Amardesh
আজঃঢাকা, রোববার ৬ জানুয়ারি ২০১৩, ২৩ পৌষ ১৪১৯, ২৩ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ : চিটাগং চেম্বারের নির্বাচনে ১০৭০ ভুয়া ভোটার

চট্টগ্রাম ব্যুরো
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচন স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করতে এক হাজার ৭০ ‘ভুয়া’ ভোটার বাদ দিয়ে নতুন ভোটার তালিকা
তৈরির দাবি জানিয়েছে শিল্প-বণিক সমন্বয় পর্ষদ নামের ব্যবসায়ীদের একটি সংগঠন।
গতকাল চিটাগং ক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য শিল্প-বণিক সমন্বয় পর্ষদের আহ্বায়ক ও চেম্বারের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এসএম নুরুল হক বলেন, গত ৬ ডিসেম্বর চিটাগং চেম্বারের নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও উচ্চ আদালতের নির্দেশে তা ১ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। হাইকোর্ট যাচাই-বাছাই করে নতুন ভোটার তালিকার মাধ্যমে নির্বাচন অনষ্ঠানেরও নির্দেশ দিয়েছে। এর মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চেম্বার বোর্ডের মেয়াদ ৩ মাস বাড়িয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় চেম্বার কর্তৃপক্ষ ও চেম্বার নির্বাচনী বোর্ড বিতর্কিত ভোটার তালিকা বহাল রেখে সুকৌশলে কোটারি স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, চেম্বারের প্রায় ৭ হাজার ভোটারের মধ্যে এনবিআর এক হাজার ৭০ জন ভোটারের টিন ভুয়া বলে চিহ্নিত করেছে। বিশেষ একটি গ্রুপ নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও কলাকৌশলের মাধ্যমে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখতে অফিসের পিয়ন, দারোয়ান, ড্রাইভারকে ভুয়া ভোটার করেছে। এসব ভুয়া ভোটারের বিকল্প ভোটার হিসেবে ভোট দেয় বিশেষ গ্রুপটি। এভাবে তারা চেম্বারের মতো মর্যাদাশীল প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি চরমভাবে কলুষিত করছে।
এসএম নুরুল হক আরও বলেন, যেহেতু ৬ ডিসেম্বর নির্বাচন হয়নি এবং ভোটার তালিকা নতুন করে প্রকাশ করার নির্দেশ রয়েছে তাই আইনগতভাবে নতুন নির্বাচন হলে ২৪ জন পরিচালকের পদেই নির্বাচন হতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে ঐতিহ্যবাহী চেম্বারের সুনাম রক্ষা ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে ৬ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হচ্ছে চেম্বারের ভোটার তালিকায় ভুয়া কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিন) ভোটারদের বাদ দিয়ে নতুন তালিকা করা। সরকারি রাজস্ব ফাঁকির দায়ে এসব ভুয়া ভোটারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া। বিকল্প নমিনি বা প্রক্সি ভোটের বিধান বাতিল করে ‘নির্বাচন বাণিজ্যে’ জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা। প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি ও পার্টনারশিপ কোম্পানির সদস্য বোর্ড কার্যবিবরণীর মাধ্যমে ভোটার করা। ভোটার আইডি কার্ড চালু করা। বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা ১৯৯৪ পরিপন্থী সংবিধি সংশোধন এবং ভোটারদের ট্রেড লাইসেন্স যাছাই-বাছাই করা। সংবাদ সম্মেলনে শিগগির চেম্বারের বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করে এই ৬ দফা বাস্তবায়নের জোর দাবি জানানো হয়।
চেম্বারের সাবেক পরিচালকদের মধ্যে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি এরশাদ উল্লাহ, সাহাবউদ্দিন আহমেদ, মাঈন উদ্দিন, মোহাম্মদ মুছা, নূর মোহাম্মদ, নূর উদ্দিন, আবু হায়দার চৌধুরী আমজাদ, বিজিএমইএ’র সাবেক পরিচালক হেলাল উদ্দিন, জাফর উল্যাহ খান, খাতুনগঞ্জ আমির মার্কেট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম আজাদ, বিকডার পরিচালক ওমর ফারুক সবুজ প্রমুখ।