Amardesh
আজঃঢাকা, মঙ্গলবার ৮ জানুয়ারি ২০১৩, ২৫ পৌষ ১৪১৯, ২৫ সফর ১৪৩৪ হিজরী
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এখন মরণফাঁদ : চৌদ্দগ্রামে গত বছরে নিহত ৫২, আহত ৩ শতাধিক

মো. এমদাদ উল্লাহ, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা)
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ক্রমেই বেড়ে চলছে সড়ক দুর্ঘটনা। এতে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যাত্রীদের। ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল, অদক্ষ চালক, সড়কে খানাখন্দের বাইরেও আরও অন্তত ২০টি কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে যাত্রীবাহী ও মালবাহী যানবাহন। গত এক বছরে শুধু কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ৪৪ কিলোমিটার এলাকায় শতাধিক দুর্ঘটনায় ৫২ জন নিহত ও অন্তত ৩ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। সওজ সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কে সতর্কীকরণ বার্তা সংবলিত বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন থাকা সত্ত্বেও চালকরা তা মানছেন না। বাঁকের মধ্যে ৪০ কিলোমিটার গতিসীমা লঙ্ঘন করে চালানো হচ্ছে মালবোঝাই ট্রাক ও কভার্ডভ্যানসহ দ্রুতগামী গাড়িগুলো। এতে বাঁকের মধ্যে গাড়ি উল্টে পড়ে অথবা মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। চালকদের অদক্ষতার কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে। এছাড়া মাত্রাতিরিক্ত গতি, চালকের ক্লান্তি, বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ির গতি সম্পর্কে না জানা, ভুল ওভারটেকিং, ভুলভাবে মোড় নেয়া, চলন্ত অবস্থায় মোবাইল ফোনে কথা বলা, মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানো, দুটি গাড়ি একসঙ্গে পাশাপাশি চলা, চালকদের ভুল সঙ্কেত, ফিটনেসবিহীন গাড়ি, চালকের পরিবর্তে হেলপার দিয়ে গাড়ি চালানো, খানাখন্দ সড়ক, আবহাওয়াগত পরিস্থিতি, অতিরিক্ত বহন, চাকা ফাটা, ঝুঁকিপূর্ণ গতিরোধক, ঝুঁকিপূর্ণ ও সরু ব্রিজ-কালভার্ট সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচলে অন্তরায় হয়ে থাকে। গাড়ি ও চালক-হেলপাররা জানান, মহাসড়কে প্রতি মুহূর্তেই দ্রুতগতির গাড়িগুলো তুলণামূলক কমগতির গাড়িগুলোকে ওভারটেক করে। বিপরীত দিক থকে আসা গাড়ির গতি সম্পর্কে ধারণা না থাকায় প্রায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।