Amardesh
আজঃঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ ডিসেম্বর ২০১২, ১৩ পৌষ ১৪১৯, ১৩ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

আমার দেশ-এর বিরুদ্ধে হুমকি ও বিক্রিতে বাধার নিন্দা সাংবাদিক নেতাদের

স্টাফ রিপোর্টার
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
দেশের বিভিন্ন স্থানে আমার দেশ সহ তিনটি জাতীয় পত্রিকা বিক্রিতে ছাত্রলীগ ও পুলিশের যৌথ বাধা দেয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সাংবাদিক নেতারা। তারা সংবাদ মাধ্যমের কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা বন্ধ না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারিও দেন। গতকাল সংবাদপত্র কার্যালয়ে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) নেতারা সরকারের কাছে এ হঠকারী কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবি জানান। তারা এ বিপজ্জনক পথ থেকে সরে না এলে সরকারকে অস্বাভাবিকভাবে বিদায় নিতে হবে বলে সতর্ক করেন।
বিএফইউজে’র সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, মহাসচিব শওকত মাহমুদ, ডিইউজের সভাপতি আবদুস শহিদ ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বাকের হুসাইন এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী এ সরকার নিজেকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী বলে দাবি করে। অথচ তাদের কাজে প্রমাণিত হয় এ দাবি মিথ্যা ও অন্তঃসারশূন্য। আমার দেশ সহ তিনটি পত্রিকা বিক্রিতে বাধা দেয়ার মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো সংবাদ মাধ্যমের ব্যাপারে এ সরকার কতটা অসহিষ্ণু। সরকার আসলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না।
তারা বলেন, উপর মহলের নির্দেশে আমার দেশ পত্রিকা বিক্রিতে বাধা দেয়া হচ্ছে। পুলিশ এ বিষয়ে স্বীকারোক্তিও দিয়েছে। এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা গোটা দেশের জন্য লজ্জাজনক। আমরা পুলিশের এমন ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানাই।
সাংবাদিক নেতারা বলেন, দেশের মানুষের কাছে এরই মধ্যে দানব হিসেবে পরিচিত ছাত্রলীগ ক্যাডাররা বলেছে, আমার দেশ সহ তিনটি পত্রিকা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। আসলে দখলবাজি, টেন্ডারবাজি, খুন-খারাপি, সন্ত্রাস, হলমার্ক কেলেঙ্কারি, সংখ্যালঘু নির্যাতনসহ নানা অপকর্ম করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ যদি উন্নয়নকামী হয়, তাহলে এসব অপকর্মের সত্য ঘটনা প্রকাশ করে আমার দেশ ও এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমান তাদের দৃষ্টিতে ষড়যন্ত্রকারী হওয়াটাই স্বাভাবিক। এতে নতুনত্ব কিছু নেই।
তারা বলেন, আমার দেশ ও এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমান এরই মধ্যে গোটা জাতির কাছে দেশপ্রেম, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। তাই সরকার চাইলেই তার কণ্ঠরোধ করতে পারবে না; বরং এমন হঠকারী চেষ্টা সরকারের পতনকে ত্বরান্বিত করবে।
তারা বলেন, আমার দেশ সহ তিনটি পত্রিকার বিক্রি ও বিপণনে বাধা দিয়ে সরকার পত্রিকা তিনটির পাঠকদের চিন্তার স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করে তাদের সংবিধানস্বীকৃত অধিকার লঙ্ঘন করেছেন। তারা এর বিরুদ্ধে পাঠকদের আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান। নেতারা সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, সংবাদ মাধ্যমের কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা থেকে বিরত থাকুন। নইলে আপনাদের অস্বাভাবিকভাবে বিদায় নিতে হবে।