Amardesh
আজঃঢাকা, সোমবার ২০ মে ২০১৩, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০, ৯ রজব ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিকী
 কার্টুন
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

থাইল্যান্ডে প্র্রধানমন্ত্রী : কেইপিজেড নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার প্র্রধানমন্ত্রীর আলোচনা

বাসস
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
বাংলাদেশে কোরীয় বিনিয়োগ ত্বরান্বিতকরণে কোরীয় রফতানি প্র্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (কেইপিজেড) সমস্যা সমাধানের উপায় নিয়ে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া আলোচনা করেছে।
গতকাল থাইল্যান্ডের চিয়াংমাইতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্র্রধানমন্ত্রী চুং হং ওন-এর সঙ্গে বৈঠককালে বাংলাদেশের প্র্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তার দেশ বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে এবং উভয় দেশের স্বার্থে সমস্যা সমাধানে প্র্রচেষ্টা চালাচ্ছে। দ্বিতীয় এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় পানি শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানে উভয় নেতা বর্তমানে চিয়াংমাইতে অবস্থান করছেন। এর আগে প্র্রধানমন্ত্রী শেখা হাসিনা দ্বিতীয় এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় পানি সম্মেলনে (২-এপিডব্লিউএস) যোগ দিতে দু’দিনের সরকারি সফরে গতকাল বিকালে থাইল্যান্ডের চিয়াংমাইয়ে পৌঁছেন। চিয়াংমাইতে আজ ও কাল এ শীর্ষসম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ বিমান প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে (স্থানীয় সময়) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে চিয়াংমাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অবতরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী চিয়াংমাই ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে আজ সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। এছাড়া আজ তার থাই প্রধানমন্ত্রী ইংলাক শিনাওয়াত্রার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসার কথা রয়েছে।
প্র্রধানমন্ত্রী তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে সকাল সোয়া এগারোটায় প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিশেষ বিমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী চুং হং ওন-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের জানান, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দু’দেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক ভারসাম্য ঠিক রাখতে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে আরও বেশি কোরীয় বিনিয়োগ কামনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের বস্ত্র, পাট, অবকাঠামো, বিদ্যুত্, জ্বালানি, আইসিটি, চামড়া, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা ও জাহাজ নির্মাণ খাতে বিনিয়োগের জন্য দক্ষিণ কোরীয় নেতার প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশের সবুজ অর্থনীতির জন্য কোরিয়ার অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতিও আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এ সময় পানি সম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ এম জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব শেখ এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাসিনা বাংলাদেশী নাগরিকদের এমপ্লয়মেন্ট পার্মিট সিস্টেমের আওতায় আনার জন্য দক্ষিণ কোরীয় নেতাকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে সেদেশে আরও বাংলাদেশী কাজ করার সুযোগ পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
দক্ষিণ কোরীয় প্রধানমন্ত্রী এ সময় বাংলাদেশে ব্যবসা বাণিজ্য বিকাশে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোরীয় প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। চুং হং ওন আমন্ত্রণ গ্রহণ করে বলেন, অদূর ভবিষ্যতে সুবিধাজনক সময়ে তিনি বাংলাদেশ সফর করবেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী ঐতিহ্যবাহী উইয়াং কুম কাম প্রাসাদে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নৈশভোজে যোগ দেন এবং ঐতিহ্যবাহী থাই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।