Amardesh
আজঃঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ ডিসেম্বর ২০১২, ১৩ পৌষ ১৪১৯, ১৩ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

জাতীয়তাবাদী লিগ্যাল এইড যুক্তরাজ্য শাখা : মাহমুদুর রহমানের মামলা প্রত্যাহার ও মির্জা ফখরুলের মুক্তি দাবি

লন্ডন প্রতিনিধি
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা প্রত্যাহার এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে হয়রানিমূলক মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদে মঙ্গলবার প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী লিগ্যাল এইড কমিটি যুক্তরাজ্য শাখা। পূর্ব লন্ডনের ইয়াসিন গ্রিল হলে বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট ও ইংল্যান্ড ল’ সোসাইটির সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. হালিম বেপারীর সভাপতিত্বে এবং জাতীয়তাবাদী লিগ্যাল এইড যুক্তরাজ্য শাখার সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আলিমুল হক লিটনের পরিচালনায় এ প্রতিবাদ সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন সাংবাদিক ওলিউল্লাহ নোমান। তিনি বাংলাদেশে দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ব্যাপারে হতাশা ব্যক্ত করেন এবং যত বাধাই আসুক না কেন, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিয়া মনিরুল আলম বলেন, বাকশালী অপশক্তি আওয়ামী লীগ সরকার মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মতো জনপ্রিয় নেতাকে গ্রেফতার ও নির্যাতন করেছে। তাকে মুক্তি দেয়ার পাশাপাশি তিনি মাহমুদুর রহমানকে হয়রানিরও তীব্র নিন্দা জানান। যুক্তরাজ্যে বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমএ মালিক বলেন, সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য বিরোধী দলের প্রতি নির্যাতন করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। হলমার্ক ও ডেসটিনির টাকা বিদেশে পাচার করে লুটপাট করে খাচ্ছে। সরকার একদিকে নিজেদের সব মামলা প্রত্যাহার করে নিচ্ছে এবং ফাঁসির আসামিদের মুক্তি দিচ্ছে, অন্যদিকে বিরোধী দলের নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা অব্যাহত রেখেছে।
যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এমএ সালাম বলেন, বিরোধী দলের ওপর জেল জুলুম নির্যাতন হত্যা গুমই প্রমাণ করে এ সরকার তার নিরপেক্ষতার আস্থা হারিয়েছে। তিনি অবিলম্বে বিরোধী দলের গ্রেফতার করা সব নেতার মুক্তির দাবি জানান। অ্যাডভোকেট হালিম মির্জা ফখরুলের মুক্তির দাবি করেন। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির সাবেক আন্তর্জাতিক সেক্রেটারি শামসুল আলম চৌধুরী, সাবেক এডিটর কাউন্সিলের সভাপতি চৌধুরী ফারুক আহমদ, আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার হাজী আবুল মুনসুর শাহজাহান, আইনজীবী ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি আরমান রফিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা নসরুল্লাহ খান জুনায়েদ, সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার সফিউল আলম, বুয়েটের সাবেক ভিপি ব্যারিস্টার তারেক বিন আজিজ, হাজী ব্যারিস্টার আবু সায়েম, ব্যারিস্টার মোর্শেদ, অ্যাডভোকেট শিবলী সাদিক লিটন, অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন খান মিটু, ব্যারিস্টার আনোয়ার আহমদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার ইকবাল হোসেন, অ্যাডভোকেট নাসরিন আকতার, অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন, ব্যারিস্টার নাইম আহমদ, অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহমান জিয়া, অ্যাডভোকেট মোজাফফর হাসান চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মাহবুল হক, অ্যাডভোকেট পাওয়েল আহমদ, বিক্রমপুর সমিতির সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন, মোয়াজ্জেম হোসেন, বৃহত্তর ঢাকা সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সলিসিটর আবদুল ওয়াদুদ খান, তানজিল খান, আসলাম খান, রাসেল আহমদ রনি, মো. খালেদ আহমদ, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. ইসলাম উদ্দিন, মো. রোকন উর রহমান প্রমুখ।