Amardesh
আজঃঢাকা, সোমবার ২০ মে ২০১৩, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০, ৯ রজব ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিকী
 কার্টুন
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

পটুয়াখালী ও মির্জাগঞ্জে মহাসেনের চার দিন পরও ত্রাণ পৌঁছেনি : অনাহারে অর্ধাহারে দুর্গতরা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
ঘূর্ণিঝড় মহাসেনের ৪ দিন অতিবাহিত হলেও ৮টি উপজেলার প্রত্যন্ত চর এলাকায় সরকারি বেসরকারি পর্যাপ্ত কোনো ত্রাণ এখনও পৌঁছেনি। ফলে বন্যাদুর্গত উপকূলীয় এলাকার আশ্রয়হীন মানুষগুলো অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। এ পর্যন্ত পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের কাছে দুর্গতদের কাছে দেয়ার জন্য যে পরিমাণ সাহায্য হিসেবে চাল এবং টাকা এসেছে তার এক-তৃতীয়াংশও দুর্গত এলাকায় পাঠানো হয়নি। অপরদিকে বিভিন্ন উপজেলায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা নিয়েও অনেক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জেলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ‘ঘূর্ণিঝড় মহাসেনে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে জরুরি বিতরণের জন্য জেলায় এখন পর্যন্ত ২০০ মেট্রিক টন চাল এবং ৮ লাখ টাকা এসেছে। তা থেকে ৭৪ মেট্রিক টন চাল এবং ২ লাখ টাকা ৮টি উপজেলা এবং ২টি পৌরসভায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাঙ্গাবালিতে ৫০ হাজার টাকা ও ২০ মেট্রিক টন চাল, গলাচিপায় ৪০ হাজার টাকা ও ১০ মেট্রিক টন চাল, কলাপাড়ায় ৫০ হাজার টাকা ২০ মেটিক টন চাল, কলাপাড়া পৌরসভায় ১০ হাজার টাকা, কুয়াকাটা পৌরসভায় ১০ হাজার টাকা, মির্জাগঞ্জে ২০ হাজার টাকা ও ৬ মেট্রিক টন চাল, বাউফলে ৩০ হাজার টাকা ও ১০ মেট্রিক টন চাল, দশমিনায় ৪০ হাজার টাকা ও ৮ মেট্রিক টন চাল এবং দুমকিতে ১০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া আরও ত্রাণ বরাদ্দের জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদফতরে জরুরি চিঠি পাঠানো হয়েছে’।
রাঙ্গাবালি উপজেলার সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল প্যাদা জানান, রাঙ্গাবালি একটি দ্বীপ উপজেলা। তার সদর ইউনিয়নে ৭৫৪টি ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে কয়েক হাজার ঘরবাড়ি। এছাড়া এলাকার সব রবিশস্যের ক্ষেত এখনও ১-২ ফুট পানির নিচে রয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবের ৩ দিন অতিবাহিত হলেও রাঙ্গাবালি উপজেলায় এখন পর্যন্ত কোনো ত্রাণ আসেনি। মানুষ অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি জরুরি ভিত্তিতে ইউএনওকে ত্রাণের ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেছেন’।
গলাচিপা উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জানান, ‘আমার ইউনিয়নটি সাগরের মধ্যে একটি দ্বীপ। এ ইউনিয়নের অধীনে অনেক দুর্গম দ্বীপচর রয়েছে। এসব দ্বীপচরের সব ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এই চরগুলোর মধ্যে অনেক চরেই কোনো ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নেই। আমি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লোকজনদের নিরাপদ আশ্রয়ে এনে তাদের জীবন কোনোমতে রক্ষা করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ত্রাণ এখানে পৌঁছায়নি। ফলে তাদের মুখে কোনো খাবার তুলে দিতে পারছি না। জরুরি ভিত্তিতে পর্যাপ্ত পরিমণে খাবার, বিশুদ্ধ পানি, টাকা, টিন, খুঁটি পাঠানোর জন্য গলাচিপা উপজেলার ইউএনওর কাছে আবেদন করেছি’।
অপরদিকে বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি নিয়ে তুঘলকি কারবার শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একদিকে ইউপি চেয়ারম্যান এবং সদস্যরা একটি তালিকা অন্যদিকে সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে ১০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করে ভিন্ন তালিকা তৈরি করে নিজ নিজ ইউএনওদের কাছে জমা দিয়েছেন। অনেক ইউনিয়নের সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা ইউপি চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন যাতে তাদের তালিকা অনুযায়ী ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা যায়।
