Amardesh
আজঃঢাকা, মঙ্গলবার ৮ জানুয়ারি ২০১৩, ২৫ পৌষ ১৪১৯, ২৫ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

১৯ মাসে পাঁচবার জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি : সরকারের ৪ বছরের ব্যর্থতার নজির

ষ হুমায়ুন কবির অ্যাডভোকেট, জজকোর্ট, সিরাজগঞ্জ : বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য স্থিতিশীল থাকা সত্ত্বেও দেশের বাজারে একশ্রেণীর মানুষের ভাগ্য বদলানোর জন্য তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে জনজীবনে নীতিবাচক প্রভাব পড়বে। জ্বালানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় সবকিছুর মূল্য বৃদ্ধি পাবে যা জনগণের ক্রয়সীমার বাইরে চলে যাবে। সরকারের প্রতি জোর দাবি করছি, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি বাতিল করা হোক। নতুবা জনগণের আন্দোলনের মুখে এই সরকারের পতন অনিবার্য।
ষ আবু মো. মোস্তফা রুমী ব্যবসায়ী, শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ : দেশপ্রেম বিবর্জিত বিশ্বচোর আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার একের পর এক নৃশংস হত্যা, গুম, অপহরণ, ধর্ষণ, মিডিয়া দলন, ব্যাংক লুট ও বিচার বিভাগের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ করে দেশকে অন্ধকারাছন্ন করে ফেলেছে। একই সঙ্গে গণতন্ত্রকে বিপন্ন করে সর্বগ্রাসী দুর্নীতির মাধ্যমে সারা দেশে ভয়াবহ নৈরাজ্য সৃষ্টি করে চলছে। যার ফলে সারা বিশ্বজুড়ে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। সেদিক থেকে দেশবাসীর দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরানোর জন্যই বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দাম স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও মহাদুর্নীতি মতলববাজ সরকার পরিকল্পিতভাবে বার বার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে দেশের জনগণের দুর্ভোগ বাড়িয়ে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করছে।
ষ মো. বিল্লাল হোসাইন কবিরাজ, খুলনা, বাগেরহাট : ৫ বার জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানোর জায়গায় ২৫ বার বাড়ালেও সরকারের কিছু আসে যায় না। কারণ এর ফলে সরকার কষ্ট করে না। কষ্ট করে সাধারণ জনগণ। ১৯ মাসে ৫ বার তেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে সরকারের ৪ বছরের ব্যর্থতার বড় প্রমাণ।
ষ এসএম শাহজাহান ব্যবসায়ী, ফরিদপুর : বার বার জ্বালানির দাম বাড়িয়ে সরকার মানুষকেই কষ্ট দিচ্ছে না। রীতিমত দুর্নীতিকেও প্রশ্রয় দিচ্ছে। আমার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীকে, আপনারা যে ওয়াদা করেন দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়বেন, তাহলে কেন দুর্নীতি থেকে বাঁচার জন্য দায়মৃক্তি বিল আনেন। সত্যিই যদি দেশকে ভালোবাসেন তাহলে দুটি পদক্ষেপ নিন। সংবিধান থেকে দায়মুক্তি বিল প্রত্যাহার করা আর বিচার বিভাগকে নগ্ন হস্তক্ষেপ থেকে দূরে রাখা। আপনারা যে শুধু মিথ্যা দেশপ্রেমিক, তা আমরা অশিক্ষিত হলেও বুঝি। এখন সেই অদিম যুগ নেই।
