Amardesh
আজঃঢাকা, শনিবার ১৮ মে ২০১৩, ২০১৩, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০, ৭ রজব ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২.০০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

আমার নায়ক : ‘জাহিদ ভাইয়ের সঙ্গে অভিনয়ের সময় নার্ভাসনেস কাজ করত’

« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
আজ থেকে শুরু হলো আমাদের নতুন বিভাগ ‘আমার নায়ক’। এই বিভাগে আমাদের অভিনেত্রীরা তাদের অভিনয় জীবনের নায়কদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরবেন। আজ রিচি সোলায়মান কথা বলেছেন তার নায়কদের নিয়ে—

জাহিদ হাসান
আমি আসলে সবার বিপরীতে কাজ করতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। তেমনি জাহিদ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতেও আমার ভালো লাগে। নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে আমি জাহিদ ভাইয়ের বিপরীতে অনেক নাটকে কাজ করেছি। প্রথম দিকে তার সঙ্গে অভিনয় করতে গেলে আমার মধ্যে এক ধরনের নার্ভাসনেস কাজ করত। কিন্তু জাহিদ ভাই আমাকে সহজ করে নিয়েছেন বলে দ্রুতই সে ভয় হাওয়ায় মিলিয়ে যায়। জাহিদ ভাই আসলে অনেক খোলা মনের একজন মানুষ। তিনি শুধু আমার সহশিল্পীই নন, পছন্দের অভিনেতাও। তার সঙ্গে কাজ করতে গেলে তিনি কখনোই আমাকে এটা ফিল করতে দেননি যে, তিনি অনেক বড় আর্টিস্ট আর আমি তার অনেক জুনিয়র। একজন সহশিল্পী হিসেবে তিনি সহযোগিতাপরায়ণ। শুটিংয়ের সময় আমি কখনও দেখিনি কোনো পরিচালক তার অভিনীত চরিত্র নিয়ে তাকে কোনো পরামর্শ দিয়েছেন। গুণী অভিনেতা বলে তিনি নিজে নিজেই ক্যারেক্টারাইজেশন করে নিজের মতো করে আলাদা একটি চরিত্র দাঁড় করিয়েছেন।
মাহফুজ আহমেদ
আমার ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে আমি মাহফুজ ভাইয়ের সঙ্গে খুব বেশি কাজ করিনি। তবে গত কয়েক বছরে তার সঙ্গে আমার বেশকিছু কাজ হয়েছে। মাহফুজ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তার সবচেয়ে যে বড় গুণটি আমি দেখতি পেয়েছি তা হলো—তিনি অনেক ধৈর্যশীল। কোনো কাজ নিজের মনঃপূত না হওয়া পর্যন্ত তিনি চেষ্টা চালিয়ে যেতে ক্লান্তি অনুভব করেন না। প্রয়োজনে একটি ‘টেক’ তিনি বারবার দিতে পারেন। কাজ করার সময় তিনি অন্য এক মাহফুজ হয়ে যান। শুটিংয়ের সময় তাকে কখনও কখনও শিশুর মতো মনে হয়েছে। একবার না পারলে শিশুদের মতোই বার বার চেষ্টা করেন।
মীর সাব্বির
সাব্বির আমার ভালো বন্ধুদের একজন। ওকে আমি ‘দোস্ত’ বলে ডাকি। শুটিংয়ের অবসরে ও সবাইকে মাতিয়ে রাখতে পছন্দ করে। কিন্তু যখন সেটে প্রবেশ করে তখন সে খুব সিরিয়াস। সেই সময় বোঝার উপায় থাকে না যে, এই ছেলেটিই একটু আগে সবাইকে হাসি-আনন্দে মাতিয়ে রেখেছিল।
আনিসুর রহমান মিলন
মিলন ভাই অনেক ভালো একজন অভিনেতা। আমি তার সঙ্গে অনেক কাজ করেছি। ওকে আমার ‘গড গিফটেড’ একজন আর্টিস্ট মনে হয়। কোনো রকমের রিহার্সেল ছাড়া তাত্ক্ষণিক সে সুন্দর করে একটি চরিত্র দাঁড় করিয়ে ফেলতে পারে। আমি আদর করে ওকে ‘মামস’ বলে ডাকি। সেও আমাকে ‘মামস’ ডাকে।
আরমান পারভেজ মুরাদ
মুরাদ ভাইয়ের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাও অনেক সুন্দর। এই মুহূর্তে মনে পড়ছে তার সঙ্গে ‘নাবিলাচরিত’ শিরোনামের একটি ধারাবাহিকে কাজ করেছি। সে কাজের জন্য আমি দর্শকদের দারুণ রেসপন্স পেয়েছি। মুরাদ ভাই সুইট একজন মানুষ। সুন্দর করে কথা বলেন। নিজের কাজ নিয়ে তাকে একটা অতৃপ্তিতে ভুগতে দেখেছি সারাক্ষণ। অভিনয় করার সময় তিনি বারবারই বলেন, ‘আমার কিছুই হচ্ছে না।’ কাজ নিয়ে তার এই যে অতৃপ্তি, পাশাপাশি ভালো কাজের প্রতি তার যে আকাঙ্ক্ষা, এটা আমাকে অনেক ভাবিয়েছে।