এদিকে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র থেকে লোকজন তাদের বসতভিটায় ফিরে গেছেন। যেসব পরিবারের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে তারা বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন। কলাপাড়া, গলাচিপা, রাঙ্গাবালিতে রাস্তাঘাটের বড় বড় গাছপালা পড়ে থাকায় এখনও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু হয়নি। কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্র এখনও পর্যটক শূন্য রয়েছে।
জেলা প্রশাসক অমিতাভ সরকার বলেন, ‘আমরা সব সময় দুর্গতদের পাশে আছি। বিভিন্ন উপজেলায় এরই মধ্যে আমাদের ২৩২ মেট্রিক টন চাল ও ৯ লাখ টাকা বিতরণ হচ্ছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতে কোনো অনিয়মের অভিযোগ পেলে তাত্ক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’।
মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) : ঘূর্ণিঝড় মহাসেনের তাণ্ডবে মির্জাগঞ্জে এক প্রতিবন্ধী শিশুর মৃত্যু ও চারদিন পার হলেও মির্জাগঞ্জে অনেক পরিবার সাহায্যে পায়নি। বসতঘর হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে অনেক পরিবার। দেউলী গ্রামের ঘরহারা বিধবা নাজমা বেগম বলেন, আমার বড় একটি দোতালা ঘর সম্পর্ন বিধ্বস্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো সাহায্য পাইনি। সরকারিভাবে ৬টি ইউনিয়নে ১ টন করে চাল বিতরন করা হলেও অনেক ক্ষতিগ্রস্তরা সাহায্যে পায়নি বলে জানা গেছে। আমড়াগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. সুলতান আহম্মেদ জানান, মহাসেনের তাণ্ডবে কম-বেশি সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকার যা বরাদ্দ দিয়েছে তা ১০ কেজি করে বিতরণ করেছি। তারপরও অনেক পরিবার চাল পায়নি। এদিকে উপজেলায় অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুত্ ব্যবস্থা বন্ধ রয়েছে। মহাসেনের আঘাতে উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের চৈতা গ্রামে পুতুল (৭) নামে এক প্রতিবন্ধী শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ঝড়ের সময় নিজেদের বসতঘরের গাছের নিচে চাপাপড়ে মারা যায়। তার বাবার নাম মো. ইউনুচ আলী। মহাসেনে উপজেলায় এখন পর্যন্ত কত টাকার ক্ষতি হয়েছে তা বলতে পারছে না পিআইও অফিসের কর্মকর্তারা। এদিকে মির্জাগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী অফিসার না থাকায় এ সমস্যা হচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন। অতিরিক্ত দায়িত্বে আছেন জেলা সদর নির্বাহী কর্মকর্তা। উপজেলা ত্রাণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, মির্জাগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ৩ হাজার ১০৭। এর মধ্যে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে ৩৮১টি ঘর, আংশিক ক্ষতি ২৭২৬টি ঘর, রবিশস্য ও আউশের ক্ষতি ৬ হাজার ১৩৩ হেক্টর জমির ফসল, স্কুল ও কলেজ ১২টি, মসজিদ-মন্দির ৪৩টি, বন ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫টি, পুকুর-জলাশয় ২৯৮টি এবং পানের বরজ ৪৫৩টি ক্ষতি হয়েছে।
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’-এর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া উপকূলীয় কলাপাড়ায় লক্ষাধিক মানুষ ত্রাণের অভাবে এখন অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। এসব ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিলেও দেয়া হয়নি কোনো ত্রাণসহায়তা। ক্ষুধার জ্বালায় অনেকে আশ্রয় নিয়েছে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে। সরকারিভাবে নামেমাত্র কিছু খাদ্যশস্য বরাদ্দ দিলেও রোববার পর্যন্ত বিতরণ করা হয়নি অনেক এলাকায়। