Amardesh
আজঃঢাকা, সোমবার ০১ জুলাই ২০১৩, ১৭ আষাঢ় ১৪২০, ২১ শাবান ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

প্রধানমন্ত্রীর মিথ্যাচার ও মৃত লাশের দৌড় তত্ত্ব

অ লি উ ল্লা হ নো মা ন
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি জাতীয় সংসদে আলোচিত বক্তব্য দিয়েছেন। হেফাজতে ইসলামের অবস্থানে গণহত্যাকে অস্বীকার করেছেন। এমনকি জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, কোনো গুলি চালানো হয়নি হেফাজতে ইসলামের অবস্থান কর্মসূচিতে। হেফাজতে ইসলামের মতিঝিলে অবস্থান কর্মসূচিতে রাতের বেলায় গায়ে লাল রং মাখিয়ে কর্মীরা শুয়ে ছিলেন। লাশ উঠেও দৌড় দিয়েছে বলে তিনি জাতীয় সংসদে অবহিত করলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য তার সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের বচনকেও হার মানায়। সাভারের রানা প্লাজা ধসের পর মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছিলেন, বিএনপির নেতৃত্বে বিরোধী দলের লোকজন ভবনের পিলার ধরে নাড়াচাড়া করছিলেন। এটি ভবন ধসের একটি কারণ হতে পারে। বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাত্কারে তিনি এ মন্তব্য করেছিলেন। হেফাজতে ইসলামের অবস্থান কর্মসূচিতে গণহত্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য মহীউদ্দীন খান আলমগীরকেও হার মানাচ্ছে।
অথচ আমরা দেখলাম হেফাজতে ইসলামের অবস্থানে গত ৫ মে দিবাগত রাতে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি’র প্রায় ১০ হাজার সদস্যের সম্মিলিত যৌথ বাহিনীর আক্রমণ। অনেক মিডিয়ায় সরাসরি সম্প্রচার চলছিল সেই অভিযান। যত মিথ্যাচারই করা হোক মানুষের চোখকে তো আর ফাঁকি দেয়া যায় না! মানুষ নিজের চোখকে কীভাবে অস্বীকার করবে, সেটাই হচ্ছে বড় বিষয়। এছাড়া পুলিশের প্রেসনোটে পরের দিন বলা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার গোলা-বারুদ ব্যবহার হয়েছে হেফাজতের সমাবেশ পণ্ড করতে। প্রধানমন্ত্রী বললেন, একটি গুলিও খরচ হয়নি। হেফাজত কর্মীদের গায়ে রং মাখিয়ে ঘুমিয়ে থাকার নতুন তথ্য দিলেন জাতিকে। লাশ উঠে দৌড় দেয়ার কথাও বললেন। পুলিশ, র্যাব বা যারা এই অভিযানের দায়িত্বে ছিলেন তারা কেউ এমনটা বলেননি। সেটা হয়তো তারা প্রধানমন্ত্রীর চমক দেয়ার জন্য রেখে দিয়েছিলেন।
অন্যদিকে এই অভিযানে নিহতের সংখ্যা নিয়ে এখনও নানা তথ্য প্রচার হচ্ছে। ঘটনার পরদিন হংকংভিত্তিক এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন বিবৃতি দিয়ে বলেছে, সাড়ে ৩ হাজারের মতো লোক নিহত হয়েছে রাতে অভিযানে। হেফাজত দাবি করেছে কয়েক হাজার। তবে তারা সঠিক পরিসংখ্যানের জন্য অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। হেফাজতের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের অনুসন্ধান এখনও শেষ হয়নি। অনুসন্ধান শেষ হওয়ার পর তারা সংবাদ মাধ্যমকে প্রাপ্ত তথ্য সরবরাহ করবে। এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ একটি অনুসন্ধানী তথ্য দিয়েছে। অধিকার বলেছে, হেফাজতের অবস্থানে রাতের আঁধারে চালানো অভিযানে নিহতদের মধ্যে ২০২ জনের নাম-ঠিকানা তারা পেয়েছে। অধিকার ২০২ জনের নাম-ঠিকানার তথ্য এরই মধ্যে মিডিয়ায় প্রকাশ করেছে। এখন কোন বক্তব্যকে আমরা সঠিক বলে ধরে নেব! প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য—কোনো গুলি হয়নি, হেফাজত কর্মীরা গায়ে রং মেখে শুয়ে ছিলেন, পুলিশের অভিযানে লাশ উঠে দৌড় দিয়েছে, সেই তথ্য সঠিক? না-কি, এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন, হেফজাতের অনুসন্ধান বা অধিকারের বক্তব্য সঠিক? না-কি গোলা-বারুদ ব্যবহারের বিষয়ে পুলিশের ভাষ্য সঠিক! না-কি হেফাজতের সমাবেশে গণহত্যার পর ১১টি লাশ ঢাকা মেডিকেলে নেয়া হয়েছে বলে মেডিকেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য সঠিক। প্রধানমন্ত্রী বললেন কোনো গুলি হয়নি, কেউ মরেনি। ঢাকা মেডিকেল কর্তৃপক্ষ বলেছে, এ ঘটনায় নিহত ১১ জনের লাশ সেখানে নেয়া হয়েছে। কোনটি সঠিক?