ষ মাওলানা মো. আবদুর রহিম শিক্ষক, ব্রাহ্মণবাজার, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার : গণতন্ত্রের লেবাসে হাসিনা সরকার স্বৈরশাসকের মতো গণদাবিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তত্ত্বাবধয়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল, ডিসিসি ভাগ, পদ্মা সেতু দুর্নীতি, ডেসটিনি-হলমার্ক কেলেঙ্কারি, কুইক রেন্টাল দুর্নীতি ও ভিন্নমত দমনে বিরোধী দলের ওপর নির্যাতনের স্টিম রোলার চালানো, সাংবাদিক হত্যা-নির্যাতন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম লাগামহীন বৃদ্ধি অনায়াসে করে যাচ্ছে। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে এসব মহাদুর্নীতি করা ছিল তাদের নির্বাচনী ইশতেহার। আওয়ামী লীগের ইতিহাসে কখনও কোনো মানুষের হৃদয়ের আকুতি বোঝার দৃষ্টান্ত নেই। এরা তো নিজেদের আখের গোছানোর জন্য পাঁচ বছর যথেষ্ট মনে করছে না।
ষ শফিকুল ইসলাম চাকরি, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা : ১৯ মাসে ৫ বার যে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে তা আসলে দুঃখের কথা। আর ১৯ মাসে সরকারের কাঠামো ভেঙে পড়েনি, সেটা সরকারের পরম ভাগ্য। কিন্তু বর্তমানে ভেঙে পড়ার জন্য বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না এ ছাদহীন জাতিকে। যখন কোনো বাঘিনী ক্ষুধার্থ হয়ে উঠে তখন তার সামনে যা আসে সে সবকিছু খেয়ে ফেলতে পারে। এমনকি সমাজের কর্ণধার মানুষগুলোকেও। বর্তমান সরকারপ্রধান ও সরকারের উচ্চ মহলের লোকগুলো একই পথে হাঁটছে। শুধু জ্বালানি তেলের দাম নয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মানুষের নাগালের বাইরে। সবকিছু মিলিয়ে বর্তমান সরকার এমন এক পর্যায়ে উপস্থিত হয়েছে, যেখানে মানুষ নামে অমানুষ বাস করে।
ষ সাইফুল ইসলাম তানভীর চাকরিজীবী, মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট : কোনো অবৈধ শক্তি কোনোভাবে কল্যাণময় কাজ করতে পারে না। বর্তমান আওয়ামী সরকার একটি নীলনকশার মাধ্যমে অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছে। নির্বাচনের সময় একটি কেন্দ্র থেকে আমি সেই নীলনকশার আলামত পেয়েছিলাম। যেহেতু তারা অবৈধ রাস্তায় ক্ষমতায় এসেছে, সে অনুযায়ী তারা হাজারো রকমের দুর্নীতি করতে করতে তাদের সাহস বেড়ে গেছে। তেলের মূল্য বার বার বৃদ্ধির জন্য জনগণ সরকারের ওপর ক্ষেপেছে। এই দুর্নীতিবাজ সরকারকে জনগণ অন্দোলনের মাধ্যমে তাড়াবে।
ষ মুবিন ব্যবসায়ী, উত্তরা, ঢাকা : বর্তমান সরকার জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করেছে তাদের আগামী নির্বাচনের প্রয়োজনীয় খরচ বের করার জন্য।
ষ দিদারুল ইসলাম দিদার ব্যবসায়ী, ৭ নং কাটাছড়া ইউনিয়ন, মিরসরাই, চট্টগ্রাম : এই সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের অযোগ্যতা ও অদক্ষতার কারণে বার বার জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাদের অদক্ষতার দায় জনগণের ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছে। এই সরকার সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ। জনগণের রোষানল থেকে বাঁচতে হলে এখনও সময় আছে কেয়ারটেকার সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিদায় নেয়ার।
ষ মো. ইদ্রিস শিক্ষক, জামিয়া রাব্বানিয়া মাদরাসা, ঝালকুড়ি, নারায়ণগঞ্জ : আমাদের মুসলমানদের আমল নষ্ট হওয়ার কারণে আল্লাহ তায়ালা এই জালিম সরকার নিযুক্ত করে দিয়েছেন। এ কারণে বার বার তেলের দাম বাড়িয়ে মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে বর্তমান আওয়ামী সরকার। তাই আমরা যদি প্রত্যেকে নিজেদের ভুলের জন্য তওবা করি তাহলে এই জালিম সরকার থেকে আল্লাহপাক আমাদের রক্ষা করবেন।
