Amardesh
আজঃঢাকা, বুধবার ১৭ জুলাই ২০১৩, ২ শ্রাবণ ১৪২০, ০৭ রমজান ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

শহীদ আফ্রিদির যত রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
শহীদ আফ্রিদির একক নৈপুণ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের ওডিআই সিরিজের প্রথম ম্যাচে বড় জয় পেয়েছে শূন্য হাতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে ফেরা পাকিস্তান ক্রিকেট দল। বল হাতে মাত্র ১২ রানে ৭ উইকেট শিকারের আগে ব্যাট হাতে তার ‘বুমবুম’ স্টাইলে ৫৫ বলে খেলেছেন ৭৬ রানের মারদাঙ্গা ইনিংস। অনেকদিন পর খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসা আফ্রিদির ক্রিকেট ক্যারিয়ারে সাফল্যের পরিসংখ্যানে নজর বুলিয়ে নেয়া যাক :
ওডিআই ক্রিকেটে আফ্রিদিই একমাত্র ক্রিকেটার, যার ঝুলিতে সাত হাজারের বেশি রানের পাশাপাশি রয়েছে ৩৫০টি উইকেট। ডোয়াইন ব্র্যাভোর উইকেটটি ছিল আফ্রিদির ক্যারিয়ারের ৩৫০তম উইকেট। এর মধ্য দিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে অষ্টম ও পাকিস্তানে ওয়াসিম আকরাম এবং ওয়াকার ইউনুসের পর তৃতীয় বোলার হিসেবে ৩৫০ উইকেটের দেখা পাওয়া বোলার হিসেবে নিজের নাম লেখালেন। ওডিআইতে সাত হাজারের বেশি রানের পাশাপাশি ৩০০’র অধিক উইকেটশিকারী অপর খেলোয়াড়টি হলেন শ্রীলঙ্কার সনাথ জয়াসুরিয়া। ক্যারিয়ারে তিনবার এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট শিকার করাসহ একই ম্যাচে ব্যাট হাতে ৫০-এর অধিক রানও পেয়েছেন তিনি। কোনো খেলোয়াড়ই দুবারের বেশি এই কৃতিত্ব দেখাতে পারেননি। শেষবার ২০১১ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে এই কৃতিত্ব দেখান তিনি। একই ম্যাচে পাঁচ উইকেট শিকারের পাশাপাশি ৫০-এর অধিক রান সংগ্রহের ষোড়শ ঘটনাটি আফ্রিদি ঘটালেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচে। ১২ রানের বিনিময়ে আফ্রিদির সাত উইকেট শিকারের ঘটনাটি ওডিআই ইতিহাসে দ্বিতীয়। সেরা বোলিং ফিগারের মালিক শ্রীলঙ্কার চামিন্দা ভাস। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০১১ সালে ১৯ রানের বিনিময়ে আট উইকেট শিকার করেছিলেন ভাস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আফ্রিদির নৈপুণ্য ওডিআইতে একজন স্পিনারের সেরা বোলিং নৈপুণ্য। ইনিংসের মাঝামাঝি সময়ে তৃতীয় পরিবর্তন হিসেবে বল করতে আসা বোলারেরও সেরা নৈপুণ্য জর্জটাউনে আফ্রিদিরটি। রানের দিক দিয়ে তথা ইকোনমি রেটের দিক দিয়ে কোনো ম্যাচে পাঁচ ওভার বা তার বেশি ওভারের স্পেল বোলিং করা আফ্রিদির সেরা বোলিং নৈপুণ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের প্রথম ম্যাচ। প্রত্যাবর্তন ম্যাচে বরাবরই ভালো করেছেন শহীদ খান আফ্রিদি। একটি বা একটির বেশি সিরিজ দলের বাইরে থাকার পর প্রত্যাবর্তনের আট ম্যাচে সাত ইনিংসে ব্যাট হাতে আফ্রিদির রানের গড় ৪৬.৮৫। এর মধ্যে চারটি হাফ সেঞ্চুরির ইনিংস রয়েছে। এসব ম্যাচে তার বোলিং ছাড়িয়ে গেছে ব্যাটিংকে। দু’বার এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট শিকারসহ ১০.৩০ গড়ে তার শিকার করা মোট উইকেট ২৩টি। ম্যাচের ফলাফলেও যে তার এমন নৈপুণ্য প্রভাব ফেলেছিল, সেই সাক্ষ্য দিচ্ছে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হিসেবে পাওয়া আফ্রিদির চারটি পুরস্কার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ১০ ইনিংসে বল করা কোনো সফরকারী বোলারের সেরা ১৬.৮৭ বোলিং গড়েরও মালিক তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে উইকেটপ্রতি আফ্রিদি রান দিয়েছেন ২৪.৫ গড়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে সর্বনিম্ন ১০ ইনিংস খেলা কোনো বোলারের এটা তৃতীয় সেরা স্ট্রাইক রেট। আফ্রিদির নৈপুণ্যে অষ্টমবারের মতো ১০০’র কমে অল আউট হলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দেশের মাটিতে জর্জ টাউনেরটি ছিল দ্বিতীয় এমন ঘটনা। সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়া সফরে পার্থে ১০০’র কমে অল আউট হয়েছিল ক্যারিবিয়ান দল।