Amardesh
আজঃঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ ডিসেম্বর ২০১২, ১৩ পৌষ ১৪১৯, ১৩ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

খালেদা জিয়ার বক্তব্যের জবাবে ইনু : নিজামী আমার পায়ে ধরতে চেয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু করজোড়ে মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর সঙ্গে হ্যান্ডশেক করছেন বলে বিএনপি চিয়ারপারসন খালেদা জিয়া যে বক্তব্য দিয়েছেন তার জবাবে তথ্যমন্ত্রী ইনু বলেছেন, ‘নিজামী আমার পায়ে ধরতে চেয়েছিল। তবে আমি তাকে আমার পা ধরতে দিইনি। পরে হাত ধরে মাফ চেয়েছিল। আমি মাফ করিনি। বিচারের মুখোমুখি করেছি। আর উনার (খালেদা জিয়া) হাতে ধরেছিল, তাই পাশে বসিয়েছেন।’
অনলাইন সংবাদপত্র নতুন বার্তা ডটকম জানায়, গতকাল বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) মিলনায়তনে ‘ড. মহানামব্রত স্মারক বক্তৃতা, গুণীজন সম্মাননা ও কৃতী ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ড. মহানামব্রত ফাউন্ডেশন ফর পিস অ্যান্ড সলিডারিটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
উল্লেখ্য, গতকাল যাত্রবাড়ীতে পথসভায় বক্তৃতায় খালেদা জিয়া বলেন, ‘তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু করজোড়ে মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর সঙ্গে হ্যান্ডশেক করছেন। এই ইনু ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (আইবি) নির্বাচনের কাউন্সিলর (সদস্য) পদে নির্বাচনে হেরে গেছেন।’ এ সময় ব্যাপক করতালি ও স্লোগানে বেগম জিয়ার বক্তব্যকে স্বাগত জানান পথসভায় উপস্থিত ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। খালেদা জিয়ার হাতে ওই ছবিতে দেখা গেছে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী সোফায় বসা অবস্থায় রয়েছেন। তার সঙ্গে হ্যান্ডশেক করতে সামনের দিকে ঝুঁকে আছেন যুদ্ধাপরাধের বিচার দাবিতে সোচ্চার তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও ড. মহানামব্রত ফাউন্ডেশন ফর পিস অ্যান্ড সলিডারিটির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন ঝিনাইদহের কে. সি. কলেজের বাংলা বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক নৃপেন্দ্র লাল দাস।
উন্নয়নের জন্য গণতন্ত্র প্রয়োজন উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শুধু মুখে গণতন্ত্রের কথা বলি, নিজের জীবন ও সমাজে তার বাস্তবায়ন করি না। সমাজতন্ত্রের কথা বলি, তবে নিজ গৃহকর্মীকে নির্যাতন করি, আর রাস্তায় রিকশাওয়ালার সঙ্গে তুই তোকারি করি। এভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে না।’
ইনু বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে নারীদের অবদান কম নয়। পেছনে তাকালে পুরুষদের থেকে নারীদের অবদান উপরে। মুক্তিযুদ্ধে পুরুষদের দুটি যুদ্ধ ছিল—একটি দেশরক্ষা অন্যটি প্রাণরক্ষা। তবে নারীদের দেশরক্ষা ও প্রাণ এবং ইজ্জতের রক্ষার লড়াই। পুরুষরা পাকিস্তানের দালাল হয়েছে। নারীরা প্রাণ দিয়েছে কিন্তু মাথানত করেনি। নারীরা দালাল হয়নি।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সংগঠনের পরিচালক মোহাম্মদ ইলিয়াস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের সাবেক ডিন ড. আমিনুল ইসলাম, জগন্নাথ হলের সাবেক প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র মণ্ডল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।