্গে আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। পত্রিকার প্রবাস পাতায় একজন পাঠকের লেখা হিসেবে এটি ছাপা হয়েছিল। এ ব্যাপারে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে সেজন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমার দেশ সম্পাদককে বর্তমান সরকার নজিরবিহীন নির্যাতন করেছে। তার বিরুদ্ধে ৬৮টি মামলা দায়ের ছাড়াও বারবার রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে।
সংসদে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে যে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালিয়েছেন ও বিষোদ্গার করেছেন তাতে মাহমুদুর রহমানের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমার দেশ সম্পাদক কোনো ক্ষতির সম্মুখীন হলে তার সব দায়-দায়িত্ব সরকার এবং সরকারপ্রধানকে নিতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে অনতিবিলম্বে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা বন্ধ, তার মুক্তি এবং আমার দেশ পত্রিকার ছাপাখানা খুলে দেয়ার জোর দাবি জানানো হয়।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই গণমাধ্যমের ওপর হামলা হয় উল্লেখ করে রুহুল আমিন গাজী বলেন, মাহমুদুর রহমানকে জেলে রেখে বাইরের ঘটনার সঙ্গে তাকে জড়িয়ে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তার শপথের সঙ্গে বেঈমানি। সংসদে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে না বলে গণমাধ্যম বন্ধের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন যা নজিরবিহীন। তিনি বলেন, মিডিয়ার ওপর হাত দিয়ে কেউ নিস্তার পায়নি শেখ হাসিনাও পাবে না। প্রধানমন্ত্রী আমার দেশ খুলে দেয়ার সুযোগ পাবে না জনগণই আমার দেশ-এর প্রেস খুলে দিয়ে সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে মুক্ত করবে। এসময় তিনি অষ্টম ওয়েজবোর্ড নিয়ে তথ্যমন্ত্রী ধূম্রজাল সৃষ্টি করেছেন বলে দাবি করেন।
অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, একজন সুনামধন্য সম্পাদকের বিরুদ্ধে ৬৮টি মামলা পৃথিবীর ইতিহাসে হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। সরকারের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে লেখার কারণেই মাহমুদুর রহমান ও আমার দেশ-এর ওপর সরকার উঠেপড়ে লেগেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাইকোর্ট যেখানে সরকারের অবৈধ মামলা স্থগিত করেছে সেখানে আমার দেশ প্রকাশে কোনোভাবেই বাধা দিতে পারে না।
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিকর উল্লেখ করে এম আবদুল্লাহ বলেন, আমার দেশ-এর প্রবাস পাতার চিঠিপত্র কলামে প্রকাশিত একটি ছবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী থেকে সরকারের বিভিন্ন মহলে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। অথচ ওই একই ছবি ও সংবাদ আরও তিনটি পত্রিকায় ছাপানো হয়েছে। এর মধ্যে একটি পত্রিকা দুঃখ প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত ছবি ভুল ছিল জানার পর সঙ্গে সঙ্গে ওই ছবি প্রত্যাহার করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর পরেও বার বার ওই বিষয়টি সামনে নিয়ে এসে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।