Amardesh
আজঃঢাকা, বুধবার ১৭ জুলাই ২০১৩, ২ শ্রাবণ ১৪২০, ০৭ রমজান ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

অলরাউন্ডার সাবা

নিষাদ চৌধুরী
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
গানের পাশাপাশি উপস্থাপনা, নাচ, গান, ছবি আঁকা, আবৃত্তি, অভিনয় সব ক্ষেত্রেই সমান প্রতিভাধর সাবরিনা সাবা। ২০১০ সালের মার্কস অলরাউন্ডার প্রতিযোগিতার ৩য় রানারআপ হয়েছেন তিনি। তবে গান এবং উপস্থাপনা দিয়েই তিনি মিডিয়াতে নিজস্ব পরিচিতি পেয়েছেন।
২০১২ সালে রোজার ঈদে মাহমুদ সানীর সঙ্গে সাবার গাওয়া ডুয়েট গান ‘তোমায় ভালোবেসে’ তাকে শ্রোতাপ্রিয়তা এনে দিয়েছিল। সম্প্রতি গানটির মিউজিক ভিডিও বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে সাবা বলেন, ‘ভাবতেই পারিনি সানী (মাহমুদ সানী) ভাইয়ের সঙ্গে গাওয়া আমার প্রথম ডুয়েট গানটি শ্রোতারা এতটা ভালোভাবে গ্রহণ করবেন। মিউজিক ভিডিওটি অন-এয়ারের পর থেকে অনেক সাড়া পেয়েছি। অনেকেই আমাকে ফেসবুকে এবং মোবাইলে মেসেজ দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছেন।’ সাবার বয়স যখন ৩ বছর, তখন হাঁটি হাঁটি পা পা আর আলতো কথা বলা শিখতেই মা তাকে নিয়ে যান গানের স্কুলে। সৃষ্টি ললিতকলা একাডেমি ছিল তার প্রথম গান শেখার স্কুল। ১৯৯৮ থেকেই শুরু হয় তার গান শেখা। সাবা এখন ছায়ানটের সমাপনী বর্ষের ছাত্রী। পড়াশোনার চাপের কারণে আপাতত সমাপনী কোর্সটি শিথিল রেখেছেন। ছায়ানটে নজরুল সঙ্গীতের ওপর তালিম নিয়েছেন। ক্লাসিক্যাল শিখছেন অনিল কুমার সাহার কাছে। ছোটবেলায় গানের পাশাপাশি আবৃত্তি ও অভিনয় শেখেন সাবা। নাচ শিখতে ভর্তি হন শিশু একাডেমীতে। বেতার, টেলিভিশন, স্টেজ শো করতেন অনেক ছোট থেকেই। ছবি আঁকার প্রতিও আছে ভীষণ ঝোঁক। স্কেচ, ওয়েল পেইন্টিং, জলরং, পেস্টেল, ফেব্রিক্স সবগুলোতেই দক্ষ সাবা। গান, উপস্থাপনা, নাচ, ছবি আঁকা, আবৃত্তি, অভিনয় প্রভৃতি বিষয়ে অংশগ্রহণ করে পেয়েছেন বেশকিছু পুরস্কার। ২০০৩ সালে সাবা নতুন কুঁড়িতে রবীন্দ্র সঙ্গীত শাখায় তৃতীয় স্থান অধিকার করেন। এরপর জিতে নেন জাতীয় শিশু পুরস্কার। এ পর্যন্ত সাবা পাঁচটি মিক্সড অ্যালবামে কাজ করেছেন। সবগুলো অ্যালবাম বের হয়েছে সিডি চয়েসের ব্যানারে। সম্প্রতি ‘জনম জনম তোমাকে’ মিক্সড অ্যালবামে অনিকের সঙ্গে ‘পাঁজরের মাঝে’ একটি ডুয়েট গানে গেয়েছেন সাবা। শিগগিরই অ্যালবামটি প্রকাশিত হবে। এছাড়াও ঈদের জন্য মাহমুদ সানীর মিক্সড অ্যালবামে ‘লজ্জা-২’ শিরোনামের একটি একক গানে কণ্ঠ দেবেন সাবা। এরই মধ্যে নিজের একক অ্যালবামের কাজ শুরু করেছেন সাবা। তবে ধীরেসুস্থে। সাবা বলেন, ‘আমার একক অ্যালবামের জন্য একটি গান তৈরি করে ফেলেছি। ‘আধো আধো ঘুম’ টাইটেলের গানটির কম্পোজিশন করেছেন জিসান দীপ্ত। আনরিলিজড ট্র্যাক হিসেবে গানটি আগামী সপ্তাহে বিভিন্ন এফএম রেডিওতে প্রচার হবে।’ ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসি ২য় বর্ষে বিজ্ঞান বিষয়ে পড়ছেন সাবা। আপাতত পড়াশোনার দিকেই তিনি বেশি মনোযোগী। নিয়মিত স্টেজ শো ও টিভি লাইভ প্রোগ্রামে গাওয়ার অনুরোধ এলেও সাবা এখনই সেখানে যেতে নারাজ। আরেকটু পোক্ত হয়ে, গানটা আরও ভালোভাবে শিখে শ্রোতাদের সামনে হাজির হতে চান। সাবা বলেন, ‘লাইমলাইটে আসছি বলে এখনই আমি চ্যানেলের প্রোগ্রাম করতে চাই না। গান শিখে আমি আরও পরিণত হতে চাই। হুট করে তারকা হয়ে হুট করে ঝরে পড়তে চাই না। আমি শুদ্ধ সুরের গান গেয়ে শ্রোতা ও ভক্তদের মাঝে টিকে থাকতে চাই।’