Amardesh
আজঃঢাকা, মঙ্গলবার ৮ জানুয়ারি ২০১৩, ২৫ পৌষ ১৪১৯, ২৫ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

খুলনায় বিএনপি নেতা মনাসহ ৩৮ নেতাকর্মীর হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন লাভ

খুলনা অফিস
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
গত ডিসেম্বরে অবরোধ ও হরতালে পুলিশের সঙ্গে সংঘাত এবং বেবি ট্যাক্সি ভাংচুরের পৃথক দুই মামলায় খুলনা জেলা কারাগারে আটক বিএনপির ৩৮ নেতাকর্মী সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ থেকে ৬ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন লাভ করেছেন। গতকাল বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের আদালতে শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর হয়।
জামিনপ্রাপ্তদের মধ্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও খুলনা জেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এসএম শফিকুল আলম মনা, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, মহানগর বিএনপির কোষাধ্যক্ষ এসএম আরিফুর রহমান মিঠু, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, জাসাসের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান দীপু, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা টিটু কাজী প্রমুখ রয়েছেন।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু এমপি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের জামিন লাভের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ৯ ডিসেম্বর দৌলতপুরে অবরোধ চলাকালে সংঘাতের ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলা এবং ১৩ ডিসেম্বর হরতাল চলাকালে নগরীর খালিশপুর থানায় বেবি ট্যাক্সি ভাংচুরের অভিযোগে দায়ের করা অপর মামলায় জেলা কারাগারে আটক ৩৮ জন ৬ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন।
আসামিপক্ষে জামিনের শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এমপি এবং ব্যারিস্টার রাকিব রউফ চৌধুরী।
উল্লেখ্য, গত ৯ ডিসেম্বর ১৮ দলীয় জোট আহূত অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে নগরীর দৌলতপুর মহসিন মোড়ে বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিনা উসকানিতে পুলিশের বাধা প্রদান, লাঠিচার্জ, গুলিবর্ষণ ও টিয়ার শেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সেখানে বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন। ওই রাতেই পুলিশ বাদী হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ১৩ ডিসেম্বর দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতাল চলাকালে নগরীর বয়রা জিপিও’র সামনে বেবি ট্যাক্সি ভাংচুরের ঘটনায় খালিশপুর থানায় আরও একটি মামলা হয়। পুলিশ ১০ ডিসেম্বর রাতে অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনাকে তার বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে এবং এজাহারভুক্ত না হওয়া সত্ত্বেও দৌলতপুর থানায় দায়েরকৃত মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখায়।