Amardesh
আজঃঢাকা, সোমবার ০১ জুলাই ২০১৩, ১৭ আষাঢ় ১৪২০, ২১ শাবান ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

চট্টগ্রাম ইপিজেডে জুতা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ৩০ কোটি টাকার ক্ষতি

চট্টগ্রাম ব্যুরো
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
চট্টগ্রাম ইপিজেডে একটি জুতার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাত সাড়ে ৩টায় ইপিজেডের চার নম্বর রোডের পাপেলা সুজ নামে একটি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রায় পৌনে ৭ ঘণ্টা চেষ্টার পর চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের তিনটি স্টেশনের ১৮টি ইউনিট, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ভয়াবহ এ আগুনের ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ফায়ার সার্ভিস ও কারখানা কর্তৃপক্ষ সূত্র ধারণা করছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত। অগ্নিকাণ্ডের কারণে কারখানার দ্বিতল ভবনটির বিভিন্ন অংশে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ প্রায় ৩০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি দাবি করেছে। তদন্তের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা হবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানার সবকটি দরজা-জানালা বন্ধ থাকা এবং পানিস্বল্পতার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লেগেছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানার কাটিং সেকশনে ২০-২৫ শ্রমিক কাজ করছিলেন। রাত সাড়ে ৩টায় লাগা আগুন প্রায় পৌনে ৭ ঘণ্টা চেষ্টার পর সকাল ১০টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তদন্তের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা হবে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেপজার মহাব্যবস্থাপক এসএম আবদুর রশিদ।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানার প্রোডাকশন ম্যানেজার মোখলেছুর রহমান জানান, কারখানার প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি জানান, কারখানার নিচতলায় আগামী সিজনের জন্য সংগৃহীত কাঁচামাল, অ্যাডেসিভ গাম ও কেমিক্যাল সংরক্ষিত ছিল। এছাড়া দ্বিতল ভবনের নিচতলার গোডাউনে কোম্পানির আরেকটি কারখানা এক্সেল সুজেরও কাঁচামাল সংরক্ষিত ছিল। তিনি জানান, কারখানার দোতলার প্রায় দেড় থেকে দু’লাখ জোড়া তৈরি জুতা ছিল, যা গতকাল শিপমেন্ট করার কথা ছিল। কারখানাটিতে প্রায় ছয়শ’ শ্রমিক কাজ করতেন।
এদিকে সিইপিজেড এলাকার শিল্প পুলিশ পরিচালক তোফায়েল আহমেদ মিয়া জানান, ৫ এপ্রিল সিইপিজেড এলাকায় একই মালিকের এক্সসেল সুজ কারখানায় আগুন লাগে। তবে পরপর দুটি কারখানায় আগুন লাগার কারণে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বাগেরহাটে ১২ লাখ টাকার ক্ষতি : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া গ্রামের ফকরুল হাওলাদারের বসতবাড়িটি শনিবার গভীর রাতে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ফকরুল হাওলাদারের কমপক্ষে ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ঘটনার রাত ২টার দিকে আকস্মিকভাবে মজিবর হাওলাদারের ছেলে ফকরুল হাওলাদারের দোতলা বসতঘরের চতুর্দিক থেকে একযোগে আগুন জ্বলে ওঠে। আগুনে নগদ ৩ লাখ টাকা, বিভিন্ন ধরনের বিদেশি মালামাল, দলিলপত্রসহ বহু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ৪০ মণ চাল, ২ মণ ধানসহ কমপক্ষে ১২ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এছাড়া ১১ ভরি স্বর্ণালঙ্কার পুড়ে গেছে এবং কিছু খোয়া গেছে বলেও ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। পূর্বশত্রুতার কারণে পরিকল্পিতভাবে ফকরুল হাওলাদারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে অভিযোগে জানা গেছে।