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, দ্রুত দুর্গত এলাকা ঘোষণা করে সরকারি ও বেসরকারিভাবে পর্যাপ্ত ত্রাণসহায়তা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হোক। তা না হলে কয়েক হাজার মানুষ চিরতরে হতদরিদ্র হয়ে যাবে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভায় পাঁচ হাজার ২৪৮ পরিবারের ঘর সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত ও ৩৩ হাজার ৭৭০টি ঘর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। ৩০ হাজার কৃষক ও প্রায় ১৬ হাজার মাছচাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ দেড় শতাধিক সামাজিক প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেসরকারি হিসেবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। রোববার পর্যন্ত সরকারিভাবে এসব ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য মাত্র দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ৮২ মে. টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ ও নিহত দুজনের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে ৪০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। আর বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন নবজীবন প্রকল্পের অধীনে স্টিড ট্রাস্ট চম্পাপুর ও ধুলাসার ইউনিয়নে এক হাজার ব্যক্তিকে কিছু শুকনা খাবার বিতরণ করেছে।
পর্যাপ্ত ত্রাণসহায়তা না দেয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ। তিন থেকে চার ফুট পানিতে ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় অধিকাংশ মানুষের ঘরে থাকা খাদ্যশস্য নষ্ট হয়ে গেছে। এখনও তাদের রান্নার চুলা পর্যন্ত তলিয়ে আছে। বাধ্য হয়ে হাজার হাজার মানুষ বেড়িবাঁধের ওপর এবং অনেকে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন মধ্যবিত্ত ও খেটে খাওয়া দিনমজুররা। জনজীবন স্বাভাবিক না হওয়ায় তাদের দিন কাটছে অর্ধাহারে-অনাহারে। এমনকি তাদের ঘরবাড়ি ঠিক করার টাকা পর্যন্ত নেই।
উপজেলার ধুলাসার ইউনিয়নের গঙ্গামতি এলাকার সমাজসেবক নুর মোহাম্মদ অভিযোগ করে বলেন, সিডরের চেয়েও কয়েক গুণ সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ক্ষতি হয়নি, এমন কোনো মানুষ এলাকায় খুঁজে পাওয়া যাবে না। কিন্তু এখন পর্যন্ত (রোববার বিকাল) সরকারি বা বেসরকারিভাবে কোনো ত্রাণসহায়তা দেয়া হয়নি। এমনকি কোনো সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা দেখতে পর্যন্ত আসেননি। এলাকার অনেক মানুষ না খেয়ে আছে।
মহিপুর ইউনিয়নের মনশাতলী গ্রামের খুটা জেলে মো. মোস্তফা হাওলাদার জানান, সংকেত পেয়ে সাগরে মাছ ধরা বন্ধ করে বাড়িতে এসে সাইক্লোন শেল্টারে গিয়ে আশ্রয় নিই। বৃহস্পতিবার সকালের ঝড়ে ঘর উড়িয়ে নিয়ে গেছে। এতে ঘরে থাকা চালসহ সব মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে। ঘাটে নোঙর করা নৌকাও খুঁজে পাই না। দুদিন পরিবারের সকলে না খেয়ে থেকেছি। শনিবার সকালে পাশের বাড়ি থেকে তিন কেজি চাল ধার করে এনে কোনো রকম রান্না করে খেয়ছি। এখন পর্যন্ত কোনো ত্রাণ পাইনি। কী খাবেন, কোথায় থাকবেন, সেই চিন্তায় তার ঘুম হারাম হয়ে গেছে।
একই কথা জানালেন লালুয়ার নেওয়াপাড়া গ্রামের জলিল মিয়া, নীলগঞ্জের হাজীপুর গ্রামের মমিন মিয়া। এ চিত্র শুধু ওই সব গ্রামের নয়, সমগ্র উপজেলার।
এ ব্যাপারে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মালেক খান বলেন, আমার ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্তদের ২০ কেজি করে চাল দেয়ার জন্য মোট পাঁচ মেট্রিক টন বরাদ্দ পেয়েছি গতকাল। এ দিয়ে মাত্র ২-৩ শত পরিবারকে দেয়া যাবে। কয়েক হাজার পরিবার সহায়তার বাইরে থেকে যাবে। তিনি আরও বলেন, আমার ইউনিয়নে কয়েক হাজার মানুষের বসতঘর, রাস্তাঘাট, সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সিডরের চেয়েও ক্ষতি হয়েছে। বেসরকারি ও দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে না এলে সরকারের পক্ষে ২০-২৫ বছর সময় লাগবে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে। তিনি সরকারের পাশাপাশি দাতা সংস্থাকে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
এ ব্যাপারে উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে তিন হাজার ও পাঁচ হাজার টাকা করে দেয়া হবে। এ ছাড়া প্রাথমিক পর্যায়ে ৮২ মে. টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।