Amardesh
আজঃঢাকা, রোববার ৬ জানুয়ারি ২০১৩, ২৩ পৌষ ১৪১৯, ২৩ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

কেরানীগঞ্জে অগ্নিদগ্ধ হয়ে নারী ও শিশুসহ ১৩ জন আহত

ঢাকা জেলা প্রতিনিধি
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
কেরানীগঞ্জে অগ্নিদগ্ধ হয়ে নারী ও শিশুসহ ১৩ জন আহত হয়েছে। মান্দাইল বাজার এলাকার হাজী ফারুক মিয়ার সাততলা ভাড়াটিয়া বাড়ির চতুর্থ তলার ফ্লাটে শুক্রবার রাত দেড়টায় গ্যাসের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে। আহতদের মধ্যে ৫ জনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিত্সা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
জানা যায়, চতুর্থ তলার ভাড়াটিয়া কুদ্দুস মিয়া কসাইয়ের কাজ করেন। শুক্রবার রাতে তার স্ত্রী মোহসিনা বেগম রান্নাঘরে হাঁড়িতে কাচা চর্বি চড়িয়ে গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে চর্বি অতিরিক্ত গরম হয়ে রান্নাঘরে থাকা কাপড়চোপড়ে আগুন ধরে যায়। রাত দেড়টার দিকে বাড়ির কেয়ারটেকার ভাস্কর ধর আগুনের স্ফুলিঙ্গ দেখতে পায়। এ সময় তিনি চতুর্থ তলার ভাড়াটিয়া কুদ্দুসের পরিবারকে ডেকে তোলেন। তখন আগুন নেভাতে গিয়ে কেয়ারটেকার ভাস্কর ধর, কুদ্দুস কসাই, তার স্ত্রী মোহসিনা, মোহসিনার বোন ছালমা, তার ছেলে জামিল অগ্নিদগ্ধ হয়। তাদের উদ্ধার ও আগুন নেভাতে গিয়ে একে একে প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া আইনুল, তার ভাই বাদশা, মানিক, মনির, কুদ্দুস, রেজা, পারুল ও সাবিনা অগ্নিদগ্ধ হয়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত চিকিত্সার জন্য ঢাকা মেডিকেল ও স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এদের মধ্যে ৮ জনকে চিকিত্সা দিয়ে শনিবার সকালে বাড়ি নিয়ে আসা হয়েছে। কুদ্দুস, বাদশা, মানিক, আইনুল ও ভাস্কর ধরের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে তাদের চিকিত্সাধীন রয়েছে।
চতুর্থ তলার ভাড়াটিয়া অগ্নিদগ্ধ কুদ্দুস কসাই জানান, বাড়ির কেয়ারটেকারের চিত্কারে রাত দেড়টার দিকে ঘুম থেকে উঠে আগুনের সংবাদ পাই। বাসার সবাই মিলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। একপর্যায়ে আগুনের মধ্যে পানি ঢেলে দিলে তা আরও বেড়ে গিয়ে আমাদের শরীর ঝলসে যায়। আমাদের চিত্কারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে তারাও অগ্নিদগ্ধ হয়।