সাগরে ১১ জেলেকে হত্যা করে ট্রলার লুট : পালানোর পথে আটকা পড়ল জলদস্যুরা
কক্সবাজার প্রতিনিধি
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
কক্সবাজার ও বরগুনা জেলার ১১ জেলেকে হত্যা করে ট্রলার নিয়ে পালানোর পথে জলদস্যুদের একটি ট্রলার বঙ্গোপসাগরের ইনানী চ্যানেলে পাটুয়ারটেক পয়েন্টে আটকা পড়েছে। পুলিশ আটকা পড়া ট্রলারটি জব্দ করেছে এবং ট্রলার থেকে হামিদুল হক নামের এক রোহিঙ্গা জলদস্যুকে আটক করে। সে মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মৃত ছৈয়দ আকবরের ছেলে। রোববার রাতে ট্রলারটি সাগরের পাটুয়ারটেকের পাথরের স্তূপে আটকা পড়ে।
ধৃত জলদস্যু হামিদুল হক পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে, তারা বরগুনার সোনারচর সমুদ্র চ্যানেল থেকে ট্রলারটি ছিনতাই করে মিয়ানমারে নিয়ে যাচ্ছিল। ট্রলারে থাকা ১১ জন জেলেকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে সাগরে ভাসিয়ে দেয়। হত্যা করে সাগরে ফেলে দেয়া জেলেদের মধ্যে কয়েকজন হলেন—বরগুনা পাথরঘাটার মহিপুর গ্রামের বেলাল
(১৮), সৈয়দ আলম মাঝি (৬০), সোহাগ (১৮), জাফর (৩৫), আব্বাস (২০), বাবুল মিস্ত্রি (৪২), কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার ঘটিভাঙ্গা গ্রামের জসিম উদ্দিন (২১)। অন্যদের নাম জানা যায়নি।
জলদস্যুরা ২ জানুয়ারি ট্রলারটি ছিনতাই করে জেলেদের হত্যা করেছিল।
কক্সবাজারের উখিয়া থানাধীন ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ইনচার্জ) উপ-পরিদর্শক সাঈদ মিয়া সাংবাদিকদের জানান, বরগুনা জেলার সোনার চর দ্বীপ এলাকা থেকে জলদুস্যরা ১১ জন মাঝি মাল্লাকে হত্যার পর ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও মাছধরার সামগ্রী লুট করে সমুদ্রপথে মিয়ানমারে পালিয়ে যাচ্ছিল। উখিয়ার পাটোয়ারটেক নামক স্থানে ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় ট্রলারটি আটকা পড়ে।
তিনি জানান, স্থানীয় জেলেদের সহযোগিতায় ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়। ওই ট্রলার থেকে রোহিঙ্গা জলদস্যু হামিদকে গ্রেফতার করা হয়। অন্য জলদস্যুরা পালিয়ে যেতে সমর্থ হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা সাঈদ মিয়া জানান, ধৃত জলদস্যু দীর্ঘ তিন বছর ধরে কক্সবাজার শহরের পিটিআই স্কুল সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করে আসছিল।
ধৃত রোহিঙ্গা জলদস্যু হামিদুল হক পুলিশকে জানায়, বরগুনার পাথরঘাটা এলাকার বাবুল ও সেন্টুর মালিকানাধীন ট্রলারটি ১ জানুয়ারি ১৬ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে মাছ ধরতে সাগরে যায়। তাদের মধ্যে ৫ জন রোহিঙ্গা ও ১১ জন বাংলাদেশী ছিলেন।
সে জানায়, জেলেদের সোনারচর ও গুলিরদার এলাকায় হত্যা করা হয়।
জলদস্যু হামিদুল হকের দাবি, এ হত্যাকাণ্ডে কক্সবাজার শহরের কলাতলীর আলী চাঁন, মহিপুর পাথরঘাটার শাহীন, মিয়ানমারের বশির, সব্বিরসহ অন্য জলদস্যুরা জড়িত ছিল। তবে ওই হত্যাকাণ্ডে সে নিজে জড়িত ছিল না বলেও দাবি করে।
উখিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ফারুক আহমদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ট্রলার নিয়ে পালানো ‘জলদস্যু’ ৫ রোহিঙ্গাই বাংলাদেশী জেলেদের কুপিয়ে সাগরে ফেলে দেয়। ধৃত জলদস্যু এই কথা স্বীকার করলেও হত্যাকাণ্ডে সে জড়িত নয় বলে দাবি করে। তবে পুলিশের ধারণা সেও হত্যাকাণ্ডে জড়িত।
