Amardesh
আজঃঢাকা, মঙ্গলবার ৮ জানুয়ারি ২০১৩, ২৫ পৌষ ১৪১৯, ২৫ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

বিশ্বব্যাংক মূল কাজ বাদ দিয়ে অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকে : মসিউর

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান বলেছেন, বিশ্বব্যাংক মূল কাজ বাদ দিয়ে অন্য কিছু নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকে। যমুনা বহুমুখী সেতু নির্মাণেও একই পন্থা অবলম্বন করেছিল বিশ্বব্যাংক। যমুনায় সেতু নির্মাণ করা হলে পাখি আসা কমে যাবে এমন অজুহাতে প্রায় ২০ বছর সময় নষ্ট করে সংস্থাটি। গতকাল পরিকল্পনা কমিশনের এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রস্তাবিত গঙ্গা ব্যারাজ প্রকল্প নিয়ে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় মূল কাজ বাদ দিয়ে আনুষঙ্গিক কাজ না করতে তিনি বিশ্বব্যাংককে পরামর্শ দেন।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানিসম্পদ ও পলী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য ড. আবদুস সাত্তার মণ্ডল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠান শেষে পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মসিউর রহমান পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ভূমিকার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক আমার সম্পর্কে কি অভিযোগ করেছে তা আমি জানি না। আপনারা যদি জানেন কাগজে লিখে দেন। বিশ্বব্যাংক বলেছে, তুমি কাজ করো না।। আপনারাও একই কথা বলেছেন। যেসব কাগজ আমার বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশন করেছে তারা ভুল করেছে। আমি এখন আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি, আপনারা কাগজে ছাপিয়ে দিন, মসিউর রহমানের বিরুদ্ধে কিছু পাওয়া যায়নি। এখন তাকে দেশের সেবা করা ও সরকারের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রাখা ঠিক হবে না।
ছুটি শেষে আবার কাজে ফিরেছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মসিউর রহমান বলেন, বিশ্বব্যাংককে জিজ্ঞাসা করুন। এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে সংস্থাটি আমাকে ছুটিতে পাঠাতে চাইলেও আমার মাথাটা অবশ করেনি। সব সময়ই মাথা কাজ করছে। এজন্য আমি আমার কাজ করে যাচ্ছি।
উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর পদ্মা সেতু প্রকল্পের সততা বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয় ড. মসিউর রহমানকে। এরপর গত বছর পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ঋণ চুক্তি বাতিল করে তারা। পরবর্তীতে মসিউরসহ সংশ্লিষ্টদের ছুটিতে পাঠানো ও নিরপেক্ষ তদন্ত করার শর্তে পদ্মা সেতু প্রকল্পে নতুন করে সম্পৃক্ত হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় সংস্থাটি। এ অনুযায়ী দু’দফা ছুটিতে পাঠানো হয় মসিউর রহমানকে। দ্বিতীয় দফা বাড়ানো ছুটির মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ৩১ ডিসেম্বর। এর আগেই পরিকল্পনা কমিশনসহ সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণের অভিযোগ ওঠে।