ষ তারেক রহমান শিক্ষার্থী, মিঠাপুকুর, রংপুর : সরকার না ভেবে না জেনে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করেছে। এর প্রতিবাদে আরও কঠোর আন্দোলন করা উচিত।
ষ সৈয়দ আবুল কালাম আজাদ ব্যবসায়ী, নাজিরহাট, বাউরিয়া, সন্দ্বীপ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের নির্দেশে শেখ হাসিনার সূর্যসন্তান ছাত্রলীগ চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছে নিরীহ বিশ্বজিেক। তেমনি দানব হাসিনা সরকার ১৯ মাসে ৫ বার জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করে চাপাতির কোপের মতো ক্ষত-বিক্ষত করেছে কৃষক, শ্রমিক, কামার, কুমার, দিনমজুরসহ নিরীহ গরিব মেহনতি মানুষের জীবনযাত্রাকে।
ষ মো. নাসির উদ্দিন চাকরি, ফার্মগেট, ঢাকা : জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের ঘুম হারাম করে দিয়েছে বর্তমান সরকার। তেলের দাম বাড়ানোর কারণে বাসা ভাড়াসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আমাদের নাভিশ্বাস করে তুলবে।
ষ মো. সোলাইমান ইসলাম ব্যবসায়ী, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম : রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে অর্থ আত্মসাতের মাধ্যম কুইক রেন্টাল বিদ্যুত্ প্লান্টের জ্বালানির জোগান দেয়ার জন্য আমদানি অতিরিক্ত জ্বালানি তেলে ভর্তুকি প্রদান ও লুটপাটের মাধ্যমে জনগণের টাকা নিজেদের পকেটস্থ করা। জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা না করে জনগণের অর্থে নিজেদের আখের গোছানোর জন্য রক্তচোষা রাষ্ট্রদ্রোহী আওয়ামী লীগ সরকার ঘন ঘন জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করছে।
ষ মাওলানা আলমগীর হোসেন মাদরাসা শিক্ষক, মীরআলীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী : বর্তমান সরকার আগামী নির্বাচনের জন্য ফান্ড তৈরি করতে তাদের মেয়াদের শেষ পর্যায়ে পঞ্চমবারের মতো তেলের দাম বাড়িয়েছে। যা তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার প্রমাণ।
ষ মাওলানা আশরাফ আলী রাঙ্গুনিয়া, রাঙামাটি : জ্বালানি তেল হচ্ছে দেশের অন্যতম চাহিদা শক্তি। দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা মানে সব উত্পাদনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা। জনগণের ওপর দুর্ভোগ চাপিয়ে দেয়া। যার প্রমাণ মহাজোট সরকার ভর্তুকির ধুয়া তুলে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করার গ্রহণযোগ্য কোনো কারণ নেই। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়েনি। সরকারের রাষ্ট্রীয় অপচয়, দুর্নীতি, লুটপাট টেন্ডারবাজিসহ সব অপকর্ম আড়াল করতেই তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস। আর বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত সহজ-সরল, তাই শাসক গোষ্ঠী জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে দেশের মানুষকে স্তব্ধ রাখার চেষ্টা করছে। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিরোধী দলের হরতাল সময়ের দাবি ছিল। শুধু হরতাল নয়, দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে সব অপকর্মের জবাব দিতে হবে।
ষ এম জে কে শাহজাহান ছাত্র, সুনামগঞ্জ : সরকার বেসামাল হয়ে পড়েছে। ৪ বছরের কুকর্মকে জায়েজ করার জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে দুর্নীতিতে চাম্পিয়ন হয়নি। কুইক রেন্টাল থেকে হলমার্ক পর্যন্ত হাজার হাজার কোটি টাকা গেল কোথায়, তা জাতি জানতে চায়।
