Amardesh
আজঃঢাকা, রোববার ৬ জানুয়ারি ২০১৩, ২৩ পৌষ ১৪১৯, ২৩ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

তাসমানিয়ায় ভয়াবহ দাবানল পালাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ

এএফপি, বিবিসি
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া দ্বীপে এক ভয়াবহ দাবানলে কমপক্ষে ৮০টি ভবন ধ্বংস ও কয়েক হাজার লোক অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। এ ঘটনায় আগুনে পুড়ে একজনের মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার পুলিশ জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়ায় শুক্রবার এ দাবানল শুরু হয়। দেশটির অধিকাংশ স্থান গ্রীষ্মকালীন তাপদাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
এ সময় শীতল আবহাওয়ার জন্য পরিচিত দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ তাসমানিয়ার তাপমাত্রাও ৪০ ডিগ্রির ওপর ছিল। হবার্টের প্রায় ৫৫ কিলোমিটার (৩৪ মাইল) পূর্বে ছোট শহর ডুনেলেই দাবানলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুলিশ স্টেশন ও স্কুলসহ শহরের প্রায় ৩০ শতাংশ ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে বলে পুলিশের ধারণা। কাছের কনেলির মার্শের প্রায় ৪০ শতাংশ ভবন ধ্বংস হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার ডুনেলেইয়ে এক দমকল কর্মী দাবানলে আটকা পড়েছে এবং আগুনে পুড়ে একজনের মৃত্যু ঘটেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
হবার্টের পূর্বে তাসমান উপদ্বীপের আরও দক্ষিণে দুই হাজার লোক নুবিনা শহরে আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়াও আরো ৭শ’ লোক ঐতিহাসিক পোর্ট আর্থারে আশ্রয় নিয়েছে। এটিও তাসমান উপদ্বীপে অবস্থিত। অন্যদের জরুরি ভিত্তিতে হবার্টে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। অস্ট্রেলীয় দ্বীপ তাসমানিয়ায় দাবানলে হাজার হাজার মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে। অন্ততপক্ষে ৮০টি বাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।
তাসমানিয়ার অগ্নিনির্বাপক সংস্থার মুখপাত্র জন হলওয়ের বরাত দিয়ে বিবিসি শনিবার এ খবর জানিয়েছে। দাবানলের কারণে অনেকে তাসমান উপদ্বীপের সমুদ্রতীরে আশ্রয় নিয়েছে। সেখান থেকে নৌকায় করে শত শত মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।
অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য লড়াই করছে। তাসমানিয়ার প্রাদেশিক রাজধানী হোবার্টে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ধারণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এক ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন বলে দেশটির পুলিশ জানিয়েছে। দাবানল ছাড়াও দ্বীপটিতে উচ্চ তাপমাত্রার কারণে পৃথক ৪০টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
অস্ট্রেলিয়ায় দাবানল একটি নৈমিত্তিক ঘটনা। ২০০৯ সালে প্রত্যন্ত ভিক্টোরিয়া প্রদেশে দাবানলের ঘটনায় ১৭০ জন নিহত ও ২ হাজার বাড়িঘর ধ্বংস হয়।