Amardesh
আজঃঢাকা, মঙ্গলবার ৮ জানুয়ারি ২০১৩, ২৫ পৌষ ১৪১৯, ২৫ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

দিল্লিতে আবারও তরুণী ধর্ষণের পর হত্যা

শফিকুল ইসলাম, কলকাতা
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
আবারও ভারতের রাজধানী দিল্লি লাগোয়া নয়ডার রাস্তার ধারে মিলল তরুণীর অসাড় দেহ। মৃত তরুণীর মায়ের অভিযোগ, তার মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ রুজু করেছে।
এদিকে নাটকীয় মোড় আর তীব্র বাদানুবাদের পর অবশেষে দিল্লি ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ক্যামেরার সামনে শুরু হলো বিচারপর্ব। গতকাল দিল্লির আদালতে বিচারক ক্যামেরার সামনে বিচারের কথা ঘোষণা করে মামলার সঙ্গে সরাসরি যারা যুক্ত নন, তাদের আদালত থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন।
এদিন সকালেই অভিযুক্তদের আদালত চত্বরে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে দুপুর ২টার আগে তাদের এজলাসে আনা হয়নি। তার আগেই সেখানে শুরু হয়ে গেছে নাটকীয়তা। তীব্র কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন আইনজীবীরা। এক আইনজীবী এগিয়ে এসে জানান, তিনি অভিযুক্তদের হয়ে লড়বেন। তার আবেদন আদালতে খারিজ হয়ে যাওয়ার পর আরও দু’জন জানান, তারা ‘অ্যামিকাস কিউরি’ হিসেবে এই মামলায় লড়তে চান। এই আবেদনের প্রেক্ষিতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এজলাস।
সাকেত বার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানানো হয়েছিল, তাদের কোনো সদস্য অভিযুক্তদের হয়ে সওয়াল করবেন না। কিন্তু আইনজীবী মোহনলাল শর্মা জানান, অভিযুক্তদের পরিবারের তরফে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তাই তিনি তাদের হয়ে সওয়াল করতে চান। সে সময়েই অন্যান্য বিচারপতিরা চিত্কার করে বিরোধিতা করতে থাকেন। বলেন, প্রচার পেতেই শর্মা এই আবেদন জানাচ্ছেন।
শর্মাকে বিচারক নম্রিতা আগরওয়াল বলেন, তিহার জেলে গিয়ে অভিযুক্তদের সম্মতি নিয়ে আসতে। শর্মা জানান, ওকালতনামায় অভিযুক্তদের সই আনতে তিনি তিহার জেলে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে সেখানে ঢুকতে দেয়া হয়নি। তাই বিচারকের কাছে আদালতেই অভিযুক্তদের সম্মতিসূচক সই করার অনুমতি চান আগরওয়াল। কিন্তু বিচারক তার আবেদন খারিজ করে জানিয়ে দেন, তিহারে গিয়েই সম্মতি নিয়ে আসতে হবে।
এর ফলে মামলাটি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে পাঠানোর প্রক্রিয়ায় দেরি হয়ে যায়। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, তাদের হাতে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ এসেছে। এ সবের পর বিচারক ক্যামেরার সামনে বিচারপর্বের পক্ষে অনুমতি দেন। জানান, মামলা সংক্রান্ত কোনো নথি আদালতের অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করা যাবে না।