ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদ : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলাকাবাসীর অবরোধের মূলে শিক্ষার্থীরা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি « আগের সংবাদ
পরের সংবাদ» ০৫ জানুয়ারী ২০১৩, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন

ক্যাম্পাস সংলগ্ন স্থানীয় বাসিন্দা জাকির হোসেনের বাড়িতে ছাত্রলীগের অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এলাকাবাসীর মারমুখী অবস্থানে উত্তাল হয়ে উঠেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। ক্যাম্পাস সংলগ্ন সালমানপুর গ্রামবাসীর হাতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে ৪টি আবাসিক হলে অবস্থানরত সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। গতকাল সকাল থেকেই ক্যাম্পাস অভিমুখে সবকটি রাস্তা অবরোধ করে আশপাশের সব দোকানপাট বন্ধ করে রেখেছে তারা। অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মীদের বিচারের দাবিতে এবং নিরাপত্তার দাবিতে ময়নামতি জাদুঘরের সামনে সমাবেশ করে গ্রামবাসী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নজরুল হলের সামনে মাইক্রোবাসের নিচে পড়ে একটি ছাগল মারা যায়। এতে ছাগলের মালিক জাকির হোসের মাইক্রোবাসের চালককে বেধড়ক মারধর করে। এ সময় হল থেকে তানভীর ও রেজা নামে দুই ছাত্র বাধা দিলে তারা ছাত্রদেরও মারধর করে। এ খবর আবাসিক হলে ছড়িয়ে পড়লে ছাত্ররা সংঘবদ্ধ হয়ে বিকালে জাকির হোসেনের বাড়ি যায়। তাকে না পেয়ে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা তার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়। একইদিন সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীরা অটোবাইকের ভাড়া কমানোর দাবিতে কয়েকটি অটো ও দোকানপাট ভাংচুর করে। এ ঘটনায় সালমানপুর গ্রামবাসী সবাই এক হয়ে গতকাল শনিবার ক্যাম্পাসের সামনের দোকানপাট বন্ধ করে সব রাস্তা অবরোধ করে রাখে। এতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে হলে অবস্থানরত সহস্রাধিক ছাত্র-ছাত্রী। দুপুরের দিকে এলাকাবাসী ময়নামতি জাদুঘরের সামনে জড়ো হয়ে সমাবেশ করে। অবিলম্বে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মীদের বিচার ও এলাকাবাসীর নিরাপত্তার দাবি জানায়। পরবর্তীতে বিকালে পুলিশ, শিক্ষক, ছাত্র প্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে বৈঠকে জাকির হোসেনকে জরিমানা প্রদানের শর্তে সমঝোতা হয়।

শেষের পাতা এর আরও সংবাদ

সাপ্তাহিকী


উপরে

X