তিনি জানান, এই ঘটনায় কক্সবাজারে কোনো মামলা হবে না। ঘটনাস্থল বরগুনা অথবা পটুয়াখালীতে মামলা হবে।
ধৃত জলদস্যু হামিদুল হক পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে, তারা বরগুনার সোনারচর সমুদ্র চ্যানেল থেকে ট্রলারটি ছিনতাই করে মিয়ানমারে নিয়ে যাচ্ছিল। ট্রলারে থাকা ১১ জন জেলেকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে সাগরে ভাসিয়ে দেয়। হত্যা করে সাগরে ফেলে দেয়া জেলেদের মধ্যে কয়েকজন হলেন—বরগুনা পাথরঘাটার মহিপুর গ্রামের বেলাল
(১৮), সৈয়দ আলম মাঝি (৬০), সোহাগ (১৮), জাফর (৩৫), আব্বাস (২০), বাবুল মিস্ত্রি (৪২), কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার ঘটিভাঙ্গা গ্রামের জসিম উদ্দিন (২১)। অন্যদের নাম জানা যায়নি।
জলদস্যুরা ২ জানুয়ারি ট্রলারটি ছিনতাই করে জেলেদের হত্যা করেছিল।
কক্সবাজারের উখিয়া থানাধীন ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ইনচার্জ) উপ-পরিদর্শক সাঈদ মিয়া সাংবাদিকদের জানান, বরগুনা জেলার সোনার চর দ্বীপ এলাকা থেকে জলদুস্যরা ১১ জন মাঝি মাল্লাকে হত্যার পর ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও মাছধরার সামগ্রী লুট করে সমুদ্রপথে মিয়ানমারে পালিয়ে যাচ্ছিল। উখিয়ার পাটোয়ারটেক নামক স্থানে ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় ট্রলারটি আটকা পড়ে।
তিনি জানান, স্থানীয় জেলেদের সহযোগিতায় ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়। ওই ট্রলার থেকে রোহিঙ্গা জলদস্যু হামিদকে গ্রেফতার করা হয়। অন্য জলদস্যুরা পালিয়ে যেতে সমর্থ হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা সাঈদ মিয়া জানান, ধৃত জলদস্যু দীর্ঘ তিন বছর ধরে কক্সবাজার শহরের পিটিআই স্কুল সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করে আসছিল।
ধৃত রোহিঙ্গা জলদস্যু হামিদুল হক পুলিশকে জানায়, বরগুনার পাথরঘাটা এলাকার বাবুল ও সেন্টুর মালিকানাধীন ট্রলারটি ১ জানুয়ারি ১৬ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে মাছ ধরতে সাগরে যায়। তাদের মধ্যে ৫ জন রোহিঙ্গা ও ১১ জন বাংলাদেশী ছিলেন।
সে জানায়, জেলেদের সোনারচর ও গুলিরদার এলাকায় হত্যা করা হয়।
জলদস্যু হামিদুল হকের দাবি, এ হত্যাকাণ্ডে কক্সবাজার শহরের কলাতলীর আলী চাঁন, মহিপুর পাথরঘাটার শাহীন, মিয়ানমারের বশির, সব্বিরসহ অন্য জলদস্যুরা জড়িত ছিল। তবে ওই হত্যাকাণ্ডে সে নিজে জড়িত ছিল না বলেও দাবি করে।
উখিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ফারুক আহমদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ট্রলার নিয়ে পালানো ‘জলদস্যু’ ৫ রোহিঙ্গাই বাংলাদেশী জেলেদের কুপিয়ে সাগরে ফেলে দেয়। ধৃত জলদস্যু এই কথা স্বীকার করলেও হত্যাকাণ্ডে সে জড়িত নয় বলে দাবি করে। তবে পুলিশের ধারণা সেও হত্যাকাণ্ডে জড়িত।
তিনি জানান, এই ঘটনায় কক্সবাজারে কোনো মামলা হবে না। ঘটনাস্থল বরগুনা অথবা পটুয়াখালীতে মামলা হবে।
-
শেষের পাতা

সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া