ষ ওয়াহিদ উল্লাহ মজুমদার মানিক ব্যবসায়ী, শান্তিনগর, ঢাকা : এটা সরকারের হঠকারী সিদ্ধান্ত। এই জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে মন্ত্রী-এমপিদের কিছু আসে যায় না। কষ্ট হয় জনগণের। এর তীব্র নিন্দা জানাই।
ষ ইয়াকুব খান বাবু চেয়ারম্যান, দেশবাংলা মাল্টিপারপাস কোঅপারেটিভ সোসাইটি লি., মিয়াখাননগর, দক্ষিণ বাকুলিয়া, চট্টগ্রাম : বার বার জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশের মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটতে পারে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল। ঠিক তেমন একটি সময়ে তেলের দাম বাংলাদেশে বাড়ানো হলো, এটি পুরো মূল্যস্ফীতিকে উস্কে দেবে। যার আঘাত গিয়ে বাংলাদেশের মেহনতি অসহায় কৃষকদের ওপর পড়বে।
ষ মো. আবু বকর মেসার্স মাসুদ এন্টারপ্রাইজ, খাতুনগঞ্জ, চট্টগ্রাম : জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির উদ্দেশ্য হলো আগামী নির্বাচনের জন্য মন্ত্রী-এমপিদের টাকা জোগাড় করা। কারণ আগেও তো সরকার ভর্তুকি দিয়ে চালিয়েছে। তারা দাম বাড়ায়নি।
ষ হাফেজ মো. আবু সাঈদ চাকরিজীবী, মেলান্দহ, জামালপুর : আমরা জানি অকটেন ও পেট্রলের ওপর সরকার ভর্তুকি দেয় না। তারপরও সব জ্বালানির দাম বাড়ানো জনগণের ওপর জুলুম ছাড়া কিছু নয়। এ সরকার জনগণের ওপর জুলুম করতেই বারবার জ্বালানির দাম বাড়াচ্ছে।
ষ হাজী মো. নাসির ব্যবসায়ী, হাজারীবাগ, ঢাকা : বার বার জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ঘটনায় আমি ক্ষোভ প্রকাশ করছি। এভাবে দাম বাড়ালে তা দেশের সাধারণ জনগণের জন্য ভয়াবহ রূপ নেবে।
ষ হাফেজ আলাউদ্দিন শিক্ষক, মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট : এ সরকার ক্ষমতায় আসার আগে বলেছিল ঘরে ঘরে চাকরি দেয়া হবে। ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াবে এবং বিনামূল্যে সার দেবে। কিন্তু বর্তমান ডিজিটাল দুর্নীতিবাজ সরকারের হলমার্ক, ডেসটিনি, পদ্মা সেতু খাওয়ার পর মন্ত্রীদের পকেট ভরা শেষ হয়নি। তাই ১৯ মাসের মধ্যে পঞ্চম বারের মতো জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে জনগণের পকেট কেটে তারা নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহ করছেন। এই পকেটমার সরকার যত দ্রুত ক্ষমতা থেকে বিদায় নেবে, জনগণের জন্য ততই মঙ্গল হবে।
ষ মো. হাকিম কর্মজীবী, কালীগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ : ৫ বার জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে। আর কতবার দাম বাড়ালে সরকারের মন ভরবে? সরকারের আত্মীয়-স্বজন ব্যবসায়ীদের লাভবান করানোর জন্যই এই দাম বাড়ানো। তা না হলে তেল আটকিয়ে রেখে গভীর রাতে দাম বাড়ানোর ঘটনা আগে দেখিনি।
ষসালেহ আহমদ ব্যবসায়ী, সিলেট : জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিরোধী দল হরতাল ডাকায় খালেদা জিয়াকে উন্মাদ বলেছেন অর্থমন্ত্রী। আসলে তিনি নিজেই উন্মাদ। তিনি কখন কী বলেন নিজেই জানেন না। তার লজ্জা থাকলে পদত্যাগ করত।
ষ মো. মোশাররফ হোসেন ব্যবসায়ী, চাঁদপুর : ১৯ মাসে ৫ বার জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে। সরকারের শেষ সময়ে নির্বাচনী ব্যয় জোগাড় করার জন্যই এই দাম বাড়ানো হয়েছে বলে আমি মনে করি।
