Amardesh
আজঃ শনিবার ১৯ জানুয়ারি ২০১৩, ৬ মাঘ ১৪১৯, ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৪    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 বিশেষ আয়োজন
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

ফুল নয়, পিপার স্প্রে দিয়ে বিক্ষোভ ঠেকাব : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
বিরোধীদলসহ বিভিন্ন সংগঠনের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নামে ভাংচুর ও নৈরাজ্য বন্ধ করতে পুলিশ পিপার স্প্রে ব্যবহার করছে। বিক্ষোভ ঠেকাতে ফুলের মালা নয়, পিপার স্প্রে দিয়ে তাদের দমন করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর চাঁদপুরের কচুয়ায় এ কথা বলেছেন। চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, অবৈধ সমাবেশ দমনে পুলিশ ফুলের মালা নিয়ে যায় না। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:
কচুয়া (চাঁদপুর) : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান
আলমগীর বলেছেন, বিরোধী দলসহ বিভিন্ন সংগঠনের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নামে ভাংচুর ও নৈরাজ্য বন্ধ করতে পুলিশ পিপার স্প্রে ব্যবহার করছে। অবৈধ সভা-সমাবেশ, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী যেসব উপকরণ ব্যবহার করা হয়, পুলিশ সেগুলোই ব্যবহার করছে। কেউ অনৈতিক কাজ করলে পুলিশ তাদের দমন না করে, ফুলের মালা দেবে না। তিনি গতকাল সকালে চাঁদপুরের কচুয়া বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজের নবীনবরণ ও ড. জালাল আলমগীর বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
কচুয়া বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুনের সভাপতিত্বে এবং অধ্যক্ষ শাহ্ মো. জালাল উদ্দীনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক যুগ্ম সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া, কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী পাটওয়ারী, ভাইস চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন চৌধুরী সোহাগ, কামরুন্নাহার ভূঁইয়া প্রমুখ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একই দিনে কচুয়ার শূয়ারোল, বাতাপুকুরিয়া, আশ্রাফপুর ও জগতপুর গ্রামের অসহায় দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।
চট্টগ্রাম : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, অবৈধ সমাবেশ দমনে পুলিশ ফুলের মালা নিয়ে যায় না। এটা আশা করাও ঠিক না। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এক অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষক আন্দোলন ও বাম সংগঠনগুলোর হরতালে পুলিশের পিপার স্প্রে বা বিষাক্ত তরল পদার্থ ছিটানোর যৌক্তিকতা প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রীর এই বক্তব্যের সময় নৌবাহিনী প্রধান ও পুলিশ বাহিনী প্রধান উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্ত্যব্য পুলিশকে সাধারণ নাগরিকের ওপর অমানবিক আচরণে আরও বেপোরোয়া করে তুলবে বলে আশঙ্কা করছেন মানবাধিকার কর্মীরা। এছাড়া বেতন বৃদ্ধিতে শিক্ষক আন্দোলন ও তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাম সংগঠনগুলোর যৌক্তিক আন্দোলন নিয়ে মন্ত্রীর এই তাচ্ছিল্য ও উস্কানিমূলক বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে চট্টগ্রামের বাম নেতারা। নৌবাহিনীর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মখা আলমগীর বলেন, হরতালের সময় বামপন্থীরা অবৈধভাবে সমাবেশ করছিল। এতে করে জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। বাধ্য হয়ে জনগণের স্বার্থে পুলিশ অবৈধ সমাবেশকারীদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে এই ব্যবস্থা নেয়। অবৈধ সমাবেশে পুলিশ ফুলের মালা নিয়ে যাবে তা প্রত্যাশা করা উচিত নয়।