Amardesh
আজঃঢাকা, বুধবার ১৭ জুলাই ২০১৩, ২ শ্রাবণ ১৪২০, ০৭ রমজান ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

নওয়াজ চাইলে আফগান শান্তিচুক্তি হতে পারে

রয়টার্স, ইরনা
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ চাইলে আফগান শান্তিচুক্তি হতে পারে বলে আস্থা প্রকাশ করেছেন আফগান উচ্চ শান্তি পরিষদ। এ পরিষদের শীর্ষস্থানীয় সদস্য কাজী আমিন ওয়াকাদ বলেন, আমরা আশাবাদী যে, আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নওয়াজ শরীফ সাহায্য করবেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, একটি শান্তিচুক্তি করার বিষয়ে নওয়াজ শরীফ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। কাবুল থেকে পাকিস্তানের একটি সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে আলাপের সময় কাজী আমিন আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, আফগানিস্তান খণ্ডবিখণ্ড করা কখনোই পাকিস্তানের নীতি ছিল না। তিনি আরও বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পাকিস্তানকে আমাদের সন্দেহ করা ঠিক হবে না। কারণ এতে অবিশ্বাসই শুধু বাড়বে বরং এর পরিবর্তে আমাদের আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলা দরকার। আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই সম্প্রতি অভিযোগ করেছেন, তার সরকার ও তালেবানদের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগি করার প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান। কারজাইয়ের ওই মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করে কাজী আমিন আরও বলেন, প্রেসিডেন্টের এ অভিযোগে আমি হতাশ হয়েছি কারণ আফগানিস্তান অতীতে কখনও বিভক্ত ছিল না, ভবিষ্যতেও হবে না। এদিকে পাকিস্তানে অব্যাহত সন্ত্রাসবাদের অবসান ঘটাতে দেশটির নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই তালেবানসহ অন্য কয়েকটি গেরিলাগোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনার পরিকল্পনা নিয়েছে ইসলামাবাদ। আলোচনা সফল করার জন্য একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনেরও চিন্তা-ভাবনা চলছে। চলতি মাসের শেষ দিকে সর্বদলীয় বৈঠকের পর ওয়ার্কিং গ্রুপের চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর এসবই করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে—সর্বসম্মতভাবে জাতীয় নিরাপত্তা নীতি ঠিক করার জন্য। প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য এরই মধ্যে তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনার আগ্রহ ব্যক্ত করেছে। তবে, দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তালেবানদের সঙ্গে শান্তি আলোচনার বিষয়ে সতর্কতামূলক দৃষ্টিভঙ্গি নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
এ সম্পর্কে পাকিস্তান সরকারের একজন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা বলেছে, ‘দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য যা কিছু করা সম্ভব আমরা তার সবই করার চেষ্টা করব।’ রেডিও তেহরান