ষ দেলোয়ার হোসেন দেলু মানবাধিকার কর্মী, নারায়ণগঞ্জ : দেশীয় উদ্যোক্তাদের উত্পন্ন পণ্য রফতানি আর প্রবাসীদের রেমিটেন্স মিলে বছরে বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রা আয় প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার। যা একদিনে দাড়ায় ১১শ’ কোটি ডলারের কাছাকাছি। আইএফএমের কাছ থেকে এক কিস্তিতে সরকার ১৪শ’ কোটি ডলার ঋণ নিয়ে ৫ম বারের মতো জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। ফলে দেশের ১৬ কোটি মানুষের কাঁধে চাপছে দ্রব্যমূল্য ও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির এক বিশাল বোঝা। মহাজোট সরকার হোঁচট খেয়েছে দিন বদলের নির্বাচনী ইশতেহারে। আমরা চাই, ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে মহাজোট সরকার নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করে পদত্যাগ করুক।
ষ খবির উদ্দিন আলম ব্যবসায়ী, ইয়াছিন হাজির বাজার, চাটখিল, নোয়াখালী : শেয়ারবাজার দুর্নীতি, ডেসটিনি দুর্নীতি, পদ্মা সেতু দুর্নীতি আর হলমার্ক কেলেঙ্কারির কারণে বর্তমান সরকার দেশ-বিদেশে একটি কলঙ্কিত সরকার হিসেবে পরিচিত। নাগরিক জীবনের মান এবং নাগরিক সুবিধা বলতে যা বোঝায় তা শুধু বাস্তবায়ন হচ্ছে তাদের জন্যই। সাধারণ জনগণের বসবাসের নিরাপদ আবাসভূমি বর্তমান বাংলাদেশ নয়। তাই বিদেশি কোম্পানিগুলো বিনিয়োগে সাহস পাচ্ছে না। হাত গুটিয়ে নিচ্ছে দাতা সংস্থা। ১৯ মাসে ৫ বার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে সরকারও পাল্লা দিয়ে জনগণের রক্তচোষার মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে নিত্যপণ্যের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এ সরকার দুর্ভিক্ষবাজ সরকার। জনসাধারণের কাছে বর্তমান সরকার মানেই আমড়া কাঠের ঢেঁকি। তাই একযোগে সবাই এদের না বলুন।
ষ মো. ফরিদউদ্দিন রিকশাচালক, সিলেট : সরকার মহাদুর্নীতি করেও তার টাকা ভাগ-বাটোয়ারায় কম পড়ে যাচ্ছে। সেজন্য সরকার ৫ বার জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে। অবিলম্বে এই দাম না কমালে জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
ষ জাকির হোসেন উজ্জ্বল ব্যবসায়ী, মৌলভীবাজার : ২০০৮ সালের নির্বাচনে যখন আওয়ামী লীগ সরকার বিপুলভাবে জয়লাভ করল ঠিক তখন মানুষ বিনামূল্যে সার, ১০ টাকা কেজি চাল ও ঘরে ঘরে চাকরি পাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে রইল। কিন্তু আজ যখন এগুলো মানুষের সাধ্যের বাইরে চলে গেল, তখন মনের অজান্তেই সুর উঠল ‘ভালোবাসা আসবে বলে খুলে দিলাম দরজাটাকে, মন থেকে সুখ আমার পালিয়ে গেল এই ফাঁকে।’ গত ৩ জানুয়ারি মধ্যরাতে হঠাত্ বৃদ্ধি পেল তেলের দাম। পেট্রল ও অকটেন লিটারে ৫ টাকা বেড়ে যথাক্রমে ৯৬ ও ৯৯ টাকা এবং ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৭ টাকা বেড়ে ৬৮ টাকা হয়। বর্তমান সরকার তাদের কৃষিবান্ধব সরকার হিসেবে ঘোষণা করলেও আজ পর্যন্ত তার কোনো প্রমাণ দিতে সক্ষম হয়নি। সরকারের তরফ থেকে লাগামহীন বক্তৃতা এলো যে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তার বিন্দুমাত্র ভিত্তি নেই। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এখনও নিম্নমুখী। ২০০৬ সালে যখন চারদলীয় জোট ক্ষমতা আরোহণ করে তখন পেট্রল ও অকটেনের দাম ছিল ৫৬ ও ৫৮ টাকা। ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ছিল ৩৩ টাকা। মাত্র ৬ বছরের মধ্যে তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি আমাদের অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেক পিছিয়ে নিয়ে যাবে।
