Amardesh
আজঃ শনিবার ১৯ জানুয়ারি ২০১৩, ৬ মাঘ ১৪১৯, ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৪    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 বিশেষ আয়োজন
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রস্তাব : তাজরীন অগ্নিকাণ্ডে দায়ীদের বিচার ও আমিনুল হত্যার তদন্ত দাবি

ডেস্ক রিপোর্ট
« আগের সংবাদ
সাভারের তাজরীন গার্মেন্টে অগ্নিকাণ্ডের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। এছাড়া গত বছরের এপ্রিলে সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত গার্মেন্ট শ্রমিক নেতা আমিনুল হত্যার যথাযথ তদন্ত দাবি করেছে বাংলাদেশের তৈরির পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার নিয়ন্ত্রণকারী এ সংসদ। বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় পার্লামেন্টে গৃহীত এক প্রস্তাবে এসব দাবি জানানো হয়।
২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশের গার্মেন্টে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৬০০ শ্রমিক নিহত হয়েছে জানিয়ে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট বলেছে, দুর্ঘটনার অনেকগুলোই রোধ করা সম্ভব ছিল।
প্রস্তাবে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে নিরাপদ কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা, শ্রমিক ইউনিয়ন করার অধিকার দেয়া, গ্রহণযোগ্য ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ এবং শ্রমিকদের জন্য কল্যাণমূলক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মূলত তাজরীন ফ্যাশনসে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বিতর্ক শেষে গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যাদের ‘ক্রিমিনাল’ অবহেলার কারণে তাজরীনে অগিকাণ্ড ঘটেছে তাদের বিচার করতে হবে। তাজরীনের পাশাপাশি ২৪ নভেম্বর করাচিতে গার্মেন্ট অগ্নিকাণ্ডে ২৮৯ শ্রমিক নিহত হওয়ার বিষয়টিও আলোচনা ও প্রস্তাবে গুরুত্ব পায়। ফ্রান্সের স্ট্রাসবার্গে এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রস্তাবে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কারখানাগুলোর নিরাপত্তার মান যাচাই করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কারখানার মালিকদের অবিলম্বে তাদের ভবনগুলোর বৈদ্যুতিক কাঠামো এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনার আহ্বান জানানো হয়। ইউরোপীয় ব্র্যান্ডগুলোকে তাদের সরবরাহ ব্যবস্থা বা সাপ্লাই চেইনে তীক্ষষ্ট অনুসন্ধান পরিচালনা এবং সাব-কন্ট্রাক্টরদের কাজের জায়গায় পেশাগত নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নয়নে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।
বেআইনিভাবে অথবা ভুয়া নিরাপত্তা সনদ জোগাড় করার কারণে প্রাণহানির মতো ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়। এ ধরনের দুর্নীতি মোকাবিলায় সব পক্ষকে উদ্যোগী হওয়ারও আহ্বান জানানো হয় প্রস্তাবে। প্রস্তাবটিতে বাংলাদেশ এবং অন্যান্য দেশে কারখানার নিরাপত্তা বিষয়ে ইউরোপীয় কমিশনকে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং প্রয়োজনে তা আরও সম্প্রসারণের কথাও বলা হয়।