Amardesh
আজঃঢাকা, রোববার ৬ জানুয়ারি ২০১৩, ২৩ পৌষ ১৪১৯, ২৩ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

কাউন্সিল অব ইমিগ্রান্ট রাইটস যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের সব সহযোগিতা দেবে

নিউইয়র্ক প্রতিনিধি
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশী কমিউনিটির সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাসহ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য স্বীকৃত অধিকারগুলো ভোগ করার জন্য করণীয় স্থির করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে নিউইয়র্কে গঠিত হয়েছে ‘কাউন্সিল অব ইমিগ্রান্টস রাইটস’ সিআইআর নামে একটি নন-প্রফিট অরাজনৈতিক সংগঠন।
২৮ ডিসেম্বর রাতে সিটির ওজন পার্কে সংগঠনের অফিস ও আনুষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডের উদ্বোধনকালে সংগঠনের কর্মকর্তারা বাংলাদেশী আমেরিকানদের মূলধারায় সংশ্লিষ্ট করে ফেডারেল, স্টেট ও সিটির সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের জন্য সংগঠনটিকে কীভাবে কার্যকর করে তোলা সম্ভব তার ওপর বিস্তারিত আলোচনা করেন। কাউন্সিল অব ইমিগ্রান্টস রাইটসের সভাপতি নিউইয়র্কের অন্যতম বাংলাদেশী নির্মাণ ব্যবসায়ী আমিনুর রসুল জামশেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যত্ কর্মপরিকল্পনার আলোকপাত করেন কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লিম্যান ফেলিক্স ওরটিজ, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য ডা. মোতাসিম বিল্লাহ, ডা. ফজলুল হক, সংগঠনের সেক্রেটারি মোহাম্মদ রহিম, শহীদুল হক চৌধুরী, গাউস খান, হেলাল শেখ, মোহাম্মদ ইউসুফ, এনামুল হক, মো. কামাল, রনি প্রমুখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওজন পার্ক এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তি ছাড়াও নিউইয়র্কের অন্যান্য এলাকার বিশিষ্ট প্রবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।
এসেমব্লিম্যান ফেলিক্স ওরটিজ বলেন, আমেরিকাকে বলা হয় ‘ল্যান্ড অব অপরচ্যুনিটিজ’। কিন্তু এই সুযোগ ও অধিকার পাওয়ার জন্য দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। কেউ যদি মনে করেন, তিনি বৈষম্যের শিকার তাহলে বৈষম্যের কারণে যে তিনি বঞ্চিত হচ্ছেন, তা রোধ করার উপায়গুলো তাকে জানতে হবে এবং আইনানুগভাবে পদক্ষেপ নিলে কারও বৈষম্যের শিকার হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। অধিকার নিশ্চিত করতে হলে প্রত্যেককে আমেরিকার রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশে পরিণত হতে হবে এবং প্রত্যেকের কমিউনিটিকে শক্তিশালী করে তুলতে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি কাউন্সিল অব ইমিগ্রান্টস রাইটসের উদ্যোগে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।
মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, নিউইয়র্কে বাংলাদেশী কমিউনিটির সদস্য সংখ্যা যখন কম ছিল, তখন আমরা বৃহত্ অভিবাসী কমিউনিটির দুর্বৃত্তদের দ্বারা নানাভাবে নিপীড়িত হয়েছি। কিন্তু এখন আমাদের কমিউনিটি একটি বর্ধিষ্ণু ও গতিশীল কমিউনিটি। কিন্তু সংগঠিত না হওয়ার কারণে আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমরা সংগঠিত হলেই অন্য বড় কমিউনিটিগুলোর মতোই আমরা ফেডারেল সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সুবিধা লাভ করব। এ লক্ষ্যে গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে নিউইয়র্কের পাবলিক স্কুলগুলোতে মুসলিম ছাত্রদের জন্য হালাল খাবার সরবরাহ এবং দুই ঈদে মুসলিম ছাত্রদের ছুটির ব্যবস্থা করার উদ্যোগের অগ্রগতি সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করেন।