ষ মোহাম্মদ হাসান শিক্ষার্থী, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : সরকার তাদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য এই মূল্য বৃদ্ধি করেছে। এর ফলে অর্থনৈতিক সঙ্কট আরও বাড়বে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাবে। বাড়বে জনগণের ভোগান্তি।
ষ রাহিনুল ইসলাম স্বাধীন শিক্ষার্থী, বগুড়া : সরকারের ব্যর্থতাকে আড়াল করতেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে।
ষমাহবুবুর রহমান নিপু শিক্ষক, হাটখোলা স্কুল, বি-বাড়ীয়া : নিত্যপণ্যের দামবৃদ্ধিতে জনজীবন দিশেহারা। সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই। তারা এখন ব্যস্ত বিরোধী দল দমনে। এ সরকারের আমলে ৪ বছরে বিভিন্ন পণ্যের দাম দুই থেকে তিন গুণ বেড়েছে। ২০০৮-এর নির্বাচনে তারা বলেছিল ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াবে। আর এখন কী অবস্থা! সরকারের দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৬ কোটি জনগণের কথা বিবেচনা করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানাই।
ষ ঈমান আলী ভুট্টো চাকরিজীবী, জগবন্ধু, কমলনগর, লক্ষ্মীপুর : বর্তমান সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নীতি আর রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল নামে সরকার দলীয় লোকদের সহজে টাকা কামানোর ব্যবস্থা করতেই কিছু দিন পরপর জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করে জনজীবনের ওপর দুর্ভোগ বৃদ্ধি করছে। সরকারের এই ভুল সিদ্ধান্তে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাবে। তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে জনগণের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। জনগণের মনের কথা বুঝতে পেরে বিরোধী দল হরতাল ডাকাতে আমাদের স্বনামধন্য অর্থমন্ত্রী বিরোধী দলকে কটাক্ষ করে উন্মাদের দল হিসেবে সমালোচনা করেন। আসলে আমাদের কাছে মনে হয়, কিছু দিন পরপর তেলের দাম বাড়ানোটাই হলো উন্মাদীয় ব্যবস্থা। অর্থমন্ত্রী অর্থনীতি, শেয়ারবাজার, হলমার্ক নিয়ে যেসব উন্মাদীয় শব্দ—রাবিশ, ফটকাবাজার বলে নিজেকে যে উন্মাদের পরিচয় দিয়েছেন, এ ধরনের হবুচন্দ্র রাজার গবুচন্দ্র মন্ত্রী থেকে জাতি মুক্তি চায়।
ষ মো. ইউসুফ শিক্ষক, চকরিয়া, কক্সবাজার : যারা শেয়ারবাজার ডাকাতি করতে পারে তারা ১৬ কোটি জনগণকেও মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে চাঁদাবাজি করতে পারে। অবৈধ কুইক রেন্টালের ভর্তুকি পুষিয়ে নিতেই তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রকৃত গণতান্ত্রিক বিরোধী দল থাকলে এই মূল্যবৃদ্ধি প্রতিহত করা যেত।
ষ হাফেজ মো. শফিকুল ইসলাম শিক্ষক, নরসিংদী : ৫ বার কেন ৫০ বার জ্বালানির মূল্য বাড়ালেও সরকারের কোনো যায় আসে না। কারণ তারা পাজেরো গাড়িতে চলবে। ভোগান্তিতে পড়বে নিরীহ জনগণ। তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়ে যাবে। এই মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত খুবই অমানবিক।
ষ মো. জাকির হোসেন শিক্ষার্থী, কারমাইকেল কলেজ, রংপুর : জ্বালানির দাম বৃদ্ধি অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত। বর্তমান সরকার তার মেয়াদের ১৯ মাসে ৫ বার জ্বালানির দাম বাড়িয়ে হ্যাটট্রিক করতে চায়। কারও সর্বনাশ কারও পৌষ মাস। অর্থের টান পড়লেই সরকার জনগণের ঘাড়ে বাড়তি ব্যয়ের বোঝা চাপিয়ে দেয়। কৃষিপ্রধান রাষ্ট্রে আমরা কৃষক—এটাই আমাদের সারপ্রাইজ। ধান-পাটের দাম নেই, ডিজেল ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি। জনগণের প্রতি সংবেদনশীলতা থাকলে সরকার কি দফায় দফায় তাদের ঘাড়ে বাড়তি ব্যয়ের বোঝা চাপাতে পারে? এটা যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা।
