মার্কিন জেনারেল ডানফোর্ডের অভিমত : আফগানিস্তানের ভবিষ্যত্ নিরাপত্তা বিদেশি সেনাদের ওপর নির্ভরশীল

রয়টার্স « আগের সংবাদ
পরের সংবাদ» ১৪ আগস্ট ২০১৩, ২১:১৭ অপরাহ্ন

আফগানিস্তান থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে বেশিরভাগ বিদেশি সেনা প্রত্যাহার করে নেয়ার পরও দেশটির ভবিষ্যত্ নিরাপত্তা আন্তর্জাতিক বাহিনীনির্ভর হয়ে থাকবে বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের সেনা জেনারেল যোশেফ ডানফোর্ড। মঙ্গলবার রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে একথা বলেন আফগানিস্তানে মোতায়েন ন্যাটো নেতৃত্বাধীন বাহিনীর কমান্ডার ডানফোর্ড। ন্যাটো বাহিনীর কাবুল দফতরে সাক্ষাত্কারটি গ্রহণ করা হয়েছে।
আফগানিস্তানের নিরাপত্তার ভার আনুষ্ঠানিকভাবে আফগান বাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, যুক্তরাষ্ট্র ও এর ন্যাটো মিত্রদের কতজন সেনা প্রশিক্ষণ, সমর্থন ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের জন্য দেশটিতে থেকে যাবে, তা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।
এসব উদ্দেশ্যে ২০১৪ সালের পর আফগানিস্তানে সাত হাজার সেনা মোতায়েন রাখার পক্ষে হোয়াইট হাউস, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর কেউ কেউ এর দুই বা তিনগুণ সেনা রাখার পক্ষে। তবে ঠিক কতজন সেনা মোতায়েন রাখা উচিত সে ব্যাপারে স্পষ্ট কিছু বলেননি জেনারেল ডানফোর্ড, সংখ্যার বদলে তিনি টিকে থাকার ওপর জোর দিয়েছেন।
অনুকূল পরিস্থিতি ধরে রাখার জন্য যত সংখ্যক সেনা প্রয়োজন সে রকম লক্ষণীয় উপস্থিতির কথা বলেছেন আফগানিস্তানে মোতায়েন বাহিনীর শেষ কমান্ডার ডানফোর্ড।
তিনি বলেন, ‘২০১৪ সালের পর আফগানিস্তানে উপস্থিতি সংখ্যার চেয়ে বেশি জটিল বিষয় হয়ে উঠবে, আর সত্যি করে বললে সংখ্যা মানসিক চাপও তৈরি করবে।’
‘এটি সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এটি ২০১৪ সালের পর আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর টিকে থাকার সমর্থ্যের বিষয়’, বলেন তিনি। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বারো বছর যুদ্ধ চালানোর পরও আফগানিস্তানের তালেবান ও অন্য বিদ্রোহীরা এখনও ন্যাটো বাহিনীর সেনা ও আফগান সরকারের প্রতিষ্ঠান উড়িয়ে দেয়ার মতো ক্ষমতা রাখে। এ বিষয়টিই যুক্তরাষ্ট্রকে ভাবিয়ে তুলছে। এখনই এ অবস্থা হলে সেনা প্রত্যাহারের পর কী হবে!

সাতমহাদেশ এর আরও সংবাদ

সাপ্তাহিকী


উপরে

X