Amardesh
আজঃঢাকা, শনিবার ১৮ মে ২০১৩, ২০১৩, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০, ৭ রজব ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২.০০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

অর্থের লোভে পড়ে পাচার : ব্রাজিলে অবৈধ ৮০ বাংলাদেশী নাগরিক উদ্ধার

ডেস্ক রিপোর্ট
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
বেশি বেতনের আশায় দালালচক্রের খপ্পরে পড়ে ব্রাজিলে কর্মরত ৮০ বাংলাদেশীকে আটক করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে এ কথা বলা হয়েছে।
এদিকে ব্রাজিলের বার্তা সংস্থা এজেন্সি ব্রাজিলের বরাত দিয়ে বিবিসির এক খবরে বলা হয়, দেড় হাজার মার্কিন ডলার বেতনের লোভ দেখিয়ে দালালরা ওই ৮০ বাংলাদেশীকে ব্রাজিলে নিয়ে যায়। কিন্তু এজন্য তাদের গুনতে হয় প্রায় ১০ হাজার ডলার (প্রায় আট লাখ টাকা)। রাজধানী ব্রসিলিয়ার নিকটবর্তী সামামবাইয়া শহরের আটটি বাড়ি থেকে বুধবার এই ৮০ জনকে উদ্ধার করে পুলিশ।
ফেডারেল মার্শাল ডেনিস কেলিকে উদ্ধৃত করে এজেন্সি ব্রাজিল জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পেরু, বলিভিয়া বা গায়ানা হয়ে তাদের ব্রাজিলে নিয়ে যায় পাচারকারীরা। ভিসা ছাড়াই ব্রাজিলে প্রবেশের পর তারা সরকারের কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে। পরে পাচারকারীদের সহায়তায় তাদের কাজ জোটে হিমাগার, নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বা গাড়ির গ্যারেজে।
এই পাচারকারী চক্রের সঙ্গে জড়িত ১৪ জনের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। যাদের চারজনকে চক্রের মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা গেছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক খবরে বলা হয়েছে, ব্রাসিলিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস ৮০ জনকে উদ্ধারের এই খবরে বিস্ময় প্রকাশ করেছে। তবে তদন্তের ক্ষেত্রে ব্রাজিল সরকারকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে তারা।
এদিকে এই ৮০ জনের ভাগ্যে কী ঘটবে, তা ঠিক করবে ব্রাজিলের শরণার্থীবিষয়ক জাতীয় পরিষদ।
ঘটনার তদন্তকারীদের বরাত দিয়ে ব্রাজিলের একটি সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, দেশটির সামামবিয়া শহরের আটটি বাড়িতে তারা বিচ্ছিন্ন কাজ করছিলেন। বেশিরভাগই ফ্রিজ মেরামত, ভবনের কাজসহ গাড়ি মোছার কাজ করতেন।
এদিকে ব্রাসিলিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এ ব্যাপারে তদন্তের ক্ষেত্রে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।
অর্থনৈতিক দিক দিয়ে এগিয়ে যাওয়া ও ভালো বেতনের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে অবৈধভাবে যাওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে কড়া নজরদারি রাখছে দেশটির সরকার।