ষ আফরোজা আক্তার নাদিরা রাজাবাড়ি, উত্তরখান, ঢাকা : মানুষের দেহের একটি অংশে ক্ষুদ্র একটি ফোঁড়া কিংবা মশার কামড়ে যেমন সারা শরীরে ব্যথা অনুভূত হয়, ঠিক একটি রাষ্ট্রেও জ্বালানির সঙ্গে সম্পৃক্ত নেই এমন কোনো অংশ নেই। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি অর্থাত্ জীবনযাত্রার মান নিশ্চয়তার মূল্যও বৃদ্ধি। আমাদের মতো দেশে এই অতিরিক্ত মূল্যভার বহন করার ক্ষমতা সাধারণ মানুষের আছে কিনা তা সরকারের দেখার কোনো বিষয় নয়। কারণ রাজকোষ থেকে যেভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সরকারি দলের নেতাকর্মীরা, তাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি তাদের গায়ে খুব একটা লাগার কথা নয়। নিষ্পেষিত হব আমরা জনগণ। নিজেদের মুক্তির জন্য নিজেদেরকেই পথ খুঁজে বের করতে হবে। বিগত দিনে কোথায় ভুল করেছি যার মাশুল আজ আমাদের দিতে হচ্ছে। আর ভুল করা চলবে না।
ষ কাজী আবু মো. খালেদ নিজাম চাকরিজীবী, মরিয়মনগর, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম : বিশ্ববাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল থাকা সত্ত্বেও দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় জনজীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাবে, শিল্প খাতে উত্পাদন ব্যয় বাড়বে। এমনিতেই জনগণ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে হাঁফিয়ে উঠেছে। ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হতে পারে। যানবাহনের ভাড়া তো ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে গেছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর আগে জনগণের মাঝে এর প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে ভাবা উচিত ছিল। কারণ সব সরকারই জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। সর্বোপরি জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে।
ষ মো. জিয়াউদ্দিন চাকরিজীবী, মিরেরসরাই, করেরহাট, চট্টগ্রাম : সরকার অতীতের সব ইতিহাস ভঙ্গ করে নজিরবিহীনভাবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। সাধারণ মানুষ কীভাবে জীবন-যাপন করবে? এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষসহ সরকারের ভেতরেরও অনেক লোক ক্ষুব্ধ।
ষ আবদুল মজিদ সরদার চেয়ারম্যান-দক্ষিণ বাঙ্গালপাড়া যুব উন্নয়ন সমবায় সমিতি, ব্রিহাঙ্গারু, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ : এ সরকারের ১৯ মাসে ৫ বার জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে বোঝা যাচ্ছে সরকারের কোষাগার শূন্য হয়ে গেছে। নির্বাচনী বছরের মাথায় এমন কোনো সরকার নেই যে তারা জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চায়। কারণ জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে সব কিছুর দাম বাড়ে। তারপরও জেনেশুনে সরকার কেন এই মূল্য বৃদ্ধি করছে তা সাধারণ মানুষের বোধে আসে না। এতেই বোঝা যায় সরকার জনগণের সঙ্গে কতটা সম্পৃক্ত আছে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের লোকজন এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত আছে। আমরা আশা করব, সরকার তার এই জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করবে।
