Amardesh
আজঃ শনিবার ১৯ জানুয়ারি ২০১৩, ৬ মাঘ ১৪১৯, ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৪    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 বিশেষ আয়োজন
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

সম্পর্কের গল্প

বিনোদন রিপোর্ট
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
দীর্ঘদিন পর নতুন কোনো ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী মুনিরা ইউসফু মেমী। এ নাটকে তার ছোট বোনের চরিত্রে অভিনয় করছেন ছোট পর্দার এই সময়ের সম্ভাবনাময় অভিনেত্রী রিক্তা। ধারাবাহিকটির শিরোনাম ‘সম্পর্ক’। গত বৃহস্পতিবার থেকে চঞ্চল এম রহমানের কাহিনী অবলম্বনে সাইদুল ইসলাম রানার নির্দেশনায় এই নাটকের শুটিং শুরু হয়েছে। মেমী বলেন, ‘পরিবারের নানা সমস্যাকে উপজীব্য করে এই নাটকের গল্প আবর্তিত হয়েছে। রিক্তা খুব চমত্কার অভিনয় করছে। আমার ছোট বোনেরই মতো সে অভিনয় করছে। নির্মাতা হিসেবে রানাও বেশ পরিপকস্ফ।’ অন্যদিকে মেমীর সঙ্গে অভিনয় করা নিয়ে রিক্তা বলেন, ‘মেমী আপুর সঙ্গে এটা আমার প্রথম কাজ। খুব চমত্কার মনের মানুষ তিনি। আমাকে খুব সহযোগিতা করছেন। আশা করি এই নাটকটি অনেক ভালো হবে। আর তা দর্শকরাও গ্রহণ করবেন।’ উল্লেখ্য, গুণী অভিনেতা-নির্দেশক আরিফুল হকের নির্দেশনায় ‘থিয়েটার’ ও ‘ঢাকা পদাতিক’ যৌথভাবে ১৯৮৬ সালে মঞ্চস্থ করেছিল ‘নীল দর্পণ’ নাটকটি। এই নাটকেই অভিনয়ের মাধ্যমে মঞ্চ নাটকে মুনিরা ইউসুফ মেমীর অভিষেক ঘটে। এরপর জমিদার দর্পণ, ক্ষত বিক্ষত, সাত ঘাটের কানাকড়ি, মহাপুরুষ, রাক্ষসীসহ বেশকিছু মঞ্চ নাটকে তিনি অভিনয় করেন। টেলিভিশনে মেমীর প্রথম নাটক ছিল মমতাজ উদ্দিন আহমেদের রচনা ও মোস্তফা কামাল সৈয়দের প্রযোজনায় ‘এই সেই কণ্ঠস্বর’। নায়িকা হিসেবে তার প্রথম অভিনীত নাটক খ ম হারুনের প্রযোজনায় ‘ফিরিয়ে দাও অরণ্য’। এরপর তার কথা আমার কথা, কোন কাননের ফুল, কেউ ফেরে কেউ ফেরেনাসহ আরও কিছু টিভি নাটকে অভিনয় করে মেমী নিজেকে দর্শকদের মাঝে জানান দেন ভিন্নমাত্রায়। সাম্প্রতিক সময়ে তাকে টিভি নাটকে খুব বেশি একটা দেখা যায় না। তবে গত কোরবানির ঈদে তিনি তিনটি নাটকে অভিনয় করেছিলেন। নাটকের পাশাপাশি মুনিরা ইউসুফ মেমী এ পর্যন্ত তিনটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তা হচ্ছে—মতিন রহমানের ‘মন মানে না’, তানভীর মোকাম্মেলের ‘লাল সালু’ ও স্বপন আহমেদের ‘লাল টিপ’। আর রিক্তা এই মুহূর্তে শাহাদাত হোসেন সবুজের নির্দেশনায় ডেইলি সোপ ‘জননী’-এ অভিনয় করছেন। ভালো চলচ্চিত্রে কাজের স্বপ্ন তারও রয়েছে। তবে এর আগে অভিনয়ে দক্ষ হয়ে ওঠার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন রিক্তা।