Amardesh
আজঃঢাকা, শনিবার ১৮ মে ২০১৩, ২০১৩, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০, ৭ রজব ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২.০০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

আ.লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে শেখ হাসিনা : হেফাজতের ঘাড়ে পা দিয়ে সরকার উত্খাতের আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র হয়েছিল

স্টাফ রিপোর্টার
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের মাধ্যমে সরকার উত্খাতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চক্র ষড়যন্ত্র করেছিল—এমন অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মাদরাসার বাচ্চা বাচ্চা ছেলেদের ব্যবহার করে তাদের ঘাড়ে পা দিয়ে আমাদের ক্ষমতা থেকে উত্খাতের ষড়যন্ত্র করা হয়। এর পেছনে অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র ছিল। অনেকেই খেলেছে। তবে প্রমাণ হয়েছে, জনগণ পাশে থাকলে কোনো ষড়যন্ত্র কাজ দেয় না। গতকাল গণভবনে দলের কার্যনির্বাহী সংসদের সভার শুরুতে বিএনপির ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম ও হেফাজতে ইসলামের ঢাকায় সমাবেশের পর অবস্থান করার প্রসঙ্গ তুলে তিনি এসব কথা বলেন। ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরার পরবর্তী ঘটনা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমাকে বারবার সংগ্রাম করতে হয়েছে। প্রতিনিয়ত মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়াতে হয়েছে। আমার বাবার হত্যাকারী হুদা-রশীদকে নিয়ে ইত্তেফাকে মঈনুল হোসেন পার্টি করেছে। ফারুককে এরশাদ হেলিকপ্টার দেয়। বেগম জিয়া হুদা-রশীদকে সংসদে বসিয়েছেন। আমার রাজনীতি শেষ করতে খুনিদের বারবার ব্যবহার করা হয়েছে।
দেশে ফিরে দলের নেতৃত্ব নেয়া প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, যাদের নিয়ে যাত্রা শুরু করি তাদের অনেকেই চলে গেছেন। রাজনৈতিক প্রতিটি পদক্ষেপে আওয়ামী লীগই পথ দেখিয়েছে। তাই এই সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। মায়ের ভাষা, স্বাধীনতা আওয়ামী লীগই দিয়েছে।
তিনি বলেন, কেউ ভোগের জন্য রাজনীতি করে। কিন্তু আওয়ামী লীগের রাজনীতি দেয়ার জন্য। আওয়ামী লীগ দিয়েই যাবে। যারা আগামীতে নেতৃত্ব দেবে তাদের বলব, ভোগ নয়, ত্যাগের আদর্শ নিয়ে চলতে হবে।
নিজের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনটি স্মরণ করে বলেন, দেখতে দেখতে ৩২টি বছর পার হয়ে গেছে। শুধু আন্দোলন-সংগ্রাম করে গেলাম। এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, পঁচাত্তরের পরে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে লাখো মানুষ দেখলাম। কিন্তু প্রিয় মুখগুলো দেখিনি।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে আমি সবসময় বলেছি, দেশে সামরিকতন্ত্র নয়, গণতন্ত্র থাকবে। অনেকেই এতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। কিন্তু আমি বলেছি, আমি যা বলেছি ঠিকই বলেছি। সেনাবাহিনীতে কোনো বিধবার কান্না শুনতে চাই না।
পঞ্চদশ সংশোধনী প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছি। এর চেয়ে বেশি কিছু চাই না।
এর আগে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামও প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, বাহাত্তরের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিল সুখের দিন। কিন্তু ’৮১ সালে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সুখকর দিন ছিল না। দেশ ছিল দিশেহারা। আজকে দেশের সব অর্জন শেখ হাসিনার এবং আওয়ামী লীগের। এর আগে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দলীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। শেখ হাসিনার সূচনা বক্তব্যের পর কার্যনির্বাহী কমিটির রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বৈঠক চলছিল।