ষ ওয়াহিদ মুরাদ লেখক, স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর : ১৯ মাসে ৫ বার জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি অবশ্যই দেশের জনগণের জন্য দুঃখজনক খবর। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ মানুষ। তারা দিন আনে দিন খায়। এই গরিব মানুষগুলোর সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা জরুরি। অথচ তারা বারবার তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অতিরিক্ত খরচ করতে বাধ্য হচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, অতিরিক্ত আয় হচ্ছে না। আমরা বিনীতভাবে সরকারের কাছে আবেদন রাখব—কোনোক্রমেই যেন আর তেলের দাম বৃদ্ধি করা না হয়। বৃদ্ধি হলে সাধারণ জনগণের আয় বৃদ্ধির পথও বের করুন।

ষ রাব্বুল ইসলাম খান চাকরি, আমলা, মিরপুর, কুষ্টিয়া : সরকার শুধু উপর্যুপরি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি, উপর্যুপরি জনগণের মনের জ্বালানিও বাড়িয়েছে। চুরি করছে সরকার অথচ ধরা পড়া চোরের শাস্তি হিসেবে ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে এদেশের জনগণকে। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার শেষ প্রান্তে এসে চুরির টাকা কিছুটা সমন্বয় করতেই জনগণের ওপর অত্যাচার করে রাজস্ব বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে। সেজন্যই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য স্থির থাকলেও আমাদের সরকার স্থির থাকতে পারল না তেলের মূল্য বৃদ্ধি না করা পর্যন্ত। সম্পূর্ণ অযৌক্তিকভাবে সরকার এভাবে দফায় দফায় সবকিছুর মূল্য যতই বৃদ্ধি করেছে, সরকারের প্রতি জনগণের আস্থাও দফায় দফায় ততই কমে গিয়েছে। আগামী নির্বাচনে জনগণের কল্যাণ কামনা করে এই সরকারের দেয়া কোনো চটকদার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি জনগণ আর বিশ্বাস করবে না।
ষ মিসেস সেলিনা ইলিয়াস বড় জামে মসজিদ রোড, ঝিকরগাছা পৌরসভা, যশোর : দেশে কেরোসিন, ডিজেল ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৮০ শতাংশ। আর এরাই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। বাকি ২০ শতাংশ অকটেন, পেট্রল এবং ফার্নেস অয়েল ব্যবহারকারী। এ দেশের ব্যাংক থেকে লুট হওয়া সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকাকে যিনি সামান্য কিছু টাকা বলে মন্তব্য করেছেন, তাকে এরই মধ্যে এ দেশের মানুষ উন্মাদ মন্ত্রী নাম দিয়েছেন। সেই উন্মাদ মন্ত্রী বিএনপির হরতালকে উন্মাদের সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন। আমি তাকে মনে করিয়ে দিতে চাই, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৭ ডলার কমেছে। সেখানে আপনি তার উল্টোটি করলেন। দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে মনে করিয়ে দিতে চাই, সাধারণ মানুষের অর্থ কুইক রেন্টাল পদ্ধতিতে বিদ্যুত্ উত্পাদনের নামে লুটপাট বন্ধ করুন। শীত মৌসুমের সুযোগে আপনাদের লুটপাট আরও বেড়েছে, বেড়েছে লোডশেডিংও। সাধারণ মানুষ যে আশা নিয়ে আপনাকে ভোট দিয়েছিল তার উল্টো কাজটি আপনি করলেন। আগামী নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার মায়াকান্নায় দেশের মানুষ আর কাঁদবে না।

  • নাগরিক প্রতিক্রিয়া