গ্যাসক্ষেত্র উদ্বোধনে ৮ জানুয়ারি কোম্পানীগঞ্জে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি « আগের সংবাদ
পরের সংবাদ» ০৫ জানুয়ারী ২০১৩, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বাপেক্সের অনুসন্ধানে পাওয়া শাহজাদপুর-সুন্দলপুর গ্যাসক্ষেত্র জাতীয় গ্রিডে যোগ হলেও এলাকাবাসীর দাবি মূল্যায়ন না হওয়ায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। আগামী ৮ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর সফরের পরই এ অঞ্চলে গ্যাস সঙ্কট দূর হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। উত্পাদিত গ্যাস উপজেলায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেয়ার জন্যও চলছে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা। গ্যাস পাওয়ার দাবিতে এরই মধ্যে মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করলেও এসব দাবি না মানায় এলাকাবাসী কঠোর আন্দোলনে যাবে বলে হুমকি দেয়।
সূত্র জানায়, ৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানী লিমিটেডের (বাপেক্স) প্রকল্পের অধীনে ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে এ গ্যাসক্ষেত্রে কূপ খনন কাজ শুরু করা হয়। ২০১১ সালের অক্টোবর মাসে গ্যাস প্রাপ্তি নিশ্চিত হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষামূলক গ্যাস প্রজ্বলন করা হয়। পরীক্ষামূলক গ্যাস উত্তোলনের প্রায় পাঁচ মাস পর জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। এরই মধ্যে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সংযোজের জন্য বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেম লিমিটেড প্রায় ১৫ কিলোমিটার গ্যাস পাইপলাইনের কাজ সম্পন্ন করে। এর আগে গ্যাসক্ষেত্রের কূপ থেকে গ্যাস সরবরাহের জন্য প্রসেসিং ও ক্রিসমাস ট্রি মেশিন বসানো ও অন্যান্য কারিগরি কাজ সম্পন্ন করা হয়। এখন বাকি শুধু প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষা।
সিরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুর নবী চৌধুরী বলেন, এ ইউনিয়নে প্রাপ্ত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হলে সারা দেশ উপকৃত হবে। তবে এ ইউনিয়নের প্রায় ৭০ হাজার মানুষের প্রাণের দাবিকে অবশ্যই অগ্রাধিকার দিয়ে এ অঞ্চলে গ্যাস আগে দিতে হবে এবং তারপর জাতীয় গ্রিডে দিতে হবে। এলাকাবাসী আশা করছেন, আগামী ৮ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর ইউনিয়নের শাহজাদপুর-সুন্দলপুর গ্যাস ফিল্ড উদ্বোধন করে এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি—অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্থানীয়ভাবে গ্যাস সংযোগ প্রদান ও গ্যাস ফিল্ডকে শাহজাদপুর নামকরণ করে ঘোষণা দেয়া হোক।

শেষের পাতা এর আরও সংবাদ

সাপ্তাহিকী


উপরে

X