বিবিসি, সিএনএন, আল জাজিরাসহ বিদেশি গণমাধ্যমগুলোর রিপোর্টে হেফাজতের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের কিছুটা বিবরণ উঠে এসেছে। সেই গণমাধ্যমের বক্তব্যগুলো কীভাবে মূল্যায়ন করবেন প্রধানমন্ত্রী? বাংলাদেশে আওয়ামী লীগপন্থী মিডিয়াগুলো অনেকটা চেপে যাওয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছে। সমকাল সম্পাদক ‘বনেদি’ সাংবাদিক গোলাম সারোয়ার লিখেছেন, মতিঝিলে হেফাজতের দুর্বৃত্তদের সরাতে সরকারের অভিযান তাদের পত্রিকায় সুন্দর করে পরিবেশন করা হয়েছে। যেই পত্রিকার সম্পাদক নিজের নামে লেখায় দেশের আলেম সমাজ ও ধর্মপ্রাণ মানুষকে দুর্বৃত্ত বলে আখ্যায়িত করতে পারেন, সেই পত্রিকাগুলো কতটা অন্ধ আওয়ামীপন্থী তা যাচাইয়ের ভার পাঠকের বিবেকের কাছেই রাখলাম। আর এসব মিডিয়া কতটা সত্য উপস্থান করে সেটাও পাঠক নিজের বিবেক দিয়ে বিচার করবেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। তবে আমরা জানি প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিটি ঘটনার বিষয়ে গোয়েন্দাদের পক্ষ থেকে পৃথক পৃথক প্রতিবেদন দেয়া হয়। বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থা রয়েছে। প্রতিটি গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকেই দৈনিক পুরো দিনের তথ্য সরবরাহ করা হয় প্রধানমন্ত্রীকে। আমরা যদি ধরে নেই জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে এই বক্তব্য দিয়েছেন। এতেই অনুমান করা যায়, আমাদের গোয়েন্দারা সরকারপ্রধানকে কতটা সঠিক তথ্য সরবরাহ করে থাকেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর স্বভাবসুলভ মিথ্যাচারও হতে পারে এটা। কারণ আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকারের সদস্যরা মিথ্যাচারে রেকর্ড করছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেন, বিরোধী দলের নাড়াচাড়ায় ভবন ধস হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, হেফাজতের সমাবেশ রং মেখে কর্মীরা শুয়ে ছিলেন, লাশ উঠে দৌড় দিয়েছে। এসব বক্তব্যকে মিথ্যাচার বললেও কম বলা হবে। এসব হচ্ছে সরকারপ্রধান বা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে জাতির সঙ্গে তামাশা করা। দৈনিক আমার দেশ-এর ছাপাখানায় তালা লাগিয়ে দেয়া প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, আমার দেশ-এর ছাপাখানায় অবৈধ কার্যক্রম চলছিল। কী ধরনের অবৈধ কার্যক্রম আমার দেশ-এর ছাপাখানায় চলছিল সেটা তিনি বলছেন না। অর্থাত্ মিথ্যাচার করাটাই হচ্ছে এ সরকারের জাতীয় চরিত্র।
কয়েক সপ্তাহ আগে আমার একটি লেখায় উল্লেখ করেছিলাম, ব্রিটিশ সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী মিথ্যা বলার কারণে মন্ত্রিত্ব হারিয়েছেন। এজন্য তাকে কারাগারে যেতে হয়েছে। অপরাধ একটাই—নির্বাচনের আগে গাড়ির ড্রাইভিং নিয়ে একটি মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন। মন্ত্র্রিত্ব গ্রহণের পর তার স্ত্রী সেই মিথ্যা তথ্যের বিষয়টি ফাঁস করে দেন। এজন্য স্বামী-স্ত্রী দু’জনেরই জেল-জরিমানা হয়েছে। বর্তমান ব্রিটিশ সরকারের সময়ের এই ঘটনা। আর আমাদের নেতা-নেত্রীরা, সরকারের প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে মিথ্যা কথা বলে যাচ্ছেন। কতটা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিকরা বসবাস করছেন সেটা অনুমান করা যায় এসব ঘটনা থেকে।
আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অতীতের কয়েকটি বক্তব্য পাঠকের সামনে উপস্থাপন করছি। এতে আপনারাই বিচার করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলে থাকতে জাতিকে কী বলে বিভ্রান্ত করতেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি নিজেই আবার কীভাবে একই কাজ করছেন।
২০০৫ সালের ১৪ জুন প্রধানমন্ত্রী একটি বক্তব্য দিয়েছিলেন। তখন তিনি বিরোধী দলের নেতা। পরের দিন সব জাতীয় দৈনিক শেখ হাসিনার এ উক্তি দিয়ে সংবাদের শিরোনাম করেছিল। ২০০৫ সালের ১৫ জুন দৈনিক জনকণ্ঠ : লুটপাটের টাকা জায়েজ করতেই জোট সরকার কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়েছে— হাসিনা। একই দিন প্রথম আলোর শিরোনাম—সাভারে জনসভায় শেখ হাসিনা : মন্ত্রী-এমপিদের কালো টাকা সাদা করার ব্যবস্থা হয়েছে বাজেটে। দৈনিক ইত্তেফাকের শিরোনাম ছিল। ‘অবৈধভাবে আবার ক্ষমতায় আসার জন্য কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হয়েছে : শেখ হাসিনা।
