শহীদ ফেলানী দিবসে জাগপার কর্মসূচি : সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বিনা চ্যালেঞ্জে মেনে নেয়া যায় না - ড. মঈন খান

স্টাফ রিপোর্টার « আগের সংবাদ
পরের সংবাদ» ০৭ জানুয়ারী ২০১৩, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন

বিএসএফের নৃশংসতার শিকার শহীদ ফেলানীর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি স্মরণে গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাগপা আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, সীমান্তে প্রতিদিন নিরপরাধ বাংলাদেশী নাগরিক হত্যাকে বিনা চ্যালেঞ্জে মেনে নেয়া যায় না। তিনি বলেন, যারা কথায় কথায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে, সেই আওয়ামী লীগ সরকার এখন নীরব কেন? যে স্বাধীনতা নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে পারে না, তা কখনোই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হতে পারে না। তিনি বিএনপি নেতা রফিকের অপহরণ ও হত্যার তীব্র নিন্দা জানান।
সভাপতির বক্তব্যে জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান বলেন, শহীদ ফেলানী আমাদের মা, আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি। তিনি বলেন, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ায় ফেলানী নয়—আমার মাতৃভূমি বাংলাদেশকেই গুলিবিদ্ধ করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। হিন্দুস্তানি হানাদাররা পাখির মতো আমাদের হত্যা ও অপহরণ করবে, এজন্য জাতি স্বাধীনতা সংগ্রাম করেনি। তিনি বলেন, ইন্ডিয়ান এজেন্ডা বাস্তবায়নে পিলখানা ট্র্যাজেডির নামে আমাদের দেশপ্রেমিক আর্মি ও বিডিআরকে পঙ্গু করে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এখন একটাই আওয়াজ—রুখো ভারত বাঁচাও দেশ—লাখো শহীদের বাংলাদেশ। তিনি আগ্রাসনবিরোধী সব রাজবন্দীর মুক্তির দাবি জানান। সভায় সঞ্চালক ও জাগপা সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুত্ফর রহমান বলেন, ভারতীয় আগ্রাসন, সেবাদাস শাসনের পতন ঘটিয়েই আমরা শহীদ ফেলানীর রক্তের ঋণ পরিশোধ করব। সভা শেষে কালো পতাকাবাহী একটি প্রতিবাদ মিছিল প্রেস ক্লাবের সামনে সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এনপিপি চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু, এনডিপি চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আবদুল মালেক চৌধুরী, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূইয়া। আরও বক্তব্য রাখেন শেখ জামাল উদ্দিন, শামীম আক্তার পাইলট, সানাউল্লাহ সানু, ইনসান আলম আক্কাছ, সাইফুল আলম, এসএম মনিরুল ইসলাম, মঞ্জুর হোসেন ঈসা, আবদুল আজিজ, নজরুল ইসলাম বাবলু, রাকিব হাসান রুবেল প্রমুখ।

সাপ্তাহিকী


উপরে

X