Amardesh
আজঃঢাকা, সোমবার ০১ জুলাই ২০১৩, ১৭ আষাঢ় ১৪২০, ২১ শাবান ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিকর : দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু হয়নি - জামায়াত

স্টাফ রিপোর্টার
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, এদেশে অতীতে দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়নি। ২৯ জুন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন না হওয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে দেশের জনগণ আন্দোলন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে সন্নিবেশিত করেছিল। সেই আন্দোলনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও শামিল ছিলেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মূল প্রবক্তা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের কৃতিত্ব হাইজ্যাক করার অপচেষ্টা চালিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ১৯৯৬ সালে বলেছিলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা তার চিন্তা থেকেই উদ্বূত হয়েছে। আর এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার সম্পর্কে যাচ্ছেতাই হাস্যকর বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন হলে তার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মহাজোটের ভরাডুবির আশঙ্কায়ই তিনি এখনও তত্ত্বাবধায়ক সরকার সম্পর্কে হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়ে তার সরকারের অধীনে নির্বাচনের নাটক করে আবার ক্ষমতায় বসতে চান। তার এ দুরাশা কখনও পূর্ণ হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত না হলে আওয়ামী লীগের পক্ষে কখনোই ক্ষমতায় আসা সম্ভব হতো না এবং শেখ হাসিনাও প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
গত ১৫ জুন অনুষ্ঠিত ৪ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন যদি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতো, তা হলে আওয়ামী মহাজোটের সমর্থিত প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হতো দাবি করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হওয়ার প্রশ্নই আসে না। এ ধরনের অসত্য বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিধান সংবিধানে পুনর্বহাল করাসহ ১৮ দলীয় জোটের সব দাবি মেনে নিয়ে পদত্যাগ করার জন্য আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।