Amardesh
আজঃঢাকা, রোববার ৬ জানুয়ারি ২০১৩, ২৩ পৌষ ১৪১৯, ২৩ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

সরকারের দুর্নীতি অদক্ষতার জন্যই জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি : মওদুদ

স্টাফ রিপোর্টার
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর জন্য সরকারের দুর্নীতির পাশাপাশি অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনাকেও দায়ী করেছেন বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এমপি। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক কর্মসূচিতে তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে কালকে যে (রোববার) হরতাল ডাকা হয়েছে, তা হবে সবচেয়ে স্বতঃস্ফূর্ত ও সফল। সব শ্রেণী-পেশার মানুষের মনের দাবি এ হরতাল। আগামীতে বিদ্যুত্ ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ালে অসহযোগ কর্মসূচি দিতে আমরা বাধ্য হব।
প্রজন্ম একাডেমির উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি বলেন, সরকারের দুর্নীতির কারণেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। কুইক রেন্টাল একটি ভুল সিদ্ধান্ত, শুধু লুটপাটের জন্য কুইক রেন্টাল হয়েছে। সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে কোটি কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। আর এর দায় জনগণের ওপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে সবকিছুর দাম বাড়বে। অর্থনীতির সব ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব পড়বে বলেও মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, দুর্নীতি ও চুরি বন্ধ করে দক্ষতা বাড়ান, তাহলে আর তেলের দাম বাড়াতে হবে না। বর্তমান সরকারের আমলে পঞ্চম দফায় বৃহস্পতিবার ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম বাড়ানো হয়।
হরতাল আহ্বানকে উন্মাদের আচরণ বলে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, তিনি অনেক কথাই বলেন। আমি বলব, আপনার নিজের চেহারাটা আয়নার সামনে নিয়ে দেখুন, আর নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনার কোন মন্তব্যে কত মানুষের বাহবা পেয়েছিলেন। রোববার হরতালে কোনো ধরনের বাধা না দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান ব্যারিস্টার মওদুদ।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ও চ্যানেল ওয়ানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এই সমাবেশে তিনি বলেন, মির্জা ফখরুলকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে দমন-পীড়নের রাজনীতি চালু করেছেন। সব ক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। এরপরও যদি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চান, তাহলে ভুল করবেন। কালাম ফয়েজীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। বক্তব্য রাখেন আবু নাসের মো. রহমতুল্লাহ, মেজর (অব.) এমএম মেহবুব রহমান, মামুনুর রশীদ খান, সৈয়দ মোজাম্মেল হোসেন শাহীন, মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, এনামূল হক, আনোয়ার হোসেন মোমেন, মিয়া মো. আনোয়ার, তোফায়েল আহমেদ কায়সার, ইঞ্জিনিয়ার হেদায়েত আলী অরুণ, ইসতিয়াক আহমেদ বাবুল, এসএম কমর উদ্দিন প্রমুখ।