Amardesh
আজঃঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ ডিসেম্বর ২০১২, ১৩ পৌষ ১৪১৯, ১৩ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

গণসংযোগে জামায়াত শিবিরের শোডাউন

স্টাফ রিপোর্টার
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
রাজধানীতে ১৮ দলীয় জোটের গণসংযোগ কর্মসূচিতে বিএনপির পাশাপাশি ব্যাপক শোডাউন করেছে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির। খালেদা জিয়ার ৫টি পথসভার নির্ধারিত স্থানে সকাল থেকেই জড়ো হতে থাকেন জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা। তাদের অনেকের হাতে ছিল আটক গোলাম আযম, মাওলানা নিজামী, মাওলানা সাঈদীসহ শীর্ষ নেতাদের মুক্তি, অবৈধ ট্রাইব্যুনাল বাতিল, সরকারের জুলুম-নির্যাতন বন্ধসহ নানা দাবি সংবলিত ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড। এসব ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে পথসভাস্থলে খণ্ড খণ্ড মিছিল ও শ্লোগান উপস্থিত সবার বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সভাস্থলে আগতদের মাঝে বিতরণ করা হয় ট্রাইব্যুনালে দেয়া মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সর্বশেষ বক্তব্য সংবলিত লিফলেট। মঞ্চের আশপাশের ভবনগুলোতে টানানো হয় ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার। সকালে গাবতলীতে প্রথম পথসভার পর থেকে সর্বশেষ সভাস্থল বাড্ডা যাওয়ার পথে গণসংযোগরত খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরেও মিছিল নিয়ে সরব ছিল জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা। এছাড়া সব সভা মঞ্চেই দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগরের একাধিক নেতা বর্তমান সরকারের অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ড, গ্রেফতার, নির্যাতন এবং জামায়াত-শিবির দমননীতির প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন।
পথসভাগুলোতে জামায়াত নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, ঢাকা মহানগরী নায়েবে আমির হামিদুর রহমান আযাদ এমপি, সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম বুলবুল, সহকারী সেক্রেটারি সেলিম উদ্দিন, মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া ও ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ড. রেজাউল করিম, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক আতিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক আবু সালেহ মো. ইয়াহইয়াসহ জামায়াত শিবিরের কেন্দ্রীয়, মহানগর ও থানা পর্যায়ের নেতারা।
গাবতলীর পথসভায় অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্যই কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে প্রহসন করছে। বিচারপতির স্কাইপ সংলাপের মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়ার পর এ বিচারের কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। তিনি প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত ট্রাইব্যুনাল বাতিল, স্কাইপ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় এনে অবিলম্বে আটক নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। অন্যথায় জনগণ সরকারের জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। অন্য বক্তারা বলেন, অবিলম্বে প্রহসনের বিচার বন্ধ ও ট্রাইব্যুনাল বাতিল করে নেতাদের মুক্তি না দিলে প্রয়োজনে ট্রাইব্যুনাল ঘেরাও কর্মসূচি দেয়া হবে।