মোদ্দা কথা, প্রতিটি দৈনিকে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়ার বিষয়টিকেই সংবাদের শিরোনামে নিয়ে আসা হয়। অথচ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের ঘোষিত প্রতিটি বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ২০১০ সালের ডিসেম্বরে শেয়ারমার্কেটে ধসের পর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় কালো টাকা সাদা করার বিশেষ সুযোগ দিয়ে। অর্থাত্ বাজেটের বাইরেও কালো টাকা সাদা করার বিশেষ সুযোগ দেয়া হয় বর্তমান সরকারের আমলে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে প্রশ্ন, আপনার সরকারের মন্ত্রী-এমপি ও দলীয় নেতাদের লুটপাটে অর্জিত অর্থ জায়েজ করতেই কি কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়েছে প্রতিটি বাজেটে! নাকি হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে কোনো গুলি হয়নি, হেফাজত কর্মীরা গায়ে রং মেখে শুয়েছিলেন, লাশ উঠে দৌড় দেয় ইত্যাদি বক্তব্যের মতো মিথ্যাচার করতেই তত্কালীন সরকারের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উত্থাপন করেছিলেন? শুধু তাই নয়, শেখ হাসিনা কথায় কথায় বর্তমান বিরোধীদলীয় নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক কার্যালয় হাওয়া ভবনকে কটাক্ষ করে বক্তব্য রাখতেন। তিনি হাওয়া ভবন ও বিএনপির বর্তমান সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করতে করতে মুখে ফেনা তুলতেন।
২০০৫ সালের ডিসেম্বরে এক বক্তব্যে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রীর পরিবারকে দায়ী করে বলেছিলেন, লুটপাটের টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে বলেই ডলারের দাম বাড়ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দয়া করে বলবেন কি, বর্তমান বিশ্বে সব দেশে ডলারের দাম কমলেও বাংলাদেশে অব্যাহতভাবে বাড়ছে কেন? ব্যাংকে টাকার সঙ্কট কেন? এখন কারা বিদেশে টাকা পাচার করছে? শেখ হাসিনার কাছে প্রশ্ন রেখে জানতে চাই, আপনার সরকারের সময়ে পদ্মা সেতুর নামে দুর্নীতির টাকা বিদেশে পাচারের কারণেই কী বর্তমান আমলে ডলারের দাম দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে? হলমার্কের নামে ব্যাংক লুটপাটের টাকা পাচার করার কারণেই কী ডলারের দাম রেড়েছে? না-কি শেয়ারমার্কেটের লুটপাটের টাকা বিদেশে পাচার করার কারণে শেয়ারের দাম বেড়েছে? চারদলীয় জোট সরকারের আমলে কিন্তু পদ্মা সেতুর মতো বিশ্বব্যাংকের স্বীকৃত কোনো দুর্নীতির ঘটনা ঘটেনি। শেয়ারমার্কেটে কোনো রকমের লুটপাট হয়নি, হলমার্কের মতো কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ দেয়া হয়নি। এরকম প্রাতিষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ তখন ছিল না। তারপরও শেখ হাসিনা দুর্নীতি, কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নিয়ে লুটপাটের অভিযোগ উত্থাপন করতেন। মুখে ফেনা তুলতেন তারেক রহমান ও হাওয়া ভবনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করতে করতে। কোথায় সেই দুর্নীতির টাকা! গত ৭ বছরেও কেন এই দুর্নীতির টাকা বের করতে পারলেন না? এখন আপনার সরকারের আমলে কেন ৫টি বাজেটে-ই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হলো? তাহলে আপনার ভাষায়-ই বলতে হবে, লুটপাটের টাকা জায়েজ করতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়েছে বাজেটে। লুটপাটের টাকা বিদেশে পাচারের কারণে ডলারের দাম বেড়েছে। আসলে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলে থাকতে মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে জাতিকে যেমন বিভ্রান্ত করতে ওস্তাদ, তেমনি তিনি সরকারে গিয়েও জাতীয় সংসদের মতো জায়গায় দাঁড়িয়ে মিথ্যাচারে ওস্তাদ। এরকম মিথ্যাচারের উদাহরণ হাজারটা দেয়া যাবে। তবে তার এ মিথ্যাচারের জবাব দেশের মানুষ কিছুটা দিয়েছে সিটি করপোরেশনগুলোর নির্বাচনে। বাকি জবাব দেয়ার অপেক্ষায় রয়েছে দেশের মানুষ। তবে সেই জবাব দেয়ার মতো সুযোগ তৈরি করে দেয়ার দায়িত্ব হচ্ছে বিরোধীদলীয় জোটের কাছে।
লেখক : দৈনিক আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিনিধি, বর্তমানে যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত
nomanoliullah@yahoo.com