Amardesh
আজঃঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ ডিসেম্বর ২০১২, ১৩ পৌষ ১৪১৯, ১৩ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

বই উত্সব ১ জানুয়ারি : ৩ কোটি ৬৮ লাখ ৭৬ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য নতুন বই, নতুন পাঠ্যক্রম অনুযায়ী প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে ১১১টি বই প্রণয়ন

স্টাফ রিপোর্টার
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
আগামী ১ জানুয়ারি দেশের সব প্রাথমিক স্কুল, ইবতেদায়ী, মাধ্যমিক, মাদরাসা এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পাবে। এ বছর ৩ কোটি ৬৮ লাখ ৭৬ হাজার ১৭২ শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ২৭ কোটি বই বিতরণ করা হবে। বছরের প্রথম দিন স্কুলে স্কুলে হবে রং-বেরঙের পাঠ্যবইয়ের উত্সব। এর আগের দিন ৩১ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেবেন। ১ জানুয়ারি সকাল ১১টায় ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে কেন্দ্রীয়ভাবে পাঠ্যপুস্তক উত্সবের উদ্বোধন করা হবে।
গতকাল মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। মন্ত্রী নাহিদ জানান, শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিতে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, এবার প্রাথমিকে ১০ কোটি ৭৮ লাখ ৬২ হাজার ৭১৪টি, ইবতেদায়ীতে এক কোটি ৭২ লাখ ১ হাজার ৪০টি, মাধ্যমিকে ১১ কোটি ৪৮ লাখ ২১ হাজার ৩৩১টি, মাদরাসায় ২ কোটি ৫ লাখ ৯৫ হাজার ৫৪০টি এবং কারিগরিতে ১৩ লাখ ২৮ হাজার ৪৮১টি বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। শিক্ষার্থীরা অধীর আগ্রহে বই পাওয়ার জন্য প্রহর গুনছে। পাঠ্যপুস্তক দিবসের মাধ্যমে বছরের প্রথম দিনে বই পাওয়া সারাদেশের কোটি কোটি শিক্ষার্থীর কাছে এখন এক মহাআনন্দের উত্সবে পরিণত হয়েছে। এ আনন্দ শুধু শিক্ষার্থীর নয়—তাদের শিক্ষক, অভিভাবকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে তা ছুঁয়ে যায়।
তিনি বলেন, ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীরা খালি হাতে স্কুলে যাবে এবং নতুন বই হাতে বাড়ি ফিরবে। এছাড়া বছরের প্রথম দিনই সরকারের ই-বইয়ের ওয়েবসাইট .িবনড়ড়শ.মড়া.নফ এবং এনসিটিবির ওয়েবসাইট .িহপঃন.মড়া.নফ থেকে সব বই বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে। ১০ হাজার ৫০৭টি ট্রাকে করে সারাদেশে বই পাঠানো হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সরকার নির্ধারিত পাঠ্যসূচির বাইরে অন্য বই কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে ।
তিনি বলেন, বিভিন্ন মহলের দাবির প্রেক্ষিতে শিশুদের বইয়ের বোঝা কমানোর লক্ষ্যে আমরা এবার প্রাথমিকের ৫৪৮ পৃষ্ঠা কমিয়ে দিয়েছি। মাধ্যমিক স্তরেও অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে। যুগের চাহিদাকে পূরণ করতে গিয়ে জলবায়ুর পরিবর্তন, প্রজনন স্বাস্থ্য, অটিজম, তথ্য অধিকারসহ নতুন বেশকিছু বিষয় সংযোজন করা হয়েছে। কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি বিষয় তিনটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নতুন পাঠ্যক্রম অনুযায়ী এ বছর প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ১১১টি বই প্রণয়ন করা হয়েছে। এক হাজার ৪০১ জন শিক্ষক, শিক্ষাবিদ ও গবেষক এসব বই প্রণয়নের সঙ্গে ছিলেন। সরকার ২০১০ সাল থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বই সরবরাহ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে শিক্ষা সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোস্তফা কামাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।