সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণায় রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিক্রিয়া : দেশের মানুষ জরুরি অবস্থা ও একদলীয় শাসনের আতঙ্কে -বি. চৌধুরী

স্টাফ রিপোর্টার « আগের সংবাদ
পরের সংবাদ» ১৯ মে ২০১৩, ২৩:০৭ অপরাহ্ন

বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী সভা-সমাবেশের বিরুদ্ধে সরকারি নীতির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘সভা-সমাবেশ বন্ধ করার সরকারের আচমকা সিদ্ধান্তে আমি বিচলিত হয়েছি। সারা দেশের মানুষও জরুরি অবস্থা অথবা একদলীয় শাসনের আতঙ্কে রয়েছে।’
ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে সরকার যে বক্তব্য দিয়েছে, তার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘অতীতে এর চেয়েও অনেক প্রলয়ঙ্করী প্রাকৃতিক দুর্যোগ আমাদের দেশে এসেছে। আমরা সেসব দুর্যোগ সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করেছি। সরকারি, বেসরকারি এবং বিদেশি সাহায্যের পূর্ণ সুযোগ আমরা ব্যবহার করেছি। ওইসব দুর্যোগের সময় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করার কোনো প্রয়োজন হয়নি।’
তিনি বলেন, এতে পরিষ্কার বোঝা যায়, সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করার সরকারের এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক।
বি চৌধুরী বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় কোনো জায়গায় সরকারি সাহায্য নিয়ে দুর্নীতি হলে সভা-সমাবেশ না করতে পারলে ওইসব দুর্নীতির প্রতিবাদও করা যাবে না।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আমি সরকারের উদ্দেশ্যমূলক নীতির তীব্র প্রতিবাদ করছি এবং অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। একইসঙ্গে আমি বন্যাপীড়িত মানুষদের বেশি পরিমাণে সাহায্য-সহায়তা দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
বি চৌধুরী বলেন, ‘যে রাঁধে, সে চুলও বাঁধে।’ সুতরাং সরকারি সাহায্যের অজুহাতে সভা-সমাবেশ বন্ধ করার কোনো যুক্তি নেই।

প্রথম পাতা এর আরও সংবাদ

সাপ্তাহিকী


উপরে

X