Amardesh
আজঃঢাকা, মঙ্গলবার ৮ জানুয়ারি ২০১৩, ২৫ পৌষ ১৪১৯, ২৫ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

যুবলীগ নেতা আলম চঞ্চলের ভয়ে তটস্থ রেলওয়ের কর্মকর্তারা

চট্টগ্রাম ব্যুরো
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
মাদারীপুর, সিলেটের পর রেলওয়ে সিআরবি প্রধান কার্যালয় এখন দুর্নীতিবাজদের নিয়ন্ত্রণে। যুবলীগ নেতা আলম-চঞ্চলের ভয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রধান কার্যালয় সিআরবি ভবনের কর্মকর্তারা তটস্থ। সম্প্রতি রেলওয়ের আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন এই যুবলীগ নেতা নামধারী চঞ্চল ও আলম ৩৩ লাখ টাকা।
গত ২২ ডিসেম্বর ছিল ক্যাটারিং সংক্রান্ত সরবরাহকারীদের দরপত্র খোলার দিন। দুই যুবলীগ নেতা বাণিজ্যিক বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ক্যাটারিং সরবরাহের দায়িত্ব তাদের দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। কিন্তু রেলওয়ের নিয়ামানুযায়ী সংশ্লিষ্ট যুবলীগ নেতাদের প্রচলিত নিয়ম মেনে দরপত্রে অংশ নেয়ার অনুরোধ করলে তারা তা প্রত্যাখ্যান করে। পরে বিভিন্নমুখী চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে ২২ ডিসেম্বর দরপত্র খোলার দিন বাতিল করে দিতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে তারা আগের সরবরাহকারীদের বাধ্য করে তাদের সঙ্গে সমঝোতা সৃষ্টি করতে। বাধ্য হয় রেলওয়ের বিভিন্ন ট্রেনে খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মালিকরা সমঝোতা করতে। এজন্য তাদের প্রদান করতে হয়েছে ৩৩ লাখ টাকা। এ নিয়ে সিআরবি রেলওয়ে সদর দফতরে চলছে তোলপাড়। এছাড়া প্রকৌশল বিভাগ, স্টেট বিভাগে চলছে তাদের দাপট। রেলওয়ের নিয়োগেও তারা চাপ সৃষ্টি করছে নিরাপত্তা বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, উল্লেখিত দু’জন যুবলীগ নেতা রেলমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি।
উল্লেখ্য, সাবেক রেল ও যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেনের সময় ছিল মাদারীপুরের দাপট। সুরঞ্জিত সেন রেলমন্ত্রী হওয়ার পর তার এপিএস ও সিলেটের কয়েকজন আওয়ামী লীগ এবং যুবলীগের দাপট। বর্তমান যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সময় তেমন দাপট না থাকলেও বর্তমান রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের আমলে শুরু হয়েছে কুমিল্লার দাপট।