সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণায় রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিক্রিয়া : সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা গণতন্ত্রের পরিপন্থী -ব্যারিস্টার রফিক মিয়া

স্টাফ রিপোর্টার « আগের সংবাদ
পরের সংবাদ» ১৯ মে ২০১৩, ২৩:০৭ অপরাহ্ন

আগামী এক মাস সারাদেশে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করায় সরকারের সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেছেন, সরকারের এ সিদ্ধান্ত গণতন্ত্রের পরিপন্থী। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মিটিং-মিছিল করার অধিকার সবারই আছে। এটা সাংবিধানিক অধিকার। এ অধিকার কেড়ে নেয়ার এখতিয়ার কারও নেই।
গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে ভিন্নমত প্রকাশের অধিকার নাগরিকদের আছে। সরকার যদি ভিন্নমত প্রকাশ থেকে কোনো দল বা সংগঠনকে দমিয়ে রাখতে চায়, তবে আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকা দলগুলো মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের পরিপন্থী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসুন।’
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া আরও বলেন, সরকার যদি সুষ্ঠু নির্বাচনের সব পথ বন্ধ করে দেয়, তাহলে সরকারের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে এবং গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়বে। যারা প্রকাশ্যে রাজনীতি করতে চান, তাদের জন্য সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা আইনের পরিপন্থী।
সংলাপ সম্পর্কে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দেয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে আমরা আলাপ-আলোচনা করতে রাজি। তবে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে কীভাবে নির্বাচন করা যায়, সে ব্যাপারে আলোচনা হতে হবে।

প্রথম পাতা এর আরও সংবাদ

সাপ্তাহিকী


উপরে

X