উপাচার্যের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ : চট্টগ্রামে ইউএসটিসি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
চট্টগ্রাম ব্যুরো
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
চট্টগ্রামের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব সাইয়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ইউএসটিসি) শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অনুষদ ও প্রশাসনিক ভবনের মূলফটকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেছে। উপাচার্যের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে গতকাল সকাল থেকে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। এ সময় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এম জাফর আলম, কোষাধ্যক্ষ আসাবুদ্দিনসহ বেশ কিছু কর্মকর্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের (এফবিএ) অব্যাহতি দেয়া শিক্ষককে পুনর্বহালের দাবিতে গতকাল সকাল থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে প্রতিটি ফ্যাকাল্টি ও প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে দেয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিভিন্ন সময় অনৈতিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহিষ্কার করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আবারও ব্যবসায় অনুষদের শিক্ষক সুরজিত সর্ববিদ্যাকে কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই ছাঁটাই করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক জানান, ইউএসটিসির ওপর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কোনো তত্ত্বাবধান না করায় শিক্ষকরা চাকরি হারানোর ভয়ে থাকেন। কেউ কিছু বলতেও পারেন না। উপাচার্যের মনগড়া বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এম জাফর আলম বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া উপাচার্যের কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনিই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। আমরা আলাদাভাবে কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারছি না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও তার ছেলে ইফতেখার ইসলামের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে কোনো শিক্ষা কার্যক্রমই ভালোভাবে চলতে পারছে না। সম্প্রতি ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের একজন শিক্ষককে কোনো কারণ ছাড়াই চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। হঠাত্ করে একজন কোর্সের শিক্ষককে ছাঁটাই করায় আমাদের শিক্ষাকার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বলেন, উপাচার্যের মনগড়া বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে। এফবিএ ফ্যাকাল্টির অব্যাহতি দেয়া শিক্ষককে পুনর্বহালের দাবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন ও প্রতিটি ফ্যাকাল্টি ও প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে দেয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিভিন্ন সময় অনৈতিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহিষ্কার করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আবারও ব্যবসায় অনুষদের শিক্ষক সুরজিত সর্ববিদ্যাকে কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই ছাঁটাই করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক জানান, ইউএসটিসির ওপর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কোনো তত্ত্বাবধান না করায় শিক্ষকরা চাকরি হারানোর ভয়ে থাকেন। কেউ কিছু বলতেও পারেন না। উপাচার্যের মনগড়া বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এম জাফর আলম বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া উপাচার্যের কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনিই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। আমরা আলাদাভাবে কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারছি না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও তার ছেলে ইফতেখার ইসলামের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে কোনো শিক্ষা কার্যক্রমই ভালোভাবে চলতে পারছে না। সম্প্রতি ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের একজন শিক্ষককে কোনো কারণ ছাড়াই চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। হঠাত্ করে একজন কোর্সের শিক্ষককে ছাঁটাই করায় আমাদের শিক্ষাকার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বলেন, উপাচার্যের মনগড়া বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে। এফবিএ ফ্যাকাল্টির অব্যাহতি দেয়া শিক্ষককে পুনর্বহালের দাবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন ও প্রতিটি ফ্যাকাল্টি ও প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে দেয়া হয়েছে।
-
শেষের পাতা

সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া







